বৃক্ষমেলায় ‘সুন্দরবন’, নজর কাড়ছে দর্শনার্থীর

বৃক্ষমেলায় ‘সুন্দরবন’, নজর কাড়ছে দর্শনার্থীর
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা

বনের মাঝ বরাবর পিচের রাস্তা। চলছে গাড়ি। রাস্তার দুই পাশে গাছের সারি। সড়কের এক পাশ দিয়ে বয়ে গেছে কপোতক্ষ নদ। সেখানে তৈরি করা হয়েছে ম্যানগ্রোভ চর বনায়ন। করা হয়েছে রাস্তার পাশ দিয়ে বাঁধ বনায়নও। সবুজ শ্যামলে ভরা বনায়নের মাঝ দিয়ে গাড়িতে চলতে চলতে দেখা মিলবে বাঘ ও হরিণের। এটি যেন অবিকল সুন্দরবন। যা নজর কাড়ছে দর্শনার্থীর। কেউ কেউ বলছেন, এই আবহ আমাদের মনে প্রশান্তি দিচ্ছে।
রবিবার (২ আগষ্ট) সাতক্ষীরায় ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলায় এমন ব্যতিক্রমী প্রদর্শনী করেছেন জেলা প্রশাসন ও সামাজিক বন বিভাগ। এদিন সকাল সাড়ে ৯টায় শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে ও ফেস্টুন উড়িয়ে মেলার উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিস কাউসার আজিজ।
এবারের বৃক্ষমেলায় জেলার বিভিন্ন নার্সারি ও ব্যক্তি উদ্যোগে মোট ৩৫টি স্টল স্থাপন করা হয়েছে। এসব স্টলে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা প্রদর্শন ও বিক্রি করা হচ্ছে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মিস কাউসার আজিজ বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বেশি করে গাছ লাগাতে হবে। শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, লাগানো গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণেও সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
বৃক্ষমেলায় ঘুরে ঘুরে দেখছেন সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী পাপিয়া।
এ সময় তিনি বলেন, ‘প্রতি বছর বৃক্ষমেলায় আসার চেষ্টা করি। এখানে একসঙ্গে অনেক ধরনের দেশি-বিদেশি গাছ পাওয়া যায়। তাই নতুন সংগ্রহ করার ভালো সুযোগ থাকে। এবার ১০ হাজার টাকার গাছ কিনবো। বিশেষ করে অর্কিড ও অ্যারোপ্ল্যান্টের চারা সংগ্রহ করবো।
মেলায় আসছেন সব বয়সী নারী-পুরুষ। তবে তুলনামূলকভাবে শিক্ষার্থীদের পদচারণা বেশি। বিকাল গড়াতেই অভিভাবকরা তাদের সন্তান নিয়ে আসছেন, গাছের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে। অফিস শেষে গাছপ্রেমীরা ঘুরে যাচ্ছেন মেলা থেকে, কিনছেন তাদের পছন্দের গাছ।

গাছ কিনতে এসেছেন মাসুদ দম্পতি। তারা বলেন, কিছু গাছের দাম অনেক বেশি চাওয়া হচ্ছে। তবে প্রচলিত প্রজাতির গাছের চারার মূল্য স্বাভাবিক আছে। তারা কারিপাতা, জুঁই ফুলের চারাসহ ৭টি গাছের চারা কিনেছেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদী, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. সাইফুল ইসলাম, সামাজিক বন বিভাগ যশোরের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা অমিতা মণ্ডল, জেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুহা. আবুল খায়ের, সামাজিক বনাঞ্চল জোন সাতক্ষীরার সহকারী বন সংরক্ষক প্রিয়াঙ্কা হালদার, সামাজিক বনাঞ্চল জোন সাতক্ষীরার কর্মকর্তা জি এম মারুফ বিল্লাহ এবং সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবুল হোসেন প্রমুখ।
এর আগে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে এবং ফিতা কেটে ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষ মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন শেষে অতিথিরা মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বন বিভাগের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা।

বনের মাঝ বরাবর পিচের রাস্তা। চলছে গাড়ি। রাস্তার দুই পাশে গাছের সারি। সড়কের এক পাশ দিয়ে বয়ে গেছে কপোতক্ষ নদ। সেখানে তৈরি করা হয়েছে ম্যানগ্রোভ চর বনায়ন। করা হয়েছে রাস্তার পাশ দিয়ে বাঁধ বনায়নও। সবুজ শ্যামলে ভরা বনায়নের মাঝ দিয়ে গাড়িতে চলতে চলতে দেখা মিলবে বাঘ ও হরিণের। এটি যেন অবিকল সুন্দরবন। যা নজর কাড়ছে দর্শনার্থীর। কেউ কেউ বলছেন, এই আবহ আমাদের মনে প্রশান্তি দিচ্ছে।
রবিবার (২ আগষ্ট) সাতক্ষীরায় ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলায় এমন ব্যতিক্রমী প্রদর্শনী করেছেন জেলা প্রশাসন ও সামাজিক বন বিভাগ। এদিন সকাল সাড়ে ৯টায় শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে ও ফেস্টুন উড়িয়ে মেলার উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিস কাউসার আজিজ।
এবারের বৃক্ষমেলায় জেলার বিভিন্ন নার্সারি ও ব্যক্তি উদ্যোগে মোট ৩৫টি স্টল স্থাপন করা হয়েছে। এসব স্টলে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা প্রদর্শন ও বিক্রি করা হচ্ছে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মিস কাউসার আজিজ বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বেশি করে গাছ লাগাতে হবে। শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, লাগানো গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণেও সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
বৃক্ষমেলায় ঘুরে ঘুরে দেখছেন সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী পাপিয়া।
এ সময় তিনি বলেন, ‘প্রতি বছর বৃক্ষমেলায় আসার চেষ্টা করি। এখানে একসঙ্গে অনেক ধরনের দেশি-বিদেশি গাছ পাওয়া যায়। তাই নতুন সংগ্রহ করার ভালো সুযোগ থাকে। এবার ১০ হাজার টাকার গাছ কিনবো। বিশেষ করে অর্কিড ও অ্যারোপ্ল্যান্টের চারা সংগ্রহ করবো।
মেলায় আসছেন সব বয়সী নারী-পুরুষ। তবে তুলনামূলকভাবে শিক্ষার্থীদের পদচারণা বেশি। বিকাল গড়াতেই অভিভাবকরা তাদের সন্তান নিয়ে আসছেন, গাছের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে। অফিস শেষে গাছপ্রেমীরা ঘুরে যাচ্ছেন মেলা থেকে, কিনছেন তাদের পছন্দের গাছ।

গাছ কিনতে এসেছেন মাসুদ দম্পতি। তারা বলেন, কিছু গাছের দাম অনেক বেশি চাওয়া হচ্ছে। তবে প্রচলিত প্রজাতির গাছের চারার মূল্য স্বাভাবিক আছে। তারা কারিপাতা, জুঁই ফুলের চারাসহ ৭টি গাছের চারা কিনেছেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদী, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. সাইফুল ইসলাম, সামাজিক বন বিভাগ যশোরের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা অমিতা মণ্ডল, জেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুহা. আবুল খায়ের, সামাজিক বনাঞ্চল জোন সাতক্ষীরার সহকারী বন সংরক্ষক প্রিয়াঙ্কা হালদার, সামাজিক বনাঞ্চল জোন সাতক্ষীরার কর্মকর্তা জি এম মারুফ বিল্লাহ এবং সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবুল হোসেন প্রমুখ।
এর আগে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে এবং ফিতা কেটে ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষ মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন শেষে অতিথিরা মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বন বিভাগের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা।

বৃক্ষমেলায় ‘সুন্দরবন’, নজর কাড়ছে দর্শনার্থীর
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা

বনের মাঝ বরাবর পিচের রাস্তা। চলছে গাড়ি। রাস্তার দুই পাশে গাছের সারি। সড়কের এক পাশ দিয়ে বয়ে গেছে কপোতক্ষ নদ। সেখানে তৈরি করা হয়েছে ম্যানগ্রোভ চর বনায়ন। করা হয়েছে রাস্তার পাশ দিয়ে বাঁধ বনায়নও। সবুজ শ্যামলে ভরা বনায়নের মাঝ দিয়ে গাড়িতে চলতে চলতে দেখা মিলবে বাঘ ও হরিণের। এটি যেন অবিকল সুন্দরবন। যা নজর কাড়ছে দর্শনার্থীর। কেউ কেউ বলছেন, এই আবহ আমাদের মনে প্রশান্তি দিচ্ছে।
রবিবার (২ আগষ্ট) সাতক্ষীরায় ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলায় এমন ব্যতিক্রমী প্রদর্শনী করেছেন জেলা প্রশাসন ও সামাজিক বন বিভাগ। এদিন সকাল সাড়ে ৯টায় শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে ও ফেস্টুন উড়িয়ে মেলার উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিস কাউসার আজিজ।
এবারের বৃক্ষমেলায় জেলার বিভিন্ন নার্সারি ও ব্যক্তি উদ্যোগে মোট ৩৫টি স্টল স্থাপন করা হয়েছে। এসব স্টলে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা প্রদর্শন ও বিক্রি করা হচ্ছে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মিস কাউসার আজিজ বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বেশি করে গাছ লাগাতে হবে। শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, লাগানো গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণেও সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
বৃক্ষমেলায় ঘুরে ঘুরে দেখছেন সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী পাপিয়া।
এ সময় তিনি বলেন, ‘প্রতি বছর বৃক্ষমেলায় আসার চেষ্টা করি। এখানে একসঙ্গে অনেক ধরনের দেশি-বিদেশি গাছ পাওয়া যায়। তাই নতুন সংগ্রহ করার ভালো সুযোগ থাকে। এবার ১০ হাজার টাকার গাছ কিনবো। বিশেষ করে অর্কিড ও অ্যারোপ্ল্যান্টের চারা সংগ্রহ করবো।
মেলায় আসছেন সব বয়সী নারী-পুরুষ। তবে তুলনামূলকভাবে শিক্ষার্থীদের পদচারণা বেশি। বিকাল গড়াতেই অভিভাবকরা তাদের সন্তান নিয়ে আসছেন, গাছের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে। অফিস শেষে গাছপ্রেমীরা ঘুরে যাচ্ছেন মেলা থেকে, কিনছেন তাদের পছন্দের গাছ।

গাছ কিনতে এসেছেন মাসুদ দম্পতি। তারা বলেন, কিছু গাছের দাম অনেক বেশি চাওয়া হচ্ছে। তবে প্রচলিত প্রজাতির গাছের চারার মূল্য স্বাভাবিক আছে। তারা কারিপাতা, জুঁই ফুলের চারাসহ ৭টি গাছের চারা কিনেছেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদী, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. সাইফুল ইসলাম, সামাজিক বন বিভাগ যশোরের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা অমিতা মণ্ডল, জেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুহা. আবুল খায়ের, সামাজিক বনাঞ্চল জোন সাতক্ষীরার সহকারী বন সংরক্ষক প্রিয়াঙ্কা হালদার, সামাজিক বনাঞ্চল জোন সাতক্ষীরার কর্মকর্তা জি এম মারুফ বিল্লাহ এবং সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবুল হোসেন প্রমুখ।
এর আগে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে এবং ফিতা কেটে ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষ মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন শেষে অতিথিরা মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বন বিভাগের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা।









