বিএনপি করায় চাকরি হারালেন মুয়াজ্জিন

বিএনপি করায় চাকরি হারালেন মুয়াজ্জিন
নওগাঁ সংবাদদাতা

বিএনপির রাজনীতি করায় চাকরি হারিয়েছেন মসজিদের মুয়াজ্জিন। ঘটনাটি ঘটে নওগাঁর সাপাহার উপজেলায়। সোমবার ( ২৬ জানুয়ারি) মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে অব্যহতি পেয়ে বিষয়টি সামনে আনেন মুয়াজ্জিন আল আমিন চৌধুরী। তিনি ফেসবুক পোস্ট দিতেই আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
সাপাহার উপজেলা সদরের তালপুকুর মাস্টারপাড়া জামে মসজিদে আল আমিন গত চার বছর ধরে মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার অভিযোগ, জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের চাপে তিনি চাকরি হারিয়েছেন। বিষয়টি ভাইরাল হয়ে গেলে অবশ্য উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করা হয়।
আল আমিন চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, আমি দীর্ঘ সময় ধরে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছি। কিন্তু আমি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় এবং বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় মসজিদ কমিটি আমাকে বারবার রাজনীতি ছাড়তে চাপ দেন। বিশেষ করে এলাকার জামায়াতের কিছু নেতাকর্মী আমাকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার জন্য মসজিদ কমিটিকে বলেই যাচ্ছেন।
আল আমিন আরও বলেন, রাজনীতি করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে আমাকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার পাঁয়তারা করা হচ্ছে। গতকাল রাতে মসজিদের সামনের একটি মুদি দোকান উচ্ছেদ করে মসজিদ কর্তৃপক্ষ। মুদি দোকানের মালামাল সরিয়ে নিতে সামান্য সময় দেওয়ার অনুরোধ করি। এতে মসজিদের কমিটির সভাপতি এলাহী বক্সসহ অন্যরা আমার ওপর ভীষণ ক্ষিপ্ত হন। পরে তারা আমাকে চাকরি থেকে বাদ দিয়ে দেন। রাজনীতির কারণেই মূলত আমাকে এই পরিস্থিতির শিকার হতে হয়েছে।
মসজিদ কমিটির সভাপতি এলাহী বক্স জানান, মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন হয়ে রাজনীতি করা কেউ পছন্দ করবেন না। নির্দিষ্ট দলের পক্ষে তার বিশেষ পক্ষপাতিত্ব অনেকেই পছন্দ করতেন না। এছাড়া আমাদের মসজিদের সামনে একটি দোকান বসতে দেওয়া হয়েছিল। রকি নামের একটি ছেলে সেখানে মুদি দোকান চালাতেন। মসজিদের কমিটি জানানোর পরও দোকান সরিয়ে না নেওয়ায় গতকাল দোকানটি উচ্ছেদ করা হয়। এলাকার লোকজন সবাই মিলে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেখানে আল আমিন ওই দোকানদারের পক্ষে অবস্থান নেন। যে কারণে তাকে চাকরি থেকে বাদ দিতে হয়েছে।
উপজেলা জামায়াতের আমির আবুল খায়ের এক বিবৃতিতে বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, সাপাহার উপজেলা সদরের একটি মসজিদ থেকে আল আমিন নামের একজনকে মুয়াজ্জিনের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার ফেসবুক আইডিতে যে বক্তব্য দিয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ওই ঘটনার সঙ্গে জামায়াতের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।

বিএনপির রাজনীতি করায় চাকরি হারিয়েছেন মসজিদের মুয়াজ্জিন। ঘটনাটি ঘটে নওগাঁর সাপাহার উপজেলায়। সোমবার ( ২৬ জানুয়ারি) মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে অব্যহতি পেয়ে বিষয়টি সামনে আনেন মুয়াজ্জিন আল আমিন চৌধুরী। তিনি ফেসবুক পোস্ট দিতেই আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
সাপাহার উপজেলা সদরের তালপুকুর মাস্টারপাড়া জামে মসজিদে আল আমিন গত চার বছর ধরে মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার অভিযোগ, জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের চাপে তিনি চাকরি হারিয়েছেন। বিষয়টি ভাইরাল হয়ে গেলে অবশ্য উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করা হয়।
আল আমিন চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, আমি দীর্ঘ সময় ধরে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছি। কিন্তু আমি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় এবং বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় মসজিদ কমিটি আমাকে বারবার রাজনীতি ছাড়তে চাপ দেন। বিশেষ করে এলাকার জামায়াতের কিছু নেতাকর্মী আমাকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার জন্য মসজিদ কমিটিকে বলেই যাচ্ছেন।
আল আমিন আরও বলেন, রাজনীতি করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে আমাকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার পাঁয়তারা করা হচ্ছে। গতকাল রাতে মসজিদের সামনের একটি মুদি দোকান উচ্ছেদ করে মসজিদ কর্তৃপক্ষ। মুদি দোকানের মালামাল সরিয়ে নিতে সামান্য সময় দেওয়ার অনুরোধ করি। এতে মসজিদের কমিটির সভাপতি এলাহী বক্সসহ অন্যরা আমার ওপর ভীষণ ক্ষিপ্ত হন। পরে তারা আমাকে চাকরি থেকে বাদ দিয়ে দেন। রাজনীতির কারণেই মূলত আমাকে এই পরিস্থিতির শিকার হতে হয়েছে।
মসজিদ কমিটির সভাপতি এলাহী বক্স জানান, মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন হয়ে রাজনীতি করা কেউ পছন্দ করবেন না। নির্দিষ্ট দলের পক্ষে তার বিশেষ পক্ষপাতিত্ব অনেকেই পছন্দ করতেন না। এছাড়া আমাদের মসজিদের সামনে একটি দোকান বসতে দেওয়া হয়েছিল। রকি নামের একটি ছেলে সেখানে মুদি দোকান চালাতেন। মসজিদের কমিটি জানানোর পরও দোকান সরিয়ে না নেওয়ায় গতকাল দোকানটি উচ্ছেদ করা হয়। এলাকার লোকজন সবাই মিলে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেখানে আল আমিন ওই দোকানদারের পক্ষে অবস্থান নেন। যে কারণে তাকে চাকরি থেকে বাদ দিতে হয়েছে।
উপজেলা জামায়াতের আমির আবুল খায়ের এক বিবৃতিতে বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, সাপাহার উপজেলা সদরের একটি মসজিদ থেকে আল আমিন নামের একজনকে মুয়াজ্জিনের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার ফেসবুক আইডিতে যে বক্তব্য দিয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ওই ঘটনার সঙ্গে জামায়াতের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।

বিএনপি করায় চাকরি হারালেন মুয়াজ্জিন
নওগাঁ সংবাদদাতা

বিএনপির রাজনীতি করায় চাকরি হারিয়েছেন মসজিদের মুয়াজ্জিন। ঘটনাটি ঘটে নওগাঁর সাপাহার উপজেলায়। সোমবার ( ২৬ জানুয়ারি) মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে অব্যহতি পেয়ে বিষয়টি সামনে আনেন মুয়াজ্জিন আল আমিন চৌধুরী। তিনি ফেসবুক পোস্ট দিতেই আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
সাপাহার উপজেলা সদরের তালপুকুর মাস্টারপাড়া জামে মসজিদে আল আমিন গত চার বছর ধরে মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার অভিযোগ, জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের চাপে তিনি চাকরি হারিয়েছেন। বিষয়টি ভাইরাল হয়ে গেলে অবশ্য উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করা হয়।
আল আমিন চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, আমি দীর্ঘ সময় ধরে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছি। কিন্তু আমি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় এবং বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় মসজিদ কমিটি আমাকে বারবার রাজনীতি ছাড়তে চাপ দেন। বিশেষ করে এলাকার জামায়াতের কিছু নেতাকর্মী আমাকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার জন্য মসজিদ কমিটিকে বলেই যাচ্ছেন।
আল আমিন আরও বলেন, রাজনীতি করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে আমাকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার পাঁয়তারা করা হচ্ছে। গতকাল রাতে মসজিদের সামনের একটি মুদি দোকান উচ্ছেদ করে মসজিদ কর্তৃপক্ষ। মুদি দোকানের মালামাল সরিয়ে নিতে সামান্য সময় দেওয়ার অনুরোধ করি। এতে মসজিদের কমিটির সভাপতি এলাহী বক্সসহ অন্যরা আমার ওপর ভীষণ ক্ষিপ্ত হন। পরে তারা আমাকে চাকরি থেকে বাদ দিয়ে দেন। রাজনীতির কারণেই মূলত আমাকে এই পরিস্থিতির শিকার হতে হয়েছে।
মসজিদ কমিটির সভাপতি এলাহী বক্স জানান, মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন হয়ে রাজনীতি করা কেউ পছন্দ করবেন না। নির্দিষ্ট দলের পক্ষে তার বিশেষ পক্ষপাতিত্ব অনেকেই পছন্দ করতেন না। এছাড়া আমাদের মসজিদের সামনে একটি দোকান বসতে দেওয়া হয়েছিল। রকি নামের একটি ছেলে সেখানে মুদি দোকান চালাতেন। মসজিদের কমিটি জানানোর পরও দোকান সরিয়ে না নেওয়ায় গতকাল দোকানটি উচ্ছেদ করা হয়। এলাকার লোকজন সবাই মিলে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেখানে আল আমিন ওই দোকানদারের পক্ষে অবস্থান নেন। যে কারণে তাকে চাকরি থেকে বাদ দিতে হয়েছে।
উপজেলা জামায়াতের আমির আবুল খায়ের এক বিবৃতিতে বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, সাপাহার উপজেলা সদরের একটি মসজিদ থেকে আল আমিন নামের একজনকে মুয়াজ্জিনের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার ফেসবুক আইডিতে যে বক্তব্য দিয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ওই ঘটনার সঙ্গে জামায়াতের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।



