শিরোনাম

ঈদযাত্রায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ভোগান্তি

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
ঈদযাত্রায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ভোগান্তি
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আড়িয়াবো এলাকায় দীর্ঘ যানজট। ছবি: সিটিজেন জার্নাল

ঈদযাত্রায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যানবাহন চলাচলে ভোগান্তি বেড়েছে। মহাসড়কের কয়েকটি স্থানে বছরের পর বছর যানজটের কারণে দুর্ভোগ পোহায় যাত্রীরা। ঈদের সময় এই দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করে সিলেট, সুনামগঞ্জ, ভৈরব, কিশোরগঞ্জ, গাজীপুরসহ ৩৪ জেলার মানুষ। প্রতিদিন শত শত দূরপাল্লার বাস, মালবাহী ট্রাক ও অন্যান্য গণপরিবহণ এই মহাসড়ক ব্যবহার করে।

সরজমিনে দেখা গেছে, মহাসড়কটি বর্তমানে ৮ লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। এ কারণে যানবাহন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারছে না। সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। অবৈধ বাসস্ট্যান্ড, যেখানে-সেখানে যাত্রী উঠানো-নামানো, বেপরোয়া চালকদের উল্টো পথে চলাচল যানজটের প্রধান কারণ। সড়ক সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় হঠাৎ কোনো যান বিকল হয়ে গেলেও যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।

মহাসড়কের প্রায় ১২ কিলোমিটার এলাকা রূপগঞ্জের অংশে পড়েছে। এখানে ৫টি স্পটে যানজটের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। রূপসী, বরপা, বরাব, ভুলতা ও বিশ্বরোড বাস স্ট্যান্ডে যানজট প্রতিনিয়ত লেগেই থাকে। মহাসড়কে যানজটের কারণে রূপসী-কাঞ্চন সড়কেও দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। সড়কেও দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

এদিকে অভিযোগ রয়েছে, ঈদকে সামনে রেখে হাইওয়ে পুলিশ চেকিংয়ের নামে চাঁদাবাজি করছে। এ কারণেও সৃষ্টি হচ্ছে যানজট।

বাসচালক আমিনুল বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রাস্তার কাজ চলার কারণে যানজট প্রতিদিনই সৃষ্টি হয়। এক ট্রিপ দিয়ে আসতে-যেতেই পুরো দিন চলে যায়।

আব্বাস ভূঁইয়া নামে এক যাত্রী বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রূপসী অংশে যানজট লেগেই থাকে। এবার ঈদেও কিশোরগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে যেতে ভোগান্তিতে পোহাতে হচ্ছে।

আব্দুল হক নামে এক যুবক বলেন, যানজট নিরসনে প্রশাসনকে তেমন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায় না। হাইওয়ে পুলিশ শুধু গাড়ি চেকিংয়ের নামে চাঁদাবাজি করে।

বাসযাত্রী সুমাইয়া আক্তার বলেন, রূপসী থেকে ভুলতা ১০ মিনিটের পথ। অথচ ২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও গন্তব্যে পৌঁছতে পারিনি। যানজটের কারণে আমরা সাধারণ মানুষ প্রায়ই ভোগান্তিতে পড়ছি।

ভুলতা হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জসিম উদ্দিন বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ৮ লেনের কাজ চলায় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। মহাসড়কের কিছু অংশ খানাখন্দে ভরা। এ কারণে যানবাহন ধীর গতিতে চলে। তবে যানজট নিরসনে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।

/এফসি/