ডেপুটি স্পিকারের উপহারের ঘর পেলেন দিপালী মানখিন

ডেপুটি স্পিকারের উপহারের ঘর পেলেন দিপালী মানখিন
নেত্রকোনা সংবাদদাতা

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় চণ্ডিগড় ইউনিয়নের বনগ্রামে এক উপজাতি পরিবারের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। নিজস্ব অর্থায়নে দিপালী মানখিন নামের এক নারীকে নতুন ঘর উপহার দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকালে উৎসবমুখর পরিবেশে ফিতা কেটে নতুন ঘর উদ্বোধন করেন দিপালী মানখিন নিজেই। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকাবাসী।
স্থানীয়রা জানান, চণ্ডিগড় ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বনগ্রামের বাসিন্দা দিপালী মানখিনের পরিবারটি অত্যন্ত দরিদ্র। এক ছেলে ও তিন মেয়েকে নিয়ে তার সংসার। অভাব-অনটনের কারণে মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকুও মেরামত করার সামর্থ্য ছিল না। একটু বৃষ্টি হলেই ঘরের চালা দিয়ে পানি পড়তো, ভিজে যেতো বিছানাপত্র ও ছেলেমেয়েদের বই-খাতা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারণাকালীন গত ৬ ফেব্রুয়ারি দুর্গাপুরের বনগ্রামে সফরে যান ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তখন ওই পরিবারের করুণদশা নিজেই দেখেন। পরিবারের সদস্যদের, বিশেষ করে সন্তানদের পড়াশোনার দূরাবস্থা দেখে তিনি ব্যথিত হন এবং তাৎক্ষণিকভাবে নিজস্ব অর্থায়নে নতুন ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

নতুন ঘর পেয়ে আনন্দে আত্মহারা দিপালী মানখিন ও তার স্বামী। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে দিপালী মানখিন বলেন, ঘরের জন্য আমরা অনেক কষ্ট করেছি। বৃষ্টির পানিতে সব ভিজে যেতো। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মহোদয় আমাদের বনগ্রামে এসেছিলেন। আমাদের ভাঙা ঘর, আমার মেয়েদের পড়াশোনার কষ্ট দেখে তিনি ঘর দেওয়ার কথা বলেছিলেন। অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি আমাদের ঘরটি নির্মাণ করে দিয়েছেন। আমরা তার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ।
দিপালী মানখিনের স্কুলপড়ুয়া মেয়ে সেতু মানখিন তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আমাদের আগে ঘরের অবস্থা খুব খারাপ ছিল। আমি যখন পড়তে বসতাম, টেবিলের ওপর বৃষ্টির পানি পড়তো। বাবা-মা ও আমরা ভাই-বোনেরা অনেক কষ্ট করে থাকতাম। স্যার (কায়সার কামাল) আমাদের অভিভাবক হিসেবে পাশে দাঁড়িয়েছেন।
ডেপুটি স্পিকারের মানবিক উদ্যোগে উচ্ছ্বসিত স্থানীয় এলাকাবাসীও। সুমন নামের স্থানীয় এক যুবক বলেন, দিপালী মানখিন অত্যন্ত নিরীহ ও গরীব একজন মানুষ। এমপি মহোদয় তার ঘরের কষ্ট লাঘব করেছেন। এলাকার জনগণের পক্ষ থেকে আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় চণ্ডিগড় ইউনিয়নের বনগ্রামে এক উপজাতি পরিবারের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। নিজস্ব অর্থায়নে দিপালী মানখিন নামের এক নারীকে নতুন ঘর উপহার দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকালে উৎসবমুখর পরিবেশে ফিতা কেটে নতুন ঘর উদ্বোধন করেন দিপালী মানখিন নিজেই। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকাবাসী।
স্থানীয়রা জানান, চণ্ডিগড় ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বনগ্রামের বাসিন্দা দিপালী মানখিনের পরিবারটি অত্যন্ত দরিদ্র। এক ছেলে ও তিন মেয়েকে নিয়ে তার সংসার। অভাব-অনটনের কারণে মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকুও মেরামত করার সামর্থ্য ছিল না। একটু বৃষ্টি হলেই ঘরের চালা দিয়ে পানি পড়তো, ভিজে যেতো বিছানাপত্র ও ছেলেমেয়েদের বই-খাতা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারণাকালীন গত ৬ ফেব্রুয়ারি দুর্গাপুরের বনগ্রামে সফরে যান ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তখন ওই পরিবারের করুণদশা নিজেই দেখেন। পরিবারের সদস্যদের, বিশেষ করে সন্তানদের পড়াশোনার দূরাবস্থা দেখে তিনি ব্যথিত হন এবং তাৎক্ষণিকভাবে নিজস্ব অর্থায়নে নতুন ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

নতুন ঘর পেয়ে আনন্দে আত্মহারা দিপালী মানখিন ও তার স্বামী। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে দিপালী মানখিন বলেন, ঘরের জন্য আমরা অনেক কষ্ট করেছি। বৃষ্টির পানিতে সব ভিজে যেতো। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মহোদয় আমাদের বনগ্রামে এসেছিলেন। আমাদের ভাঙা ঘর, আমার মেয়েদের পড়াশোনার কষ্ট দেখে তিনি ঘর দেওয়ার কথা বলেছিলেন। অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি আমাদের ঘরটি নির্মাণ করে দিয়েছেন। আমরা তার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ।
দিপালী মানখিনের স্কুলপড়ুয়া মেয়ে সেতু মানখিন তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আমাদের আগে ঘরের অবস্থা খুব খারাপ ছিল। আমি যখন পড়তে বসতাম, টেবিলের ওপর বৃষ্টির পানি পড়তো। বাবা-মা ও আমরা ভাই-বোনেরা অনেক কষ্ট করে থাকতাম। স্যার (কায়সার কামাল) আমাদের অভিভাবক হিসেবে পাশে দাঁড়িয়েছেন।
ডেপুটি স্পিকারের মানবিক উদ্যোগে উচ্ছ্বসিত স্থানীয় এলাকাবাসীও। সুমন নামের স্থানীয় এক যুবক বলেন, দিপালী মানখিন অত্যন্ত নিরীহ ও গরীব একজন মানুষ। এমপি মহোদয় তার ঘরের কষ্ট লাঘব করেছেন। এলাকার জনগণের পক্ষ থেকে আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

ডেপুটি স্পিকারের উপহারের ঘর পেলেন দিপালী মানখিন
নেত্রকোনা সংবাদদাতা

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় চণ্ডিগড় ইউনিয়নের বনগ্রামে এক উপজাতি পরিবারের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। নিজস্ব অর্থায়নে দিপালী মানখিন নামের এক নারীকে নতুন ঘর উপহার দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকালে উৎসবমুখর পরিবেশে ফিতা কেটে নতুন ঘর উদ্বোধন করেন দিপালী মানখিন নিজেই। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকাবাসী।
স্থানীয়রা জানান, চণ্ডিগড় ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বনগ্রামের বাসিন্দা দিপালী মানখিনের পরিবারটি অত্যন্ত দরিদ্র। এক ছেলে ও তিন মেয়েকে নিয়ে তার সংসার। অভাব-অনটনের কারণে মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকুও মেরামত করার সামর্থ্য ছিল না। একটু বৃষ্টি হলেই ঘরের চালা দিয়ে পানি পড়তো, ভিজে যেতো বিছানাপত্র ও ছেলেমেয়েদের বই-খাতা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারণাকালীন গত ৬ ফেব্রুয়ারি দুর্গাপুরের বনগ্রামে সফরে যান ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তখন ওই পরিবারের করুণদশা নিজেই দেখেন। পরিবারের সদস্যদের, বিশেষ করে সন্তানদের পড়াশোনার দূরাবস্থা দেখে তিনি ব্যথিত হন এবং তাৎক্ষণিকভাবে নিজস্ব অর্থায়নে নতুন ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

নতুন ঘর পেয়ে আনন্দে আত্মহারা দিপালী মানখিন ও তার স্বামী। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে দিপালী মানখিন বলেন, ঘরের জন্য আমরা অনেক কষ্ট করেছি। বৃষ্টির পানিতে সব ভিজে যেতো। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মহোদয় আমাদের বনগ্রামে এসেছিলেন। আমাদের ভাঙা ঘর, আমার মেয়েদের পড়াশোনার কষ্ট দেখে তিনি ঘর দেওয়ার কথা বলেছিলেন। অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি আমাদের ঘরটি নির্মাণ করে দিয়েছেন। আমরা তার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ।
দিপালী মানখিনের স্কুলপড়ুয়া মেয়ে সেতু মানখিন তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আমাদের আগে ঘরের অবস্থা খুব খারাপ ছিল। আমি যখন পড়তে বসতাম, টেবিলের ওপর বৃষ্টির পানি পড়তো। বাবা-মা ও আমরা ভাই-বোনেরা অনেক কষ্ট করে থাকতাম। স্যার (কায়সার কামাল) আমাদের অভিভাবক হিসেবে পাশে দাঁড়িয়েছেন।
ডেপুটি স্পিকারের মানবিক উদ্যোগে উচ্ছ্বসিত স্থানীয় এলাকাবাসীও। সুমন নামের স্থানীয় এক যুবক বলেন, দিপালী মানখিন অত্যন্ত নিরীহ ও গরীব একজন মানুষ। এমপি মহোদয় তার ঘরের কষ্ট লাঘব করেছেন। এলাকার জনগণের পক্ষ থেকে আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।




