রেফারিকে মেসির কড়া বার্তা, ‘আমাকে সম্মান করুন’

রেফারিকে মেসির কড়া বার্তা, ‘আমাকে সম্মান করুন’
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ৩-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। তবে এ জয়ের ম্যাচে মাঠের ফুটবল ছাপিয়ে সব আলো কেড়ে নিয়েছে অধিনায়ক লিওনেল মেসির এক বিরল ও অস্বাভাবিক রাগান্বিত রূপ। পর্তুগিজ রেফারি জোয়াও পিনহেইরোর সঙ্গে মাঠেই এক উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়াতে দেখা যায় ৩৯ বছর বয়সী এই ফুটবল কিংবদন্তিকে।
সাধারণত মাঠে শান্ত থেকে পায়ের জাদুতে কথা বলতেই ভালোবাসেন মেসি। কিন্তু সুইসদের একটি ফ্রি-কিক প্রতিহত করার জন্য মানবপ্রাচীর তৈরির সময় পিনহেইরো মেসিকে তার অবস্থান পরিবর্তন করতে বললে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। রেফারির যোগাযোগের ধরণ বা ভঙ্গি পছন্দ না হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। স্প্যানিশ ওয়েবসাইট ‘ওলে’-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেসি রেফারিকে কড়া ভাষায় তার মর্যাদা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, ঠিকভাবে কথা বলুন, আমাকে অসম্মান করবেন না। আমার সঙ্গে ঠিকভাবে কথা বলুন, আমিও আপনার সঙ্গে ঠিকভাবে কথা বলেছি।
তবে এ অনাকাঙ্ক্ষিত উত্তেজনার রেশ মাঠের খেলায় দীর্ঘস্থায়ী হতে দেননি মেসি। ক্ষোভ ভুলে দ্রুতই দলের আক্রমণের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ফিরে আসেন তিনি। পুরো ১২০ মিনিটের ম্যারাথন লড়াইয়ে নিজে কোনো গোল না পেলেও, আলবিসেলেস্তেদের আক্রমণে তিনি ছিলেন অপরিহার্য সৃজনশীল শক্তি। সতীর্থদের দিয়ে একটি গোল করানোর পাশাপাশি মোট ৬৫টি প্রচেষ্টায় ৮৬ শতাংশ নির্ভুল পাস দিয়েছেন তিনি। চলতি টুর্নামেন্টে এটিই মেসির গোলহীন প্রথম ম্যাচ হলেও ওপ্টার মূল্যায়নে তার ম্যাচ রেটিং ছিল ৭.৭৯। বল পজিশন পুনরুদ্ধার ও ড্রিবলিংয়ে সুইস ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে দলকে কাঙ্ক্ষিত জয় এনে দিতে মেসিই ছিলেন মূল চালিকাশক্তি। তার ওপর ভর করে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করলো আর্জেন্টিনা।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ৩-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। তবে এ জয়ের ম্যাচে মাঠের ফুটবল ছাপিয়ে সব আলো কেড়ে নিয়েছে অধিনায়ক লিওনেল মেসির এক বিরল ও অস্বাভাবিক রাগান্বিত রূপ। পর্তুগিজ রেফারি জোয়াও পিনহেইরোর সঙ্গে মাঠেই এক উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়াতে দেখা যায় ৩৯ বছর বয়সী এই ফুটবল কিংবদন্তিকে।
সাধারণত মাঠে শান্ত থেকে পায়ের জাদুতে কথা বলতেই ভালোবাসেন মেসি। কিন্তু সুইসদের একটি ফ্রি-কিক প্রতিহত করার জন্য মানবপ্রাচীর তৈরির সময় পিনহেইরো মেসিকে তার অবস্থান পরিবর্তন করতে বললে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। রেফারির যোগাযোগের ধরণ বা ভঙ্গি পছন্দ না হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। স্প্যানিশ ওয়েবসাইট ‘ওলে’-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেসি রেফারিকে কড়া ভাষায় তার মর্যাদা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, ঠিকভাবে কথা বলুন, আমাকে অসম্মান করবেন না। আমার সঙ্গে ঠিকভাবে কথা বলুন, আমিও আপনার সঙ্গে ঠিকভাবে কথা বলেছি।
তবে এ অনাকাঙ্ক্ষিত উত্তেজনার রেশ মাঠের খেলায় দীর্ঘস্থায়ী হতে দেননি মেসি। ক্ষোভ ভুলে দ্রুতই দলের আক্রমণের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ফিরে আসেন তিনি। পুরো ১২০ মিনিটের ম্যারাথন লড়াইয়ে নিজে কোনো গোল না পেলেও, আলবিসেলেস্তেদের আক্রমণে তিনি ছিলেন অপরিহার্য সৃজনশীল শক্তি। সতীর্থদের দিয়ে একটি গোল করানোর পাশাপাশি মোট ৬৫টি প্রচেষ্টায় ৮৬ শতাংশ নির্ভুল পাস দিয়েছেন তিনি। চলতি টুর্নামেন্টে এটিই মেসির গোলহীন প্রথম ম্যাচ হলেও ওপ্টার মূল্যায়নে তার ম্যাচ রেটিং ছিল ৭.৭৯। বল পজিশন পুনরুদ্ধার ও ড্রিবলিংয়ে সুইস ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে দলকে কাঙ্ক্ষিত জয় এনে দিতে মেসিই ছিলেন মূল চালিকাশক্তি। তার ওপর ভর করে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করলো আর্জেন্টিনা।

রেফারিকে মেসির কড়া বার্তা, ‘আমাকে সম্মান করুন’
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ৩-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। তবে এ জয়ের ম্যাচে মাঠের ফুটবল ছাপিয়ে সব আলো কেড়ে নিয়েছে অধিনায়ক লিওনেল মেসির এক বিরল ও অস্বাভাবিক রাগান্বিত রূপ। পর্তুগিজ রেফারি জোয়াও পিনহেইরোর সঙ্গে মাঠেই এক উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়াতে দেখা যায় ৩৯ বছর বয়সী এই ফুটবল কিংবদন্তিকে।
সাধারণত মাঠে শান্ত থেকে পায়ের জাদুতে কথা বলতেই ভালোবাসেন মেসি। কিন্তু সুইসদের একটি ফ্রি-কিক প্রতিহত করার জন্য মানবপ্রাচীর তৈরির সময় পিনহেইরো মেসিকে তার অবস্থান পরিবর্তন করতে বললে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। রেফারির যোগাযোগের ধরণ বা ভঙ্গি পছন্দ না হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। স্প্যানিশ ওয়েবসাইট ‘ওলে’-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেসি রেফারিকে কড়া ভাষায় তার মর্যাদা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, ঠিকভাবে কথা বলুন, আমাকে অসম্মান করবেন না। আমার সঙ্গে ঠিকভাবে কথা বলুন, আমিও আপনার সঙ্গে ঠিকভাবে কথা বলেছি।
তবে এ অনাকাঙ্ক্ষিত উত্তেজনার রেশ মাঠের খেলায় দীর্ঘস্থায়ী হতে দেননি মেসি। ক্ষোভ ভুলে দ্রুতই দলের আক্রমণের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ফিরে আসেন তিনি। পুরো ১২০ মিনিটের ম্যারাথন লড়াইয়ে নিজে কোনো গোল না পেলেও, আলবিসেলেস্তেদের আক্রমণে তিনি ছিলেন অপরিহার্য সৃজনশীল শক্তি। সতীর্থদের দিয়ে একটি গোল করানোর পাশাপাশি মোট ৬৫টি প্রচেষ্টায় ৮৬ শতাংশ নির্ভুল পাস দিয়েছেন তিনি। চলতি টুর্নামেন্টে এটিই মেসির গোলহীন প্রথম ম্যাচ হলেও ওপ্টার মূল্যায়নে তার ম্যাচ রেটিং ছিল ৭.৭৯। বল পজিশন পুনরুদ্ধার ও ড্রিবলিংয়ে সুইস ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে দলকে কাঙ্ক্ষিত জয় এনে দিতে মেসিই ছিলেন মূল চালিকাশক্তি। তার ওপর ভর করে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করলো আর্জেন্টিনা।

২৪ বছর আগের রেকর্ডে ভাগ বসালেন এমবোলো


