বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পে চীনের অংশীদারিত্ব জোরদারের আহ্বান

বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পে চীনের অংশীদারিত্ব জোরদারের আহ্বান
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ‘বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্পকে আরও টেকসই, পরিবেশবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে চীনের বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘দ্বিতীয় বাংলাদেশ-চীন গ্রিন টেক্সটাইল এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, চীনের শিল্পায়ন, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। তিনি চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে অর্থবহ বিনিয়োগের আহ্বান জানান, যাতে উভয় দেশের জন্য ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
মন্ত্রী বলেন, ‘চীন বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চীনা প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। বন্ধ থাকা রাষ্ট্রীয় মিল-কারখানা পুনরুজ্জীবন, পাটখাতের আধুনিকায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং সবুজ শিল্পায়নে চীনা বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের সর্বাধিক সংখ্যক সবুজ সনদপ্রাপ্ত পোশাক কারখানা রয়েছে, যা দেশের উদ্যোক্তাদের পরিবেশ সচেতনতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। পানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করে টেক্সটাইল শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই করতে হবে।
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ-চীন যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ ধরনের প্রদর্শনী প্রযুক্তি বিনিময়, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং টেকসই শিল্পায়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।
এছাড়াও বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিজিএমইএ)এর পরিচালক শাহ রায়ীদ চৌধুরী ,বাংলাদেশ -চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিসিআই) সভাপতি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, বাংলাদেশ গার্মেন্ট বাইং হাউস অ্যাসোসিয়েশন (বিজিবিএ) এর সভাপতি আব্দুল হামিদ পিন্টু, সেভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফয়েজুল আলম, চাইনিজ ইন্টারপ্রাইজ ইন বাংলাদেশ এর সভাপতি হান কুন এবং ওভারসীজ চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ এর সহ সভাপতি লিসা লু।
পরে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এক্সপোর বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।
উল্লেখ্য, গ্রীন টেক্সটাইল শিল্পের সবচেয়ে বিশেষায়িত এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ ও চীনের খ্যাতনামা টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস কোম্পানিগুলো, বিনিয়োগকারী, প্রযুক্তিবিদ ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল। প্রদর্শনীতে পরিবেশবান্ধব ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য টেক্সটাইল প্রযুক্তির প্রদর্শন, সেমিনার ও প্যানেল আলোচনায় চীন ও বাংলাদেশের শীর্ষ উদ্যোক্তারা অংশ নিচ্ছেন।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী আগামী ১৬ মে শেষ হবে।

বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ‘বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্পকে আরও টেকসই, পরিবেশবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে চীনের বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘দ্বিতীয় বাংলাদেশ-চীন গ্রিন টেক্সটাইল এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, চীনের শিল্পায়ন, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। তিনি চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে অর্থবহ বিনিয়োগের আহ্বান জানান, যাতে উভয় দেশের জন্য ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
মন্ত্রী বলেন, ‘চীন বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চীনা প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। বন্ধ থাকা রাষ্ট্রীয় মিল-কারখানা পুনরুজ্জীবন, পাটখাতের আধুনিকায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং সবুজ শিল্পায়নে চীনা বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের সর্বাধিক সংখ্যক সবুজ সনদপ্রাপ্ত পোশাক কারখানা রয়েছে, যা দেশের উদ্যোক্তাদের পরিবেশ সচেতনতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। পানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করে টেক্সটাইল শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই করতে হবে।
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ-চীন যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ ধরনের প্রদর্শনী প্রযুক্তি বিনিময়, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং টেকসই শিল্পায়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।
এছাড়াও বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিজিএমইএ)এর পরিচালক শাহ রায়ীদ চৌধুরী ,বাংলাদেশ -চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিসিআই) সভাপতি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, বাংলাদেশ গার্মেন্ট বাইং হাউস অ্যাসোসিয়েশন (বিজিবিএ) এর সভাপতি আব্দুল হামিদ পিন্টু, সেভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফয়েজুল আলম, চাইনিজ ইন্টারপ্রাইজ ইন বাংলাদেশ এর সভাপতি হান কুন এবং ওভারসীজ চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ এর সহ সভাপতি লিসা লু।
পরে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এক্সপোর বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।
উল্লেখ্য, গ্রীন টেক্সটাইল শিল্পের সবচেয়ে বিশেষায়িত এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ ও চীনের খ্যাতনামা টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস কোম্পানিগুলো, বিনিয়োগকারী, প্রযুক্তিবিদ ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল। প্রদর্শনীতে পরিবেশবান্ধব ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য টেক্সটাইল প্রযুক্তির প্রদর্শন, সেমিনার ও প্যানেল আলোচনায় চীন ও বাংলাদেশের শীর্ষ উদ্যোক্তারা অংশ নিচ্ছেন।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী আগামী ১৬ মে শেষ হবে।

বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পে চীনের অংশীদারিত্ব জোরদারের আহ্বান
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ‘বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্পকে আরও টেকসই, পরিবেশবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে চীনের বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘দ্বিতীয় বাংলাদেশ-চীন গ্রিন টেক্সটাইল এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, চীনের শিল্পায়ন, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। তিনি চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে অর্থবহ বিনিয়োগের আহ্বান জানান, যাতে উভয় দেশের জন্য ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
মন্ত্রী বলেন, ‘চীন বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চীনা প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। বন্ধ থাকা রাষ্ট্রীয় মিল-কারখানা পুনরুজ্জীবন, পাটখাতের আধুনিকায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং সবুজ শিল্পায়নে চীনা বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের সর্বাধিক সংখ্যক সবুজ সনদপ্রাপ্ত পোশাক কারখানা রয়েছে, যা দেশের উদ্যোক্তাদের পরিবেশ সচেতনতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। পানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করে টেক্সটাইল শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই করতে হবে।
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ-চীন যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ ধরনের প্রদর্শনী প্রযুক্তি বিনিময়, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং টেকসই শিল্পায়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।
এছাড়াও বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিজিএমইএ)এর পরিচালক শাহ রায়ীদ চৌধুরী ,বাংলাদেশ -চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিসিআই) সভাপতি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, বাংলাদেশ গার্মেন্ট বাইং হাউস অ্যাসোসিয়েশন (বিজিবিএ) এর সভাপতি আব্দুল হামিদ পিন্টু, সেভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফয়েজুল আলম, চাইনিজ ইন্টারপ্রাইজ ইন বাংলাদেশ এর সভাপতি হান কুন এবং ওভারসীজ চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ এর সহ সভাপতি লিসা লু।
পরে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এক্সপোর বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।
উল্লেখ্য, গ্রীন টেক্সটাইল শিল্পের সবচেয়ে বিশেষায়িত এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ ও চীনের খ্যাতনামা টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস কোম্পানিগুলো, বিনিয়োগকারী, প্রযুক্তিবিদ ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল। প্রদর্শনীতে পরিবেশবান্ধব ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য টেক্সটাইল প্রযুক্তির প্রদর্শন, সেমিনার ও প্যানেল আলোচনায় চীন ও বাংলাদেশের শীর্ষ উদ্যোক্তারা অংশ নিচ্ছেন।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী আগামী ১৬ মে শেষ হবে।

বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে ব্যবহার হবে এআই: বাণিজ্যমন্ত্রী


