‘সব পানির নিচে, এক ছটাক ধানও ঘরে তুলতে পারিনি’

‘সব পানির নিচে, এক ছটাক ধানও ঘরে তুলতে পারিনি’
নেত্রকোনা সংবাদদাতা

দুইদিন আগেও হাওরজুড়ে ছিল পাকা বোরো ধান। সেই সব ধান হঠাৎ ভারী বর্ষণে পানিতে তলিয়ে গেছে। কৃষকরা অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন তলিয়ে যাওয়া ধানের দিকে। কেউ কেউ কাঁদছেন অঝোরে। এ দৃশ্য বলে দেয়, কৃষকরা সব হারিয়ে এখন নিঃস্ব।
নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার জফরপুর, বেজগাতী ও কুন্ডুলী গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে রয়েছেন মতিউর রহমান, সঞ্জু মিয়া, নজরুল মিয়া, আনোয়ারা আক্তার, আব্দুল মোতালেব ও ইসলাম উদ্দিন। তাদের মতো অনেক কৃষক উগারিয়া হাওরে বোরো ধান আবাদ করেছিলেন।
কুন্ডুলী গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, আমি দিনমজুরি করে চালাই সংসার। উগারিয়া হাওরে ৩০ শতাংশ জমিতে বোরো ধান আবাদ করেছিলাম। এখন তা পানির নিচে। ধান কেটে ঘরে তোলার কোনো সুযোগ নাই। এ দুঃখের কথা কাকে বলব!

বেজগাতী গ্রামের কৃষক সঞ্জু মিয়া বলেন, ঋণ করে ১০ কাঠা (এক একর) জমিতে ধান চাষ করে এক ছটাক ধানও তুলতে পারিনি, সব পানির নিচে। এখন ঋণ কীভাবে পরিশোধ করব আর সংসারই কীভাবে চালাবো বুঝে উঠতে পারছি না।
আনোয়ারা আক্তার বলেন, আমি অনেক টাকা খরচ করে ১৪ কাঠা জমিতে বোরো ধান করেছিলাম। আমার সব ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। আমাদের খবর কেউ নেয় না।

জেলা কৃষি বিভাগ জানায়, জেলার প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। তবে কৃষকরা জানায়, আরও বেশি পরিমাণ জমির ধান পানিতে ভেসে গেছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে নেত্রকোনা জেলার উপপরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, জেলার ১০টি উপজেলায় এ বছর ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৪৭ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে হাওরাঞ্চলে বোরো ধান আবাদ হয়েছে ৪১ হাজার ৬৫ হেক্টর জমিতে।

দুইদিন আগেও হাওরজুড়ে ছিল পাকা বোরো ধান। সেই সব ধান হঠাৎ ভারী বর্ষণে পানিতে তলিয়ে গেছে। কৃষকরা অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন তলিয়ে যাওয়া ধানের দিকে। কেউ কেউ কাঁদছেন অঝোরে। এ দৃশ্য বলে দেয়, কৃষকরা সব হারিয়ে এখন নিঃস্ব।
নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার জফরপুর, বেজগাতী ও কুন্ডুলী গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে রয়েছেন মতিউর রহমান, সঞ্জু মিয়া, নজরুল মিয়া, আনোয়ারা আক্তার, আব্দুল মোতালেব ও ইসলাম উদ্দিন। তাদের মতো অনেক কৃষক উগারিয়া হাওরে বোরো ধান আবাদ করেছিলেন।
কুন্ডুলী গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, আমি দিনমজুরি করে চালাই সংসার। উগারিয়া হাওরে ৩০ শতাংশ জমিতে বোরো ধান আবাদ করেছিলাম। এখন তা পানির নিচে। ধান কেটে ঘরে তোলার কোনো সুযোগ নাই। এ দুঃখের কথা কাকে বলব!

বেজগাতী গ্রামের কৃষক সঞ্জু মিয়া বলেন, ঋণ করে ১০ কাঠা (এক একর) জমিতে ধান চাষ করে এক ছটাক ধানও তুলতে পারিনি, সব পানির নিচে। এখন ঋণ কীভাবে পরিশোধ করব আর সংসারই কীভাবে চালাবো বুঝে উঠতে পারছি না।
আনোয়ারা আক্তার বলেন, আমি অনেক টাকা খরচ করে ১৪ কাঠা জমিতে বোরো ধান করেছিলাম। আমার সব ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। আমাদের খবর কেউ নেয় না।

জেলা কৃষি বিভাগ জানায়, জেলার প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। তবে কৃষকরা জানায়, আরও বেশি পরিমাণ জমির ধান পানিতে ভেসে গেছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে নেত্রকোনা জেলার উপপরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, জেলার ১০টি উপজেলায় এ বছর ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৪৭ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে হাওরাঞ্চলে বোরো ধান আবাদ হয়েছে ৪১ হাজার ৬৫ হেক্টর জমিতে।

‘সব পানির নিচে, এক ছটাক ধানও ঘরে তুলতে পারিনি’
নেত্রকোনা সংবাদদাতা

দুইদিন আগেও হাওরজুড়ে ছিল পাকা বোরো ধান। সেই সব ধান হঠাৎ ভারী বর্ষণে পানিতে তলিয়ে গেছে। কৃষকরা অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন তলিয়ে যাওয়া ধানের দিকে। কেউ কেউ কাঁদছেন অঝোরে। এ দৃশ্য বলে দেয়, কৃষকরা সব হারিয়ে এখন নিঃস্ব।
নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার জফরপুর, বেজগাতী ও কুন্ডুলী গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে রয়েছেন মতিউর রহমান, সঞ্জু মিয়া, নজরুল মিয়া, আনোয়ারা আক্তার, আব্দুল মোতালেব ও ইসলাম উদ্দিন। তাদের মতো অনেক কৃষক উগারিয়া হাওরে বোরো ধান আবাদ করেছিলেন।
কুন্ডুলী গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, আমি দিনমজুরি করে চালাই সংসার। উগারিয়া হাওরে ৩০ শতাংশ জমিতে বোরো ধান আবাদ করেছিলাম। এখন তা পানির নিচে। ধান কেটে ঘরে তোলার কোনো সুযোগ নাই। এ দুঃখের কথা কাকে বলব!

বেজগাতী গ্রামের কৃষক সঞ্জু মিয়া বলেন, ঋণ করে ১০ কাঠা (এক একর) জমিতে ধান চাষ করে এক ছটাক ধানও তুলতে পারিনি, সব পানির নিচে। এখন ঋণ কীভাবে পরিশোধ করব আর সংসারই কীভাবে চালাবো বুঝে উঠতে পারছি না।
আনোয়ারা আক্তার বলেন, আমি অনেক টাকা খরচ করে ১৪ কাঠা জমিতে বোরো ধান করেছিলাম। আমার সব ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। আমাদের খবর কেউ নেয় না।

জেলা কৃষি বিভাগ জানায়, জেলার প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। তবে কৃষকরা জানায়, আরও বেশি পরিমাণ জমির ধান পানিতে ভেসে গেছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে নেত্রকোনা জেলার উপপরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, জেলার ১০টি উপজেলায় এ বছর ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৪৭ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে হাওরাঞ্চলে বোরো ধান আবাদ হয়েছে ৪১ হাজার ৬৫ হেক্টর জমিতে।




