‘সূর্যের হাসি নেটওয়ার্কের’ ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা

‘সূর্যের হাসি নেটওয়ার্কের’ ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা
যশোর সংবাদদাতা

সাড়ে ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সূর্যের হাসি নেটওয়ার্কের ৫ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা হয়েছে। যশোরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিবিআই যশোরের বিশেষ পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) পরিবার কল্যাণ সমিতি (পিকেএস) নামে একটি সংস্থার পক্ষে মামলাটি করেন যশোরের চাঁচড়া ডালমিল শাখার সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান ।
মামলার আসামিরা হলেন– সূর্যের হাসি নেটওয়ার্কের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও শায়লা পারভীন, জেনারেল ম্যানেজার ও মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান নুরুল আবসার, ইন্টারনাল অডিট অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স বিভাগের প্রধান মনোরঞ্জন মণ্ডল, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার ব্যক্তিগত সহকারী সাজ্জাদুজ্জামান এবং ফাইন্যান্স অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের এক্সিকিউটিভ ইয়াছিন আলম।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, সরকার অনুমোদিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পিকেএস দীর্ঘদিন ধরে হতদরিদ্র মা ও শিশুদের মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্যসেবা, চক্ষু চিকিৎসা, ছানি অপারেশন, লেন্স স্থাপন এবং থ্যালাসেমিয়া রোগীদের স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছে।
১৯৮২ সাল থেকে খুলনা বিভাগে ২৬টি ক্লিনিকের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল সূর্যের হাসি নেটওয়ার্ক। ইউএসএআইডির অর্থায়নে এর বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হতো। ২০১৮ সালে ফান্ড বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর একই ডোনার সংস্থার পরামর্শে পিকেএসের মাধ্যমে যশোরসহ আশপাশের এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
মামলায় বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ৪ ডিসেম্বর যশোরের চাঁচড়া ডালমিল এলাকায় পিকেএস ভবন ভাড়া নেওয়ার পর যশোর, খুলনা, চুয়াডাঙ্গা, সাতক্ষীরা, নড়াইল, মাগুরাসহ বিভিন্ন জেলার ২৬টি ক্লিনিকের কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব সূর্যের হাসি নেটওয়ার্ককে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ক্লিনিকগুলোর ব্যবহৃত মালামাল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম স্বাস্থ্যসেবার কাজে ব্যবহারের শর্তে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আসামিরা ওই ২৬টি ক্লিনিক থেকে অ্যাম্বুলেন্সসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও মালামাল আত্মসাৎ করেছেন। এর আর্থিক মূল্য ৪ কোটি ৩৮ লাখ ৭২ হাজার ৯১৮ টাকা ১০ পয়সা।
আরও বলা হয়, গত ১ জানুয়ারি আসামিদের ডেকে মালামাল ও অর্থ ফেরত চাইলে তারা কোনো সঠিক জবাব না দিয়ে সেখান থেকে চলে যান।

সাড়ে ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সূর্যের হাসি নেটওয়ার্কের ৫ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা হয়েছে। যশোরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিবিআই যশোরের বিশেষ পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) পরিবার কল্যাণ সমিতি (পিকেএস) নামে একটি সংস্থার পক্ষে মামলাটি করেন যশোরের চাঁচড়া ডালমিল শাখার সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান ।
মামলার আসামিরা হলেন– সূর্যের হাসি নেটওয়ার্কের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও শায়লা পারভীন, জেনারেল ম্যানেজার ও মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান নুরুল আবসার, ইন্টারনাল অডিট অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স বিভাগের প্রধান মনোরঞ্জন মণ্ডল, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার ব্যক্তিগত সহকারী সাজ্জাদুজ্জামান এবং ফাইন্যান্স অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের এক্সিকিউটিভ ইয়াছিন আলম।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, সরকার অনুমোদিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পিকেএস দীর্ঘদিন ধরে হতদরিদ্র মা ও শিশুদের মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্যসেবা, চক্ষু চিকিৎসা, ছানি অপারেশন, লেন্স স্থাপন এবং থ্যালাসেমিয়া রোগীদের স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছে।
১৯৮২ সাল থেকে খুলনা বিভাগে ২৬টি ক্লিনিকের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল সূর্যের হাসি নেটওয়ার্ক। ইউএসএআইডির অর্থায়নে এর বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হতো। ২০১৮ সালে ফান্ড বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর একই ডোনার সংস্থার পরামর্শে পিকেএসের মাধ্যমে যশোরসহ আশপাশের এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
মামলায় বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ৪ ডিসেম্বর যশোরের চাঁচড়া ডালমিল এলাকায় পিকেএস ভবন ভাড়া নেওয়ার পর যশোর, খুলনা, চুয়াডাঙ্গা, সাতক্ষীরা, নড়াইল, মাগুরাসহ বিভিন্ন জেলার ২৬টি ক্লিনিকের কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব সূর্যের হাসি নেটওয়ার্ককে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ক্লিনিকগুলোর ব্যবহৃত মালামাল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম স্বাস্থ্যসেবার কাজে ব্যবহারের শর্তে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আসামিরা ওই ২৬টি ক্লিনিক থেকে অ্যাম্বুলেন্সসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও মালামাল আত্মসাৎ করেছেন। এর আর্থিক মূল্য ৪ কোটি ৩৮ লাখ ৭২ হাজার ৯১৮ টাকা ১০ পয়সা।
আরও বলা হয়, গত ১ জানুয়ারি আসামিদের ডেকে মালামাল ও অর্থ ফেরত চাইলে তারা কোনো সঠিক জবাব না দিয়ে সেখান থেকে চলে যান।

‘সূর্যের হাসি নেটওয়ার্কের’ ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা
যশোর সংবাদদাতা

সাড়ে ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সূর্যের হাসি নেটওয়ার্কের ৫ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা হয়েছে। যশোরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিবিআই যশোরের বিশেষ পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) পরিবার কল্যাণ সমিতি (পিকেএস) নামে একটি সংস্থার পক্ষে মামলাটি করেন যশোরের চাঁচড়া ডালমিল শাখার সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান ।
মামলার আসামিরা হলেন– সূর্যের হাসি নেটওয়ার্কের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও শায়লা পারভীন, জেনারেল ম্যানেজার ও মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান নুরুল আবসার, ইন্টারনাল অডিট অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স বিভাগের প্রধান মনোরঞ্জন মণ্ডল, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার ব্যক্তিগত সহকারী সাজ্জাদুজ্জামান এবং ফাইন্যান্স অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের এক্সিকিউটিভ ইয়াছিন আলম।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, সরকার অনুমোদিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পিকেএস দীর্ঘদিন ধরে হতদরিদ্র মা ও শিশুদের মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্যসেবা, চক্ষু চিকিৎসা, ছানি অপারেশন, লেন্স স্থাপন এবং থ্যালাসেমিয়া রোগীদের স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছে।
১৯৮২ সাল থেকে খুলনা বিভাগে ২৬টি ক্লিনিকের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল সূর্যের হাসি নেটওয়ার্ক। ইউএসএআইডির অর্থায়নে এর বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হতো। ২০১৮ সালে ফান্ড বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর একই ডোনার সংস্থার পরামর্শে পিকেএসের মাধ্যমে যশোরসহ আশপাশের এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
মামলায় বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ৪ ডিসেম্বর যশোরের চাঁচড়া ডালমিল এলাকায় পিকেএস ভবন ভাড়া নেওয়ার পর যশোর, খুলনা, চুয়াডাঙ্গা, সাতক্ষীরা, নড়াইল, মাগুরাসহ বিভিন্ন জেলার ২৬টি ক্লিনিকের কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব সূর্যের হাসি নেটওয়ার্ককে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ক্লিনিকগুলোর ব্যবহৃত মালামাল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম স্বাস্থ্যসেবার কাজে ব্যবহারের শর্তে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আসামিরা ওই ২৬টি ক্লিনিক থেকে অ্যাম্বুলেন্সসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও মালামাল আত্মসাৎ করেছেন। এর আর্থিক মূল্য ৪ কোটি ৩৮ লাখ ৭২ হাজার ৯১৮ টাকা ১০ পয়সা।
আরও বলা হয়, গত ১ জানুয়ারি আসামিদের ডেকে মালামাল ও অর্থ ফেরত চাইলে তারা কোনো সঠিক জবাব না দিয়ে সেখান থেকে চলে যান।

বিটিআরসির ৫৬৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলা: ১২ আসামির জামিন বাতিল চেয়ে রিভিশন


