পরিত্যক্ত বাড়িতে ১০ ঘোড়া জবাই, রহস্যের জট খোলেনি

পরিত্যক্ত বাড়িতে ১০ ঘোড়া জবাই, রহস্যের জট খোলেনি
সিজেডএন ডেস্ক

টাঙ্গাইলের বাসাইলে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে ১০টি ঘোড়া জবাই করার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে তিনটি জবাই করা ঘোড়া এবং সাতটি ঘোড়ার মাথা উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, বাসাইল পৌরসভার বর্ণীকিশোরী এলাকায় একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে শনিবার দিবাগত রাতে কোনো একসময় ঘোড়াগুলো জবাই করা হয়। দুর্বৃত্তরা সাতটি ঘোড়ার মাংস নিয়ে গেলেও তিনটি ঘোড়ার মাংস ঘটনাস্থলে পড়ে থাকে।
খবর পেয়ে পুলিশ ও পৌর কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে যায়। পরে উদ্ধার করা ঘোড়ার মাথা, হাড়, চামড়া ও নাড়িভুঁড়ি অন্যত্র নিয়ে পুঁতে ফেলা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল পরিষ্কার করা হয়েছে।
বাসাইল পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘তিনটি জবাই করা ঘোড়া, সাতটি ঘোড়ার মাথা, হাড়, চামড়া ও নাড়িভুঁড়ি সেখান থেকে এনে অন্যত্র পুঁতে রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থলও পরিষ্কার করা হয়েছে।’
স্থানীয় লোকজন বলছেন, বাসাইল ও আশপাশের এলাকায় ঘোড়া পালন খুব একটা হয় না। তাঁদের ধারণা, অন্য কোনো এলাকা থেকে ঘোড়াগুলো এনে ওই নির্জন বাড়িতে জবাই করা হয়েছে।
ঘটনাস্থলে আসা স্থানীয় বাসিন্দা মফিজ মিয়া বলেন, ‘এখানে ১০টি ঘোড়া জবাই করা হয়েছে। সাতটির মাংস নিয়ে গেছে, তিনটি রেখে গেছে। হয়তো কোনো হোটেলে বিক্রির জন্য মাংস নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’
মফিজ মিয়া আরও বলেন, এর আগেও উপজেলার নাইকানীবাড়ী ও গাজীর ভাঙ্গা এলাকায় ঘোড়ার মাথা, হাড়, চামড়া ও নাড়িভুঁড়ি পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, রাত একটা থেকে ভোর চারটার মধ্যে ঘোড়াগুলো জবাই করা হয়েছে। ভোর হয়ে যাওয়ায় সাতটি ঘোড়ার মাংস নিয়ে তিনটি জবাই করা ঘোড়া ফেলে চলে যায় দুর্বৃত্তরা।
ওসি বলেন, বাড়িটিতে কেউ বসবাস করে না। ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা জানতে পুলিশ অনুসন্ধান করছে।

টাঙ্গাইলের বাসাইলে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে ১০টি ঘোড়া জবাই করার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে তিনটি জবাই করা ঘোড়া এবং সাতটি ঘোড়ার মাথা উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, বাসাইল পৌরসভার বর্ণীকিশোরী এলাকায় একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে শনিবার দিবাগত রাতে কোনো একসময় ঘোড়াগুলো জবাই করা হয়। দুর্বৃত্তরা সাতটি ঘোড়ার মাংস নিয়ে গেলেও তিনটি ঘোড়ার মাংস ঘটনাস্থলে পড়ে থাকে।
খবর পেয়ে পুলিশ ও পৌর কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে যায়। পরে উদ্ধার করা ঘোড়ার মাথা, হাড়, চামড়া ও নাড়িভুঁড়ি অন্যত্র নিয়ে পুঁতে ফেলা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল পরিষ্কার করা হয়েছে।
বাসাইল পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘তিনটি জবাই করা ঘোড়া, সাতটি ঘোড়ার মাথা, হাড়, চামড়া ও নাড়িভুঁড়ি সেখান থেকে এনে অন্যত্র পুঁতে রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থলও পরিষ্কার করা হয়েছে।’
স্থানীয় লোকজন বলছেন, বাসাইল ও আশপাশের এলাকায় ঘোড়া পালন খুব একটা হয় না। তাঁদের ধারণা, অন্য কোনো এলাকা থেকে ঘোড়াগুলো এনে ওই নির্জন বাড়িতে জবাই করা হয়েছে।
ঘটনাস্থলে আসা স্থানীয় বাসিন্দা মফিজ মিয়া বলেন, ‘এখানে ১০টি ঘোড়া জবাই করা হয়েছে। সাতটির মাংস নিয়ে গেছে, তিনটি রেখে গেছে। হয়তো কোনো হোটেলে বিক্রির জন্য মাংস নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’
মফিজ মিয়া আরও বলেন, এর আগেও উপজেলার নাইকানীবাড়ী ও গাজীর ভাঙ্গা এলাকায় ঘোড়ার মাথা, হাড়, চামড়া ও নাড়িভুঁড়ি পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, রাত একটা থেকে ভোর চারটার মধ্যে ঘোড়াগুলো জবাই করা হয়েছে। ভোর হয়ে যাওয়ায় সাতটি ঘোড়ার মাংস নিয়ে তিনটি জবাই করা ঘোড়া ফেলে চলে যায় দুর্বৃত্তরা।
ওসি বলেন, বাড়িটিতে কেউ বসবাস করে না। ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা জানতে পুলিশ অনুসন্ধান করছে।

পরিত্যক্ত বাড়িতে ১০ ঘোড়া জবাই, রহস্যের জট খোলেনি
সিজেডএন ডেস্ক

টাঙ্গাইলের বাসাইলে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে ১০টি ঘোড়া জবাই করার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে তিনটি জবাই করা ঘোড়া এবং সাতটি ঘোড়ার মাথা উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, বাসাইল পৌরসভার বর্ণীকিশোরী এলাকায় একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে শনিবার দিবাগত রাতে কোনো একসময় ঘোড়াগুলো জবাই করা হয়। দুর্বৃত্তরা সাতটি ঘোড়ার মাংস নিয়ে গেলেও তিনটি ঘোড়ার মাংস ঘটনাস্থলে পড়ে থাকে।
খবর পেয়ে পুলিশ ও পৌর কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে যায়। পরে উদ্ধার করা ঘোড়ার মাথা, হাড়, চামড়া ও নাড়িভুঁড়ি অন্যত্র নিয়ে পুঁতে ফেলা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল পরিষ্কার করা হয়েছে।
বাসাইল পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘তিনটি জবাই করা ঘোড়া, সাতটি ঘোড়ার মাথা, হাড়, চামড়া ও নাড়িভুঁড়ি সেখান থেকে এনে অন্যত্র পুঁতে রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থলও পরিষ্কার করা হয়েছে।’
স্থানীয় লোকজন বলছেন, বাসাইল ও আশপাশের এলাকায় ঘোড়া পালন খুব একটা হয় না। তাঁদের ধারণা, অন্য কোনো এলাকা থেকে ঘোড়াগুলো এনে ওই নির্জন বাড়িতে জবাই করা হয়েছে।
ঘটনাস্থলে আসা স্থানীয় বাসিন্দা মফিজ মিয়া বলেন, ‘এখানে ১০টি ঘোড়া জবাই করা হয়েছে। সাতটির মাংস নিয়ে গেছে, তিনটি রেখে গেছে। হয়তো কোনো হোটেলে বিক্রির জন্য মাংস নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’
মফিজ মিয়া আরও বলেন, এর আগেও উপজেলার নাইকানীবাড়ী ও গাজীর ভাঙ্গা এলাকায় ঘোড়ার মাথা, হাড়, চামড়া ও নাড়িভুঁড়ি পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, রাত একটা থেকে ভোর চারটার মধ্যে ঘোড়াগুলো জবাই করা হয়েছে। ভোর হয়ে যাওয়ায় সাতটি ঘোড়ার মাংস নিয়ে তিনটি জবাই করা ঘোড়া ফেলে চলে যায় দুর্বৃত্তরা।
ওসি বলেন, বাড়িটিতে কেউ বসবাস করে না। ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা জানতে পুলিশ অনুসন্ধান করছে।









