২৫ হাজার টাকায় সন্তান বিক্রির নেপথ্যে কি?

২৫ হাজার টাকায় সন্তান বিক্রির নেপথ্যে কি?
মাগুরা সংবাদদাতা

মাগুরা সদর উপজেলা বেরইল পলিতা ইউনিয়নের রামদেরগাতী গ্রামে অর্থের জন্য নিজের কন্যাশিশুকে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছেন তার বাবা। প্রায় দুই মাস পরে শিশুটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ ।
বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) রাতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোল্ল্যা আজাদ হোসেন ।
তিনি বলেন, গত ২৭ মে পবিত্র ঈদুল আজহার আগের দিন বেরইল পলিতা ইউনিয়নের রামদেরগাতী এলাকার বাসিন্দা সাগর হোসেন (৩৪) তার নবজাতক কন্যা টুকটুকিকে বিক্রি করে দেন। দত্তক হিসেবে সদর উপজেলার দক্ষিণ বীরপুর এলাকার বাসিন্দা মো. শাহাবুর (২৮) ও মনিরা খাতুন (২৫) দম্পতি শিশুটিকে ক্রয় করেন। ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে একটি স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তির মাধ্যমে এই অবৈধ লেনদেন সম্পন্ন হয়। এ ঘটনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আরোও তিনজন ভূমিকা রাখেন।
পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন বলেন, সন্তানকে বিক্রির সময় সাগর প্রতারণার আশ্রয় নেন। তিনি ওই দম্পতির সামনে অন্য এক নারীকে নিজের স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেন। এসময় তিনি দাবি করেন, তার স্ত্রী ক্যান্সারে আক্রান্ত এবং চিকিৎসার খরচ জোগাতেই সন্তান বিক্রি করছেন। অন্যদিকে, নিজের আসল স্ত্রী তানজিলা খাতুনের কাছে বাচ্চার নিখোঁজ হওয়া নিয়ে ‘জিনে নেওয়ার’ গল্প তৈরি করেন এবং জিনের মাধ্যমেই বাচ্চা ফেরত আনা হবে বলে আশ্বাস দিয়ে ২১ দিন অতিবাহিত করেন।
তিনি বলেন, বাচ্চার খোঁজ না পেয়ে তানজিলা খাতুন ব্যাকুল হয়ে পড়েন এবং বুধবার (১৭ জুন) শত্রুজিৎপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) শুভংকর রায়কে জানান। এরপর তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয় সোর্সের সহায়তায় বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) দুপুর দুইটার দিকে শাহাবুর ও মনিরা দম্পতির হেফাজত থেকে শিশু টুকটুকিকে উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর শিশুটিকে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশ সুপার বলেন, দারিদ্রতা কখনোই সন্তান বিক্রির অজুহাত হতে পারে না। এটি অত্যন্ত জঘন্য ও দণ্ডনীয় অপরাধ। ক্রেতা দম্পতির আর্থিক অবস্থাও ভালো নয়। তারা গরু বিক্রি করে বাচ্চাটি কিনেছেন বলে দাবি করেন। তবে কম বয়সী এই দম্পতি অন্য কোনো উদ্দেশ্যে বা পাচারের জন্য বাচ্চাটি কিনেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় শিশুটির বাবা সাগর হোসেন, ক্রেতা দম্পতি ও কেনাবেচায় সহায়তাকারী মধ্যস্থতাকারীদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
শিশুটির মা তানজিলা খাতুন বলেন, আমাদের আরোও দুটি সন্তান আছে। অল্প সময়ের ব্যবধানে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে দুই শিশু জন্মের পর আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। এমন পরিস্থিতিতে আর্থিক চাপে পড়ে আমার স্বামী এ ঘটনা ঘটাতে পারে।
তিনি বলেন, যত কষ্টই হোক, কোনো মা তার সন্তান অন্যকে দিতে চায় না। আমার স্বামী ভুল করেছে, তাকে ক্ষমা করে দিন।

মাগুরা সদর উপজেলা বেরইল পলিতা ইউনিয়নের রামদেরগাতী গ্রামে অর্থের জন্য নিজের কন্যাশিশুকে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছেন তার বাবা। প্রায় দুই মাস পরে শিশুটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ ।
বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) রাতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোল্ল্যা আজাদ হোসেন ।
তিনি বলেন, গত ২৭ মে পবিত্র ঈদুল আজহার আগের দিন বেরইল পলিতা ইউনিয়নের রামদেরগাতী এলাকার বাসিন্দা সাগর হোসেন (৩৪) তার নবজাতক কন্যা টুকটুকিকে বিক্রি করে দেন। দত্তক হিসেবে সদর উপজেলার দক্ষিণ বীরপুর এলাকার বাসিন্দা মো. শাহাবুর (২৮) ও মনিরা খাতুন (২৫) দম্পতি শিশুটিকে ক্রয় করেন। ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে একটি স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তির মাধ্যমে এই অবৈধ লেনদেন সম্পন্ন হয়। এ ঘটনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আরোও তিনজন ভূমিকা রাখেন।
পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন বলেন, সন্তানকে বিক্রির সময় সাগর প্রতারণার আশ্রয় নেন। তিনি ওই দম্পতির সামনে অন্য এক নারীকে নিজের স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেন। এসময় তিনি দাবি করেন, তার স্ত্রী ক্যান্সারে আক্রান্ত এবং চিকিৎসার খরচ জোগাতেই সন্তান বিক্রি করছেন। অন্যদিকে, নিজের আসল স্ত্রী তানজিলা খাতুনের কাছে বাচ্চার নিখোঁজ হওয়া নিয়ে ‘জিনে নেওয়ার’ গল্প তৈরি করেন এবং জিনের মাধ্যমেই বাচ্চা ফেরত আনা হবে বলে আশ্বাস দিয়ে ২১ দিন অতিবাহিত করেন।
তিনি বলেন, বাচ্চার খোঁজ না পেয়ে তানজিলা খাতুন ব্যাকুল হয়ে পড়েন এবং বুধবার (১৭ জুন) শত্রুজিৎপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) শুভংকর রায়কে জানান। এরপর তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয় সোর্সের সহায়তায় বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) দুপুর দুইটার দিকে শাহাবুর ও মনিরা দম্পতির হেফাজত থেকে শিশু টুকটুকিকে উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর শিশুটিকে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশ সুপার বলেন, দারিদ্রতা কখনোই সন্তান বিক্রির অজুহাত হতে পারে না। এটি অত্যন্ত জঘন্য ও দণ্ডনীয় অপরাধ। ক্রেতা দম্পতির আর্থিক অবস্থাও ভালো নয়। তারা গরু বিক্রি করে বাচ্চাটি কিনেছেন বলে দাবি করেন। তবে কম বয়সী এই দম্পতি অন্য কোনো উদ্দেশ্যে বা পাচারের জন্য বাচ্চাটি কিনেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় শিশুটির বাবা সাগর হোসেন, ক্রেতা দম্পতি ও কেনাবেচায় সহায়তাকারী মধ্যস্থতাকারীদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
শিশুটির মা তানজিলা খাতুন বলেন, আমাদের আরোও দুটি সন্তান আছে। অল্প সময়ের ব্যবধানে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে দুই শিশু জন্মের পর আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। এমন পরিস্থিতিতে আর্থিক চাপে পড়ে আমার স্বামী এ ঘটনা ঘটাতে পারে।
তিনি বলেন, যত কষ্টই হোক, কোনো মা তার সন্তান অন্যকে দিতে চায় না। আমার স্বামী ভুল করেছে, তাকে ক্ষমা করে দিন।

২৫ হাজার টাকায় সন্তান বিক্রির নেপথ্যে কি?
মাগুরা সংবাদদাতা

মাগুরা সদর উপজেলা বেরইল পলিতা ইউনিয়নের রামদেরগাতী গ্রামে অর্থের জন্য নিজের কন্যাশিশুকে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছেন তার বাবা। প্রায় দুই মাস পরে শিশুটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ ।
বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) রাতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোল্ল্যা আজাদ হোসেন ।
তিনি বলেন, গত ২৭ মে পবিত্র ঈদুল আজহার আগের দিন বেরইল পলিতা ইউনিয়নের রামদেরগাতী এলাকার বাসিন্দা সাগর হোসেন (৩৪) তার নবজাতক কন্যা টুকটুকিকে বিক্রি করে দেন। দত্তক হিসেবে সদর উপজেলার দক্ষিণ বীরপুর এলাকার বাসিন্দা মো. শাহাবুর (২৮) ও মনিরা খাতুন (২৫) দম্পতি শিশুটিকে ক্রয় করেন। ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে একটি স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তির মাধ্যমে এই অবৈধ লেনদেন সম্পন্ন হয়। এ ঘটনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আরোও তিনজন ভূমিকা রাখেন।
পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন বলেন, সন্তানকে বিক্রির সময় সাগর প্রতারণার আশ্রয় নেন। তিনি ওই দম্পতির সামনে অন্য এক নারীকে নিজের স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেন। এসময় তিনি দাবি করেন, তার স্ত্রী ক্যান্সারে আক্রান্ত এবং চিকিৎসার খরচ জোগাতেই সন্তান বিক্রি করছেন। অন্যদিকে, নিজের আসল স্ত্রী তানজিলা খাতুনের কাছে বাচ্চার নিখোঁজ হওয়া নিয়ে ‘জিনে নেওয়ার’ গল্প তৈরি করেন এবং জিনের মাধ্যমেই বাচ্চা ফেরত আনা হবে বলে আশ্বাস দিয়ে ২১ দিন অতিবাহিত করেন।
তিনি বলেন, বাচ্চার খোঁজ না পেয়ে তানজিলা খাতুন ব্যাকুল হয়ে পড়েন এবং বুধবার (১৭ জুন) শত্রুজিৎপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) শুভংকর রায়কে জানান। এরপর তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয় সোর্সের সহায়তায় বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) দুপুর দুইটার দিকে শাহাবুর ও মনিরা দম্পতির হেফাজত থেকে শিশু টুকটুকিকে উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর শিশুটিকে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশ সুপার বলেন, দারিদ্রতা কখনোই সন্তান বিক্রির অজুহাত হতে পারে না। এটি অত্যন্ত জঘন্য ও দণ্ডনীয় অপরাধ। ক্রেতা দম্পতির আর্থিক অবস্থাও ভালো নয়। তারা গরু বিক্রি করে বাচ্চাটি কিনেছেন বলে দাবি করেন। তবে কম বয়সী এই দম্পতি অন্য কোনো উদ্দেশ্যে বা পাচারের জন্য বাচ্চাটি কিনেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় শিশুটির বাবা সাগর হোসেন, ক্রেতা দম্পতি ও কেনাবেচায় সহায়তাকারী মধ্যস্থতাকারীদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
শিশুটির মা তানজিলা খাতুন বলেন, আমাদের আরোও দুটি সন্তান আছে। অল্প সময়ের ব্যবধানে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে দুই শিশু জন্মের পর আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। এমন পরিস্থিতিতে আর্থিক চাপে পড়ে আমার স্বামী এ ঘটনা ঘটাতে পারে।
তিনি বলেন, যত কষ্টই হোক, কোনো মা তার সন্তান অন্যকে দিতে চায় না। আমার স্বামী ভুল করেছে, তাকে ক্ষমা করে দিন।

শিশু আয়াত হত্যা: আসামি আবিরের মৃত্যুদণ্ড


