বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কেবল পুরুষের শাস্তির বিধান কেন তা অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) হাইকোর্ট রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে এ রুল জারি করেন।
রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান।
তিনি বলেন, ২০২৫ সালের ২০ মার্চ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনের খসড়া আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো- বিয়ের প্রলোভনে যৌন মিলনকে- অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে শাস্তির জন্য আইন করা হয়েছে। যদিও অপরাধটি প্রকৃত অর্থে কী করলে অপরাধ হবে? এর ব্যাখ্যা নেই। অর্থাৎ কেউ বিয়ের কথা কথা বলে, যৌন মিলন করার সঙ্গে সঙ্গে অপরাধ সংঘটিত হয়? নাকি পরবর্তীতে বিয়ের প্রতিশ্রুতি পালন না করলে অপরাধ হবে? এসব ব্যাখ্যা অনুপস্থিত। এই বিষয়ে পরিষ্কার করে আইনে বলা হয়নি। এমনটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন আইনজীবী ইসরাত হাসান।
আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী বিয়ের প্রলোভন দিলেই শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়বে আর এক্ষেত্রে তার পুরুষ সঙ্গীটির ৭ বছর পর্যন্ত জেল হবে। এরকম অবিবেচনামূলক বিধান কীভাবে আইন প্রণেতারা সম্মতি দিয়েছেন তা একেবারেই বোধগম্য নয়।
তিনি বলেন, এখানে একজন নারীকে নির্বোধ, পুতুল হিসেবে বোঝানো হচ্ছে! যিনি কোনও পুরুষের প্রলোভনে পড়ে যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। অথচ এ ধরনের সম্পর্কে কনট্রিবিউটরি পার্টিসিপেশন থাকে। রাষ্ট্র যদি চায় কেউ প্রণয়ের কিংবা শারীরিক সম্পর্কে না জড়ায়, তবে আইন করে প্রেম করা বন্ধ করে সবাইকে শাস্তির দেয়ার ব্যবস্থা করুক। শুধু এক পক্ষকে শাস্তি দেওয়া ন্যায়বিচার পরিপন্থী।

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কেবল পুরুষের শাস্তির বিধান কেন তা অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) হাইকোর্ট রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে এ রুল জারি করেন।
রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান।
তিনি বলেন, ২০২৫ সালের ২০ মার্চ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনের খসড়া আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো- বিয়ের প্রলোভনে যৌন মিলনকে- অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে শাস্তির জন্য আইন করা হয়েছে। যদিও অপরাধটি প্রকৃত অর্থে কী করলে অপরাধ হবে? এর ব্যাখ্যা নেই। অর্থাৎ কেউ বিয়ের কথা কথা বলে, যৌন মিলন করার সঙ্গে সঙ্গে অপরাধ সংঘটিত হয়? নাকি পরবর্তীতে বিয়ের প্রতিশ্রুতি পালন না করলে অপরাধ হবে? এসব ব্যাখ্যা অনুপস্থিত। এই বিষয়ে পরিষ্কার করে আইনে বলা হয়নি। এমনটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন আইনজীবী ইসরাত হাসান।
আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী বিয়ের প্রলোভন দিলেই শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়বে আর এক্ষেত্রে তার পুরুষ সঙ্গীটির ৭ বছর পর্যন্ত জেল হবে। এরকম অবিবেচনামূলক বিধান কীভাবে আইন প্রণেতারা সম্মতি দিয়েছেন তা একেবারেই বোধগম্য নয়।
তিনি বলেন, এখানে একজন নারীকে নির্বোধ, পুতুল হিসেবে বোঝানো হচ্ছে! যিনি কোনও পুরুষের প্রলোভনে পড়ে যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। অথচ এ ধরনের সম্পর্কে কনট্রিবিউটরি পার্টিসিপেশন থাকে। রাষ্ট্র যদি চায় কেউ প্রণয়ের কিংবা শারীরিক সম্পর্কে না জড়ায়, তবে আইন করে প্রেম করা বন্ধ করে সবাইকে শাস্তির দেয়ার ব্যবস্থা করুক। শুধু এক পক্ষকে শাস্তি দেওয়া ন্যায়বিচার পরিপন্থী।

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কেবল পুরুষের শাস্তির বিধান কেন তা অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) হাইকোর্ট রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে এ রুল জারি করেন।
রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান।
তিনি বলেন, ২০২৫ সালের ২০ মার্চ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনের খসড়া আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো- বিয়ের প্রলোভনে যৌন মিলনকে- অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে শাস্তির জন্য আইন করা হয়েছে। যদিও অপরাধটি প্রকৃত অর্থে কী করলে অপরাধ হবে? এর ব্যাখ্যা নেই। অর্থাৎ কেউ বিয়ের কথা কথা বলে, যৌন মিলন করার সঙ্গে সঙ্গে অপরাধ সংঘটিত হয়? নাকি পরবর্তীতে বিয়ের প্রতিশ্রুতি পালন না করলে অপরাধ হবে? এসব ব্যাখ্যা অনুপস্থিত। এই বিষয়ে পরিষ্কার করে আইনে বলা হয়নি। এমনটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন আইনজীবী ইসরাত হাসান।
আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী বিয়ের প্রলোভন দিলেই শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়বে আর এক্ষেত্রে তার পুরুষ সঙ্গীটির ৭ বছর পর্যন্ত জেল হবে। এরকম অবিবেচনামূলক বিধান কীভাবে আইন প্রণেতারা সম্মতি দিয়েছেন তা একেবারেই বোধগম্য নয়।
তিনি বলেন, এখানে একজন নারীকে নির্বোধ, পুতুল হিসেবে বোঝানো হচ্ছে! যিনি কোনও পুরুষের প্রলোভনে পড়ে যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। অথচ এ ধরনের সম্পর্কে কনট্রিবিউটরি পার্টিসিপেশন থাকে। রাষ্ট্র যদি চায় কেউ প্রণয়ের কিংবা শারীরিক সম্পর্কে না জড়ায়, তবে আইন করে প্রেম করা বন্ধ করে সবাইকে শাস্তির দেয়ার ব্যবস্থা করুক। শুধু এক পক্ষকে শাস্তি দেওয়া ন্যায়বিচার পরিপন্থী।

প্রবাসীদের পাসপোর্ট নবায়নের আবেদন ৬০ দিনে নিষ্পত্তির নির্দেশ






-CznNewsLab-2c9955-256x144.webp)
