অটোরিকশাচালক সাকিবুল হত্যার রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেপ্তার

অটোরিকশাচালক সাকিবুল হত্যার রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেপ্তার
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

সিসিটিভি ভিডিও ফুটেজের সূত্র ধরে কিশোর অটোরিকশাচালক সাকিবুল হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় মূল আসামি আসাদুজ্জামান আসাদকে সাভারের হেমায়েতপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিবিআই মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী।
আসাদুজ্জামান আসাদ সিংগাইর উপজেলার জামশা ইউনিয়নের গোলাই নতুনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সাভারের একটি হোটেলে সহকারী ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
নিহত সাকিবুল মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা-মিতরা ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের রহমত আলীর ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার জানায়, বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় সাভার উপজেলার হেমায়েতপুরের যাদুরচর আয়েশা আক্তার মাদ্রাসা গেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তদন্তে জানা গেছে, গত ৩০ জুন কর্মস্থল থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন আসাদ। পথে বৃষ্টির কারণে তিনি মিতরা বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি ফার্মেসিতে অপেক্ষা করেন। পরে বৃষ্টি থেমে গেলে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কিশোর সাকিবুলের ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করে গোলাই নতুনপাড়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি।
বিভিন্ন স্থানে সড়ক ভাঙাচোরা থাকায় অটোরিকশায় প্রচণ্ড ঝাঁকুনি লাগায় সাকিবুলকে ধীরে গাড়ি চালাতে বলেন আসাদ। একপর্যায়ে ঝাঁকুনিতে তিনি আসন থেকে পড়ে গেলে ক্ষিপ্ত হয়ে পেছন থেকে সাকিবুলকে থাপ্পড় মারেন আসাদ। এতে অটোরিকশাটি রাস্তার পাশের গাছের সঙ্গে আটকে যায়। পরে সাকিবুল গাড়ি থেকে নেমে তাকে গালিগালাজ করলে দুইজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে তারা রাস্তার পাশের পাটখেতে পড়ে যান। তখন আসাদ সাকিবুলকে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি মারেন। সাকিবুল চিৎকার করলে কাদার মধ্যে মুখ চেপে ধরেন। এতে সাকিবুল শ্বাসরুদ্ধ হয়ে পড়েন। এরপর আসাদ তার পিঠের ওপর বসে ঘাড়ে চাপ প্রয়োগ করলে সাকিবুল নিস্তেজ হয়ে যায়। ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় আসাদের এক পায়ের স্যান্ডেল সেখানে পড়ে থাকে।
পিবিআই জানায়, সাকিবুলের বাবা রহমত আলী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করতেন। জ্বরে আক্রান্ত থাকায় তিনি এক সপ্তাহ অটোরিকশা চালাতে পারেননি। তাই গত ৩০ জুন বিকাল ৩টার দিকে বাবার অটোরিকশা নিয়ে বের হয় সাকিবুল। এরপর থেকেই সে নিখোঁজ ছিলো। পরদিন ১ জুলাই সিংগাইর উপজেলার জামশা ইউনিয়নের গোলাই নতুনপাড়া এলাকার একটি পাটখেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ২ জুলাই বিকালে নিহতের বাবা রহমত আলী সিংগাইর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী আরও জানান, তদন্তের শুরুতেই মিতরা বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়। পরে তার নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করে পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করা হয়। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে সাভারের জাদুরচর এলাকা থেকে আসাদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসাদ ব্যক্তিগত ও মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলেও জানিয়েছেন। তাকে আদালতে হাজির করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিসিটিভি ভিডিও ফুটেজের সূত্র ধরে কিশোর অটোরিকশাচালক সাকিবুল হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় মূল আসামি আসাদুজ্জামান আসাদকে সাভারের হেমায়েতপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিবিআই মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী।
আসাদুজ্জামান আসাদ সিংগাইর উপজেলার জামশা ইউনিয়নের গোলাই নতুনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সাভারের একটি হোটেলে সহকারী ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
নিহত সাকিবুল মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা-মিতরা ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের রহমত আলীর ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার জানায়, বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় সাভার উপজেলার হেমায়েতপুরের যাদুরচর আয়েশা আক্তার মাদ্রাসা গেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তদন্তে জানা গেছে, গত ৩০ জুন কর্মস্থল থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন আসাদ। পথে বৃষ্টির কারণে তিনি মিতরা বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি ফার্মেসিতে অপেক্ষা করেন। পরে বৃষ্টি থেমে গেলে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কিশোর সাকিবুলের ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করে গোলাই নতুনপাড়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি।
বিভিন্ন স্থানে সড়ক ভাঙাচোরা থাকায় অটোরিকশায় প্রচণ্ড ঝাঁকুনি লাগায় সাকিবুলকে ধীরে গাড়ি চালাতে বলেন আসাদ। একপর্যায়ে ঝাঁকুনিতে তিনি আসন থেকে পড়ে গেলে ক্ষিপ্ত হয়ে পেছন থেকে সাকিবুলকে থাপ্পড় মারেন আসাদ। এতে অটোরিকশাটি রাস্তার পাশের গাছের সঙ্গে আটকে যায়। পরে সাকিবুল গাড়ি থেকে নেমে তাকে গালিগালাজ করলে দুইজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে তারা রাস্তার পাশের পাটখেতে পড়ে যান। তখন আসাদ সাকিবুলকে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি মারেন। সাকিবুল চিৎকার করলে কাদার মধ্যে মুখ চেপে ধরেন। এতে সাকিবুল শ্বাসরুদ্ধ হয়ে পড়েন। এরপর আসাদ তার পিঠের ওপর বসে ঘাড়ে চাপ প্রয়োগ করলে সাকিবুল নিস্তেজ হয়ে যায়। ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় আসাদের এক পায়ের স্যান্ডেল সেখানে পড়ে থাকে।
পিবিআই জানায়, সাকিবুলের বাবা রহমত আলী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করতেন। জ্বরে আক্রান্ত থাকায় তিনি এক সপ্তাহ অটোরিকশা চালাতে পারেননি। তাই গত ৩০ জুন বিকাল ৩টার দিকে বাবার অটোরিকশা নিয়ে বের হয় সাকিবুল। এরপর থেকেই সে নিখোঁজ ছিলো। পরদিন ১ জুলাই সিংগাইর উপজেলার জামশা ইউনিয়নের গোলাই নতুনপাড়া এলাকার একটি পাটখেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ২ জুলাই বিকালে নিহতের বাবা রহমত আলী সিংগাইর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী আরও জানান, তদন্তের শুরুতেই মিতরা বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়। পরে তার নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করে পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করা হয়। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে সাভারের জাদুরচর এলাকা থেকে আসাদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসাদ ব্যক্তিগত ও মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলেও জানিয়েছেন। তাকে আদালতে হাজির করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অটোরিকশাচালক সাকিবুল হত্যার রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেপ্তার
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

সিসিটিভি ভিডিও ফুটেজের সূত্র ধরে কিশোর অটোরিকশাচালক সাকিবুল হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় মূল আসামি আসাদুজ্জামান আসাদকে সাভারের হেমায়েতপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিবিআই মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী।
আসাদুজ্জামান আসাদ সিংগাইর উপজেলার জামশা ইউনিয়নের গোলাই নতুনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সাভারের একটি হোটেলে সহকারী ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
নিহত সাকিবুল মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা-মিতরা ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের রহমত আলীর ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার জানায়, বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় সাভার উপজেলার হেমায়েতপুরের যাদুরচর আয়েশা আক্তার মাদ্রাসা গেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তদন্তে জানা গেছে, গত ৩০ জুন কর্মস্থল থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন আসাদ। পথে বৃষ্টির কারণে তিনি মিতরা বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি ফার্মেসিতে অপেক্ষা করেন। পরে বৃষ্টি থেমে গেলে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কিশোর সাকিবুলের ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করে গোলাই নতুনপাড়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি।
বিভিন্ন স্থানে সড়ক ভাঙাচোরা থাকায় অটোরিকশায় প্রচণ্ড ঝাঁকুনি লাগায় সাকিবুলকে ধীরে গাড়ি চালাতে বলেন আসাদ। একপর্যায়ে ঝাঁকুনিতে তিনি আসন থেকে পড়ে গেলে ক্ষিপ্ত হয়ে পেছন থেকে সাকিবুলকে থাপ্পড় মারেন আসাদ। এতে অটোরিকশাটি রাস্তার পাশের গাছের সঙ্গে আটকে যায়। পরে সাকিবুল গাড়ি থেকে নেমে তাকে গালিগালাজ করলে দুইজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে তারা রাস্তার পাশের পাটখেতে পড়ে যান। তখন আসাদ সাকিবুলকে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি মারেন। সাকিবুল চিৎকার করলে কাদার মধ্যে মুখ চেপে ধরেন। এতে সাকিবুল শ্বাসরুদ্ধ হয়ে পড়েন। এরপর আসাদ তার পিঠের ওপর বসে ঘাড়ে চাপ প্রয়োগ করলে সাকিবুল নিস্তেজ হয়ে যায়। ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় আসাদের এক পায়ের স্যান্ডেল সেখানে পড়ে থাকে।
পিবিআই জানায়, সাকিবুলের বাবা রহমত আলী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করতেন। জ্বরে আক্রান্ত থাকায় তিনি এক সপ্তাহ অটোরিকশা চালাতে পারেননি। তাই গত ৩০ জুন বিকাল ৩টার দিকে বাবার অটোরিকশা নিয়ে বের হয় সাকিবুল। এরপর থেকেই সে নিখোঁজ ছিলো। পরদিন ১ জুলাই সিংগাইর উপজেলার জামশা ইউনিয়নের গোলাই নতুনপাড়া এলাকার একটি পাটখেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ২ জুলাই বিকালে নিহতের বাবা রহমত আলী সিংগাইর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী আরও জানান, তদন্তের শুরুতেই মিতরা বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়। পরে তার নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করে পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করা হয়। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে সাভারের জাদুরচর এলাকা থেকে আসাদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসাদ ব্যক্তিগত ও মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলেও জানিয়েছেন। তাকে আদালতে হাজির করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




