১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার অভিযোগে গ্রেপ্তার আরও ১৫ জন রিমান্ডে

১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার অভিযোগে গ্রেপ্তার আরও ১৫ জন রিমান্ডে
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার ৫২ আসামির মধ্যে আরও ১৫ জনকে রিমান্ডে দিয়েছে আদালত।
রবিবার (২৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিয়াদ হাসানের আদালতে তাদের সাত দিনের রিমান্ডে নিতে শুনানি করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডে নেওয়া ১৫ জন হলেন– লিমন খান (২৪), দেওয়ান ইসমাইল (২১), ফাহিম মিয়া (২২), রতন (২২), রাব্বি ওরফে রাফি (১৯), রাতুল শীল (২১), মিনারুল মিয়া (২২), মাসুদ রানা ওরফে লিমু (৩৬), জিহাদ হাসান (২০), আবু সাইম ওরফে সায়েম বাবু (৪৫), ফাহিম (১৯), শাকিল মিয়া (১৯), রাজিব (১৯), সানি (১৯) ও রাজন মিয়া (১৯)।
এর আগে, গত ১৯ আগস্ট যুবলীগ নেতা মোতালিব, যুবলীগ নেত্রী মেহেজাবীন আক্তার মালা, রুবেল, জি কে মাসুদ, অন্তর মিয়া, রমজান, মামুন, মিঠু ওরফে আমির হোসেন, আব্দুর রহমান ওরফে আব্দুল্লাহ, সুমন মিয়া, আরিফ মিয়া, মোস্তাক মিয়া, সাইম হোসেন, জাহিদ হাসান ও শাহিন হোসেন ইমনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ১৩ আগস্ট রাতে ভাটারা থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এম-ব্লক, রোড-২৮-এর একটি বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ৫২ জনকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠন যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তারা ১৫ আগস্ট উপলক্ষে একত্রিত হয়ে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে দুটি আইফোন, একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা মোবাইল ফোন এবং তিনটি ব্যানার জব্দ করা হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
জব্দ করা ব্যানারগুলোর মধ্যে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মহফিল আয়োজনের কথা উল্লেখ ছিল। এ ঘটনায় ভাটারা থানায় তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়।

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার ৫২ আসামির মধ্যে আরও ১৫ জনকে রিমান্ডে দিয়েছে আদালত।
রবিবার (২৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিয়াদ হাসানের আদালতে তাদের সাত দিনের রিমান্ডে নিতে শুনানি করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডে নেওয়া ১৫ জন হলেন– লিমন খান (২৪), দেওয়ান ইসমাইল (২১), ফাহিম মিয়া (২২), রতন (২২), রাব্বি ওরফে রাফি (১৯), রাতুল শীল (২১), মিনারুল মিয়া (২২), মাসুদ রানা ওরফে লিমু (৩৬), জিহাদ হাসান (২০), আবু সাইম ওরফে সায়েম বাবু (৪৫), ফাহিম (১৯), শাকিল মিয়া (১৯), রাজিব (১৯), সানি (১৯) ও রাজন মিয়া (১৯)।
এর আগে, গত ১৯ আগস্ট যুবলীগ নেতা মোতালিব, যুবলীগ নেত্রী মেহেজাবীন আক্তার মালা, রুবেল, জি কে মাসুদ, অন্তর মিয়া, রমজান, মামুন, মিঠু ওরফে আমির হোসেন, আব্দুর রহমান ওরফে আব্দুল্লাহ, সুমন মিয়া, আরিফ মিয়া, মোস্তাক মিয়া, সাইম হোসেন, জাহিদ হাসান ও শাহিন হোসেন ইমনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ১৩ আগস্ট রাতে ভাটারা থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এম-ব্লক, রোড-২৮-এর একটি বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ৫২ জনকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠন যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তারা ১৫ আগস্ট উপলক্ষে একত্রিত হয়ে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে দুটি আইফোন, একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা মোবাইল ফোন এবং তিনটি ব্যানার জব্দ করা হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
জব্দ করা ব্যানারগুলোর মধ্যে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মহফিল আয়োজনের কথা উল্লেখ ছিল। এ ঘটনায় ভাটারা থানায় তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়।

১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার অভিযোগে গ্রেপ্তার আরও ১৫ জন রিমান্ডে
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার ৫২ আসামির মধ্যে আরও ১৫ জনকে রিমান্ডে দিয়েছে আদালত।
রবিবার (২৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিয়াদ হাসানের আদালতে তাদের সাত দিনের রিমান্ডে নিতে শুনানি করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডে নেওয়া ১৫ জন হলেন– লিমন খান (২৪), দেওয়ান ইসমাইল (২১), ফাহিম মিয়া (২২), রতন (২২), রাব্বি ওরফে রাফি (১৯), রাতুল শীল (২১), মিনারুল মিয়া (২২), মাসুদ রানা ওরফে লিমু (৩৬), জিহাদ হাসান (২০), আবু সাইম ওরফে সায়েম বাবু (৪৫), ফাহিম (১৯), শাকিল মিয়া (১৯), রাজিব (১৯), সানি (১৯) ও রাজন মিয়া (১৯)।
এর আগে, গত ১৯ আগস্ট যুবলীগ নেতা মোতালিব, যুবলীগ নেত্রী মেহেজাবীন আক্তার মালা, রুবেল, জি কে মাসুদ, অন্তর মিয়া, রমজান, মামুন, মিঠু ওরফে আমির হোসেন, আব্দুর রহমান ওরফে আব্দুল্লাহ, সুমন মিয়া, আরিফ মিয়া, মোস্তাক মিয়া, সাইম হোসেন, জাহিদ হাসান ও শাহিন হোসেন ইমনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ১৩ আগস্ট রাতে ভাটারা থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এম-ব্লক, রোড-২৮-এর একটি বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ৫২ জনকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠন যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তারা ১৫ আগস্ট উপলক্ষে একত্রিত হয়ে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে দুটি আইফোন, একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা মোবাইল ফোন এবং তিনটি ব্যানার জব্দ করা হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
জব্দ করা ব্যানারগুলোর মধ্যে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মহফিল আয়োজনের কথা উল্লেখ ছিল। এ ঘটনায় ভাটারা থানায় তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়।









