ইউরোপ যাত্রা: ভূমধ্যসাগরে সুনামগঞ্জের ১০ যুবকের মৃত্যু

ইউরোপ যাত্রা: ভূমধ্যসাগরে সুনামগঞ্জের ১০ যুবকের মৃত্যু
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা

ভূমধ্যসাগরে ডুবে সুনামগঞ্জের ১০ যুবক মারা গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে সবার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে এমন খবর অনেকে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ের পরিদর্শক (ডিআইও-১) মো. আজিজুর রহমান শনিবার রাতে গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, দিরাই ও জগন্নাথপুরের ৮ জন মারা গেছেন। তবে লোকজন আরও ২ জন মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন। আমরা খোঁজ-খবর নিচ্ছি।
উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দিরাই উপজেলার ৪ জন, জগন্নাথপুরের ৫ জনের মৃত্যুর খবর পরিবারের কাছে এসেছে। এ ছাড়া দোয়ারাবাজার উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের ফাহিম নামের আরেক যুবকও মারা গেছেন বলে খবর ছড়িয়েছে।
দিরাই উপজেলার মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- কুলঞ্জ ইউনিয়নের তারাপাশা গ্রামের নূ্রুজ্জামান সরদার ময়না, সাজিদ, শাহান এবং রাজানগর ইউনিয়নরে ররনারচরের মুজিবুর রহমান।
নূ্রুজ্জামান সরদার ময়না মামা উমেদ আলী শনিবার রাতে গণমাধ্যমকে বলেন, তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে ময়না ছিল সবার আদরের। তার বাবা ১২ লাখ টাকা চুক্তিতে ছেলেকে ইতালি পাঠিয়েছিলেন। এখন টাকাও গেল; ছেলেও চিরদিনের জন্য হারিয়ে গেল। আমরা দালাল চক্রের বিচার চাই।
কুলঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শাহনুর মিয়া বলেন, ইউরোপে যাওয়ার স্বপ্নে জমিজমা, হালের গরু, মায়ের গয়না বিক্রি করে তরুণরা দালালের ফাঁদে পড়েছিল। লিবিয়ায় তারা সাগরে ডুবে মারা গেছে।
দিরাই থানার ওসি এনামুল হক চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা খবর পেয়ে পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি। তারা অভিযোগ দিলে আমরা আইনি ব্যবস্থা নেবো।
দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জীব সরকার বলেন, আমরা শুনেছি, এখানকার কয়েকজনের কথা। ফেসবুকেও দেখেছি। আমি ওই সব এলাকার ইউপি চেয়ারম্যানদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বিষয়টি নিশ্চিত হতে তাদের (নিহতদের) বাড়িতে যাচ্ছেন।
জগন্নাথপুর উপজেলার মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- পাইলগাঁও গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে আমিনুর রহমান, টিয়ারগাঁও গ্রামের আখলুছ মিয়ার ছেলে শায়ক মিয়া , ইছগাঁও গ্রামের মো. আলী, চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের কবিরপুর গ্রামের মো. নাঈম আহমদ ও মনির হোসেন।
কবিরপুর গ্রামের নাঈম আহমদের ভাই ঝিনুক মিয়া বলছেন, আমরা ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না কয়েকদিন ধরে। আজ শুনেছি, তিনি সাগরে মারা গেছে। আমরা দালালের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি।
জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বকুল গণমাধ্যমকে বলেন, আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, আমার ইউনিয়নের নাঈম আহমদ ও মনির মিয়া নামের দুই যুবক সাগরে মারা গেছেন। তারা গ্রিসে যেতে দালালকে অনেক টাকা দিয়েছিল। এখন পরিবারগুলো নিঃস্ব হয়ে গেছে।

ভূমধ্যসাগরে ডুবে সুনামগঞ্জের ১০ যুবক মারা গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে সবার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে এমন খবর অনেকে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ের পরিদর্শক (ডিআইও-১) মো. আজিজুর রহমান শনিবার রাতে গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, দিরাই ও জগন্নাথপুরের ৮ জন মারা গেছেন। তবে লোকজন আরও ২ জন মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন। আমরা খোঁজ-খবর নিচ্ছি।
উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দিরাই উপজেলার ৪ জন, জগন্নাথপুরের ৫ জনের মৃত্যুর খবর পরিবারের কাছে এসেছে। এ ছাড়া দোয়ারাবাজার উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের ফাহিম নামের আরেক যুবকও মারা গেছেন বলে খবর ছড়িয়েছে।
দিরাই উপজেলার মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- কুলঞ্জ ইউনিয়নের তারাপাশা গ্রামের নূ্রুজ্জামান সরদার ময়না, সাজিদ, শাহান এবং রাজানগর ইউনিয়নরে ররনারচরের মুজিবুর রহমান।
নূ্রুজ্জামান সরদার ময়না মামা উমেদ আলী শনিবার রাতে গণমাধ্যমকে বলেন, তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে ময়না ছিল সবার আদরের। তার বাবা ১২ লাখ টাকা চুক্তিতে ছেলেকে ইতালি পাঠিয়েছিলেন। এখন টাকাও গেল; ছেলেও চিরদিনের জন্য হারিয়ে গেল। আমরা দালাল চক্রের বিচার চাই।
কুলঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শাহনুর মিয়া বলেন, ইউরোপে যাওয়ার স্বপ্নে জমিজমা, হালের গরু, মায়ের গয়না বিক্রি করে তরুণরা দালালের ফাঁদে পড়েছিল। লিবিয়ায় তারা সাগরে ডুবে মারা গেছে।
দিরাই থানার ওসি এনামুল হক চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা খবর পেয়ে পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি। তারা অভিযোগ দিলে আমরা আইনি ব্যবস্থা নেবো।
দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জীব সরকার বলেন, আমরা শুনেছি, এখানকার কয়েকজনের কথা। ফেসবুকেও দেখেছি। আমি ওই সব এলাকার ইউপি চেয়ারম্যানদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বিষয়টি নিশ্চিত হতে তাদের (নিহতদের) বাড়িতে যাচ্ছেন।
জগন্নাথপুর উপজেলার মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- পাইলগাঁও গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে আমিনুর রহমান, টিয়ারগাঁও গ্রামের আখলুছ মিয়ার ছেলে শায়ক মিয়া , ইছগাঁও গ্রামের মো. আলী, চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের কবিরপুর গ্রামের মো. নাঈম আহমদ ও মনির হোসেন।
কবিরপুর গ্রামের নাঈম আহমদের ভাই ঝিনুক মিয়া বলছেন, আমরা ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না কয়েকদিন ধরে। আজ শুনেছি, তিনি সাগরে মারা গেছে। আমরা দালালের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি।
জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বকুল গণমাধ্যমকে বলেন, আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, আমার ইউনিয়নের নাঈম আহমদ ও মনির মিয়া নামের দুই যুবক সাগরে মারা গেছেন। তারা গ্রিসে যেতে দালালকে অনেক টাকা দিয়েছিল। এখন পরিবারগুলো নিঃস্ব হয়ে গেছে।

ইউরোপ যাত্রা: ভূমধ্যসাগরে সুনামগঞ্জের ১০ যুবকের মৃত্যু
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা

ভূমধ্যসাগরে ডুবে সুনামগঞ্জের ১০ যুবক মারা গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে সবার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে এমন খবর অনেকে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ের পরিদর্শক (ডিআইও-১) মো. আজিজুর রহমান শনিবার রাতে গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, দিরাই ও জগন্নাথপুরের ৮ জন মারা গেছেন। তবে লোকজন আরও ২ জন মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন। আমরা খোঁজ-খবর নিচ্ছি।
উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দিরাই উপজেলার ৪ জন, জগন্নাথপুরের ৫ জনের মৃত্যুর খবর পরিবারের কাছে এসেছে। এ ছাড়া দোয়ারাবাজার উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের ফাহিম নামের আরেক যুবকও মারা গেছেন বলে খবর ছড়িয়েছে।
দিরাই উপজেলার মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- কুলঞ্জ ইউনিয়নের তারাপাশা গ্রামের নূ্রুজ্জামান সরদার ময়না, সাজিদ, শাহান এবং রাজানগর ইউনিয়নরে ররনারচরের মুজিবুর রহমান।
নূ্রুজ্জামান সরদার ময়না মামা উমেদ আলী শনিবার রাতে গণমাধ্যমকে বলেন, তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে ময়না ছিল সবার আদরের। তার বাবা ১২ লাখ টাকা চুক্তিতে ছেলেকে ইতালি পাঠিয়েছিলেন। এখন টাকাও গেল; ছেলেও চিরদিনের জন্য হারিয়ে গেল। আমরা দালাল চক্রের বিচার চাই।
কুলঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শাহনুর মিয়া বলেন, ইউরোপে যাওয়ার স্বপ্নে জমিজমা, হালের গরু, মায়ের গয়না বিক্রি করে তরুণরা দালালের ফাঁদে পড়েছিল। লিবিয়ায় তারা সাগরে ডুবে মারা গেছে।
দিরাই থানার ওসি এনামুল হক চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা খবর পেয়ে পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি। তারা অভিযোগ দিলে আমরা আইনি ব্যবস্থা নেবো।
দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জীব সরকার বলেন, আমরা শুনেছি, এখানকার কয়েকজনের কথা। ফেসবুকেও দেখেছি। আমি ওই সব এলাকার ইউপি চেয়ারম্যানদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বিষয়টি নিশ্চিত হতে তাদের (নিহতদের) বাড়িতে যাচ্ছেন।
জগন্নাথপুর উপজেলার মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- পাইলগাঁও গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে আমিনুর রহমান, টিয়ারগাঁও গ্রামের আখলুছ মিয়ার ছেলে শায়ক মিয়া , ইছগাঁও গ্রামের মো. আলী, চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের কবিরপুর গ্রামের মো. নাঈম আহমদ ও মনির হোসেন।
কবিরপুর গ্রামের নাঈম আহমদের ভাই ঝিনুক মিয়া বলছেন, আমরা ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না কয়েকদিন ধরে। আজ শুনেছি, তিনি সাগরে মারা গেছে। আমরা দালালের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি।
জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বকুল গণমাধ্যমকে বলেন, আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, আমার ইউনিয়নের নাঈম আহমদ ও মনির মিয়া নামের দুই যুবক সাগরে মারা গেছেন। তারা গ্রিসে যেতে দালালকে অনেক টাকা দিয়েছিল। এখন পরিবারগুলো নিঃস্ব হয়ে গেছে।




