সাইপ্রাসে শিক্ষার্থীকে হত্যা, মাটিচাপা দিয়েও চাওয়া হয় মুক্তিপণ

সাইপ্রাসে শিক্ষার্থীকে হত্যা, মাটিচাপা দিয়েও চাওয়া হয় মুক্তিপণ
নরসিংদী সংবাদদাতা

ভূমধ্যসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাসের লারনাকা শহরে নিখোঁজ এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশ। ওই শিক্ষার্থীর নাম শাহরিয়ার আহমেদ ওরফে ইমন।
রবিবার (২১ জুন) লারনাকা শহরের কোফিনু এলাকার একটি স্থানে মাটিচাপা দেওয়া তার গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে ১১ জুন রাত ৯টার পর থেকে কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।
নিহত শাহরিয়ারের মা পাপিয়া বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আপনারা ছেলের লাশটা দেশে আইন্যা দেন, আমি একবারের জন্য ছুঁয়ে দেখব। আমার ছেলেরে যারা মারছে, তাদের বিচার চাই।’
জানা গেছে, ১১ জুন রাতে নিখোঁজ হওয়া পর গত রবিবার মরদেহ উদ্ধারের আগমুহূর্ত পর্যন্ত শাহরিয়ারের মুঠোফোন ব্যবহার করে তার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে বাবা নাসির মিয়ার কাছে ৩৫ হাজার ইউরো (৫০ লাখ টাকা) মুক্তিপণ চেয়ে আসছিলেন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা।
নিহত শাহরিয়ার আহমেদ নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার লোচনপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম নাসির মিয়া। তিনি গ্রিসপ্রবাসী। তিন ভাইয়ের মধ্যে শাহরিয়ার সবার বড়। তিন মাস আগে শিক্ষার্থী ভিসায় সাইপ্রাসে গিয়েছিলেন। দেশটির লারনাকার ওরোক্লিনি এলাকায় তিনি বসবাস করতেন।
শাহরিয়ার আহমেদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২১ জুন শাহীন বাবু নামের বাংলাদেশি এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে সাইপ্রাস পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই শাহরিয়ারের মাটিচাপা মরদেহ ও হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশের বরাতে জানিয়েছেন স্বজনরা। তবে গ্রেপ্তার ওই তরুণ শাহীন বাবুর বাড়ি বাংলাদেশের কোন এলাকায়, তা নিশ্চিত করেনি। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন।
শাহরিয়ারের পরিবারের সদস্যরা বলছেন, তিন মাস আগে রোজার শেষ দিকে শাহরিয়ার শিক্ষার্থী ভিসায় সাইপ্রাসে যান। দেশে অবস্থানের সময়ই অনলাইনে সেখানকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখানে যাওয়ার পর তার খরচ হিসেবে প্রতি মাসে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পাঠাতে হতো।
পরিবারের সদস্যরা আরও বলেন, ‘ ১১ জুন বিকালে কাজে গিয়ে পরদিন সকালেও বাসায় ফিরে আসেননি শাহরিয়ার। এরপরই রুমমেট রায়হান পুলিশ স্টেশনে গিয়ে রিপোর্ট করেন। পুলিশ ওই লোকেশনে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।’
রায়পুরার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘নিহত তরুণের পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। তারা যদি সহযোগিতা চায়, মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ভূমধ্যসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাসের লারনাকা শহরে নিখোঁজ এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশ। ওই শিক্ষার্থীর নাম শাহরিয়ার আহমেদ ওরফে ইমন।
রবিবার (২১ জুন) লারনাকা শহরের কোফিনু এলাকার একটি স্থানে মাটিচাপা দেওয়া তার গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে ১১ জুন রাত ৯টার পর থেকে কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।
নিহত শাহরিয়ারের মা পাপিয়া বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আপনারা ছেলের লাশটা দেশে আইন্যা দেন, আমি একবারের জন্য ছুঁয়ে দেখব। আমার ছেলেরে যারা মারছে, তাদের বিচার চাই।’
জানা গেছে, ১১ জুন রাতে নিখোঁজ হওয়া পর গত রবিবার মরদেহ উদ্ধারের আগমুহূর্ত পর্যন্ত শাহরিয়ারের মুঠোফোন ব্যবহার করে তার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে বাবা নাসির মিয়ার কাছে ৩৫ হাজার ইউরো (৫০ লাখ টাকা) মুক্তিপণ চেয়ে আসছিলেন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা।
নিহত শাহরিয়ার আহমেদ নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার লোচনপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম নাসির মিয়া। তিনি গ্রিসপ্রবাসী। তিন ভাইয়ের মধ্যে শাহরিয়ার সবার বড়। তিন মাস আগে শিক্ষার্থী ভিসায় সাইপ্রাসে গিয়েছিলেন। দেশটির লারনাকার ওরোক্লিনি এলাকায় তিনি বসবাস করতেন।
শাহরিয়ার আহমেদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২১ জুন শাহীন বাবু নামের বাংলাদেশি এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে সাইপ্রাস পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই শাহরিয়ারের মাটিচাপা মরদেহ ও হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশের বরাতে জানিয়েছেন স্বজনরা। তবে গ্রেপ্তার ওই তরুণ শাহীন বাবুর বাড়ি বাংলাদেশের কোন এলাকায়, তা নিশ্চিত করেনি। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন।
শাহরিয়ারের পরিবারের সদস্যরা বলছেন, তিন মাস আগে রোজার শেষ দিকে শাহরিয়ার শিক্ষার্থী ভিসায় সাইপ্রাসে যান। দেশে অবস্থানের সময়ই অনলাইনে সেখানকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখানে যাওয়ার পর তার খরচ হিসেবে প্রতি মাসে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পাঠাতে হতো।
পরিবারের সদস্যরা আরও বলেন, ‘ ১১ জুন বিকালে কাজে গিয়ে পরদিন সকালেও বাসায় ফিরে আসেননি শাহরিয়ার। এরপরই রুমমেট রায়হান পুলিশ স্টেশনে গিয়ে রিপোর্ট করেন। পুলিশ ওই লোকেশনে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।’
রায়পুরার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘নিহত তরুণের পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। তারা যদি সহযোগিতা চায়, মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সাইপ্রাসে শিক্ষার্থীকে হত্যা, মাটিচাপা দিয়েও চাওয়া হয় মুক্তিপণ
নরসিংদী সংবাদদাতা

ভূমধ্যসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাসের লারনাকা শহরে নিখোঁজ এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশ। ওই শিক্ষার্থীর নাম শাহরিয়ার আহমেদ ওরফে ইমন।
রবিবার (২১ জুন) লারনাকা শহরের কোফিনু এলাকার একটি স্থানে মাটিচাপা দেওয়া তার গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে ১১ জুন রাত ৯টার পর থেকে কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।
নিহত শাহরিয়ারের মা পাপিয়া বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আপনারা ছেলের লাশটা দেশে আইন্যা দেন, আমি একবারের জন্য ছুঁয়ে দেখব। আমার ছেলেরে যারা মারছে, তাদের বিচার চাই।’
জানা গেছে, ১১ জুন রাতে নিখোঁজ হওয়া পর গত রবিবার মরদেহ উদ্ধারের আগমুহূর্ত পর্যন্ত শাহরিয়ারের মুঠোফোন ব্যবহার করে তার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে বাবা নাসির মিয়ার কাছে ৩৫ হাজার ইউরো (৫০ লাখ টাকা) মুক্তিপণ চেয়ে আসছিলেন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা।
নিহত শাহরিয়ার আহমেদ নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার লোচনপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম নাসির মিয়া। তিনি গ্রিসপ্রবাসী। তিন ভাইয়ের মধ্যে শাহরিয়ার সবার বড়। তিন মাস আগে শিক্ষার্থী ভিসায় সাইপ্রাসে গিয়েছিলেন। দেশটির লারনাকার ওরোক্লিনি এলাকায় তিনি বসবাস করতেন।
শাহরিয়ার আহমেদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২১ জুন শাহীন বাবু নামের বাংলাদেশি এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে সাইপ্রাস পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই শাহরিয়ারের মাটিচাপা মরদেহ ও হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশের বরাতে জানিয়েছেন স্বজনরা। তবে গ্রেপ্তার ওই তরুণ শাহীন বাবুর বাড়ি বাংলাদেশের কোন এলাকায়, তা নিশ্চিত করেনি। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন।
শাহরিয়ারের পরিবারের সদস্যরা বলছেন, তিন মাস আগে রোজার শেষ দিকে শাহরিয়ার শিক্ষার্থী ভিসায় সাইপ্রাসে যান। দেশে অবস্থানের সময়ই অনলাইনে সেখানকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখানে যাওয়ার পর তার খরচ হিসেবে প্রতি মাসে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পাঠাতে হতো।
পরিবারের সদস্যরা আরও বলেন, ‘ ১১ জুন বিকালে কাজে গিয়ে পরদিন সকালেও বাসায় ফিরে আসেননি শাহরিয়ার। এরপরই রুমমেট রায়হান পুলিশ স্টেশনে গিয়ে রিপোর্ট করেন। পুলিশ ওই লোকেশনে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।’
রায়পুরার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘নিহত তরুণের পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। তারা যদি সহযোগিতা চায়, মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’




