ঘটনার রাতে বন্ধু সীমান্তের বাসায় ইয়াবা সেবন করে মুগ্ধ-সিদ্ধার্থ

ঘটনার রাতে বন্ধু সীমান্তের বাসায় ইয়াবা সেবন করে মুগ্ধ-সিদ্ধার্থ
রংপুর সংবাদদাতা

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামির বন্ধু সীমান্ত দাস আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় রংপুর মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় সাক্ষী হিসেবে তিনি এই জবানবন্দি দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) পরিদর্শক জিন্নাত আলী জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রংপুর মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় সীমান্তের জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলী বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের বন্ধু সীমান্ত। মামলার তদন্তভার পাওয়ার পর তার বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করা হয়। তবে সোমবার সীমান্তের মা অসুস্থ থাকায় তিনি আদালতে আসতে পারেননি। মঙ্গলবার বাবার সঙ্গে আদালতে এসে জবানবন্দি দেন।’
এ পুলিশ কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, ‘বৃহস্পতিবার রাতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। ওই রাতে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ সীমান্তের বাড়িতে গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে আদালতে জানিয়েছেন সীমান্ত।’
জিন্নাত আলী বলেন, ‘সীমান্তের দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে আসামিদের দেওয়া জবানবন্দির বেশ কিছু তথ্যের মিল পাওয়া গেছে।’
এর আগে আসামিদের গ্রেপ্তারের পর সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদও জানিয়েছিলেন, হত্যাকাণ্ডের রাতে ওই দুই আসামি সীমান্তের বাসায় গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছিলেন।
এদিকে গ্রেপ্তার দুই আসামির ডোপ টেস্টের জন্য আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলী। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে বুধবার তাদের ডোপ টেস্টের জন্য পাঠানো হবে।
তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ‘এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে মানুষের মনে থাকা বিভিন্ন প্রশ্নের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে উত্তর খোঁজা হবে এবং মামলায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
এর আগে শনিবার রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার একটি বাসা থেকে জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী এবং স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে অজ্ঞাত পরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে রংপুর কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন।
রবিবার ভোরে মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা দুজনই নিহত পরিবারের বাড়ির আশপাশের এলাকার বাসিন্দা এবং পরস্পরের আত্মীয়।

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামির বন্ধু সীমান্ত দাস আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় রংপুর মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় সাক্ষী হিসেবে তিনি এই জবানবন্দি দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) পরিদর্শক জিন্নাত আলী জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রংপুর মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় সীমান্তের জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলী বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের বন্ধু সীমান্ত। মামলার তদন্তভার পাওয়ার পর তার বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করা হয়। তবে সোমবার সীমান্তের মা অসুস্থ থাকায় তিনি আদালতে আসতে পারেননি। মঙ্গলবার বাবার সঙ্গে আদালতে এসে জবানবন্দি দেন।’
এ পুলিশ কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, ‘বৃহস্পতিবার রাতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। ওই রাতে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ সীমান্তের বাড়িতে গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে আদালতে জানিয়েছেন সীমান্ত।’
জিন্নাত আলী বলেন, ‘সীমান্তের দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে আসামিদের দেওয়া জবানবন্দির বেশ কিছু তথ্যের মিল পাওয়া গেছে।’
এর আগে আসামিদের গ্রেপ্তারের পর সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদও জানিয়েছিলেন, হত্যাকাণ্ডের রাতে ওই দুই আসামি সীমান্তের বাসায় গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছিলেন।
এদিকে গ্রেপ্তার দুই আসামির ডোপ টেস্টের জন্য আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলী। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে বুধবার তাদের ডোপ টেস্টের জন্য পাঠানো হবে।
তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ‘এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে মানুষের মনে থাকা বিভিন্ন প্রশ্নের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে উত্তর খোঁজা হবে এবং মামলায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
এর আগে শনিবার রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার একটি বাসা থেকে জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী এবং স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে অজ্ঞাত পরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে রংপুর কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন।
রবিবার ভোরে মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা দুজনই নিহত পরিবারের বাড়ির আশপাশের এলাকার বাসিন্দা এবং পরস্পরের আত্মীয়।

ঘটনার রাতে বন্ধু সীমান্তের বাসায় ইয়াবা সেবন করে মুগ্ধ-সিদ্ধার্থ
রংপুর সংবাদদাতা

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামির বন্ধু সীমান্ত দাস আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় রংপুর মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় সাক্ষী হিসেবে তিনি এই জবানবন্দি দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) পরিদর্শক জিন্নাত আলী জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রংপুর মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় সীমান্তের জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলী বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের বন্ধু সীমান্ত। মামলার তদন্তভার পাওয়ার পর তার বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করা হয়। তবে সোমবার সীমান্তের মা অসুস্থ থাকায় তিনি আদালতে আসতে পারেননি। মঙ্গলবার বাবার সঙ্গে আদালতে এসে জবানবন্দি দেন।’
এ পুলিশ কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, ‘বৃহস্পতিবার রাতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। ওই রাতে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ সীমান্তের বাড়িতে গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে আদালতে জানিয়েছেন সীমান্ত।’
জিন্নাত আলী বলেন, ‘সীমান্তের দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে আসামিদের দেওয়া জবানবন্দির বেশ কিছু তথ্যের মিল পাওয়া গেছে।’
এর আগে আসামিদের গ্রেপ্তারের পর সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদও জানিয়েছিলেন, হত্যাকাণ্ডের রাতে ওই দুই আসামি সীমান্তের বাসায় গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছিলেন।
এদিকে গ্রেপ্তার দুই আসামির ডোপ টেস্টের জন্য আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলী। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে বুধবার তাদের ডোপ টেস্টের জন্য পাঠানো হবে।
তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ‘এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে মানুষের মনে থাকা বিভিন্ন প্রশ্নের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে উত্তর খোঁজা হবে এবং মামলায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
এর আগে শনিবার রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার একটি বাসা থেকে জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী এবং স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে অজ্ঞাত পরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে রংপুর কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন।
রবিবার ভোরে মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা দুজনই নিহত পরিবারের বাড়ির আশপাশের এলাকার বাসিন্দা এবং পরস্পরের আত্মীয়।








