মহম্মদপুরে ইয়াবা সেবনের ছবিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আটক ৮

মহম্মদপুরে ইয়াবা সেবনের ছবিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আটক ৮
মাগুরা সংবাদদাতা

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় ইয়াবা সেবনের ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি সংঘর্ষ চলাকালে অন্তত ছয়টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় আটজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২২ জুন) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হোসেন।
এর আগে, গতকাল রবিবার বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার কানুটিয়া ও মৌশা গ্রামের দুই পক্ষের লোকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন– লাকু শেখ, ইউনুস মোল্লা, বাদশাহ শেখ, সিরাজুল ইসলাম শেখ, নাজমুল বিশ্বাস, সুজন কাজি, শহিদুল ইসলাম শেখ ও সাহেব আলী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কানুটিয়া এলাকার হাসান মোল্যার ছেলে আজম মৌশা এলাকায় গিয়ে ইয়াবা সেবন করার সময় স্থানীয়রা তাকে বাধা দেন এবং মারধর করেন। পরে আজমের ইয়াবা সেবনের ছবি ও তার বাবার মাদক কারবার-সংক্রান্ত তথ্য ফেসবুকে পোস্ট করা হলে তা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়।
এরই মধ্যে মৌশা এলাকার রবিউল নামের এক যুবককে গাঁজাসহ পুলিশে ধরিয়ে দেন কানুটিয়ার লিয়াকত নামের এক ব্যক্তি। এসব ঘটনায় গতকাল রবিবার বিকালে কানুটিয়া বাজারে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন উভয় পক্ষের লোকজন। সংঘর্ষ চলাকালে স্থানীয় রাসেল ফকির, মিঠুন, বায়েজিদ হোসেন, আবুল বাশারসহ ছয়জনের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। শুধু তাই নয়, বায়েজিদ হোসেনের বাড়িতে পেট্রলবোমা ছুড়ে আগুন ধরিয়ে দেন প্রতিপক্ষের লোকজন।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জনকে মাগুরা ও মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ওসি মো. শামীম হোসেন বলেন, বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। মাদক ও সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় ইয়াবা সেবনের ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি সংঘর্ষ চলাকালে অন্তত ছয়টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় আটজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২২ জুন) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হোসেন।
এর আগে, গতকাল রবিবার বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার কানুটিয়া ও মৌশা গ্রামের দুই পক্ষের লোকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন– লাকু শেখ, ইউনুস মোল্লা, বাদশাহ শেখ, সিরাজুল ইসলাম শেখ, নাজমুল বিশ্বাস, সুজন কাজি, শহিদুল ইসলাম শেখ ও সাহেব আলী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কানুটিয়া এলাকার হাসান মোল্যার ছেলে আজম মৌশা এলাকায় গিয়ে ইয়াবা সেবন করার সময় স্থানীয়রা তাকে বাধা দেন এবং মারধর করেন। পরে আজমের ইয়াবা সেবনের ছবি ও তার বাবার মাদক কারবার-সংক্রান্ত তথ্য ফেসবুকে পোস্ট করা হলে তা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়।
এরই মধ্যে মৌশা এলাকার রবিউল নামের এক যুবককে গাঁজাসহ পুলিশে ধরিয়ে দেন কানুটিয়ার লিয়াকত নামের এক ব্যক্তি। এসব ঘটনায় গতকাল রবিবার বিকালে কানুটিয়া বাজারে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন উভয় পক্ষের লোকজন। সংঘর্ষ চলাকালে স্থানীয় রাসেল ফকির, মিঠুন, বায়েজিদ হোসেন, আবুল বাশারসহ ছয়জনের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। শুধু তাই নয়, বায়েজিদ হোসেনের বাড়িতে পেট্রলবোমা ছুড়ে আগুন ধরিয়ে দেন প্রতিপক্ষের লোকজন।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জনকে মাগুরা ও মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ওসি মো. শামীম হোসেন বলেন, বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। মাদক ও সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মহম্মদপুরে ইয়াবা সেবনের ছবিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আটক ৮
মাগুরা সংবাদদাতা

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় ইয়াবা সেবনের ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি সংঘর্ষ চলাকালে অন্তত ছয়টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় আটজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২২ জুন) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হোসেন।
এর আগে, গতকাল রবিবার বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার কানুটিয়া ও মৌশা গ্রামের দুই পক্ষের লোকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন– লাকু শেখ, ইউনুস মোল্লা, বাদশাহ শেখ, সিরাজুল ইসলাম শেখ, নাজমুল বিশ্বাস, সুজন কাজি, শহিদুল ইসলাম শেখ ও সাহেব আলী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কানুটিয়া এলাকার হাসান মোল্যার ছেলে আজম মৌশা এলাকায় গিয়ে ইয়াবা সেবন করার সময় স্থানীয়রা তাকে বাধা দেন এবং মারধর করেন। পরে আজমের ইয়াবা সেবনের ছবি ও তার বাবার মাদক কারবার-সংক্রান্ত তথ্য ফেসবুকে পোস্ট করা হলে তা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়।
এরই মধ্যে মৌশা এলাকার রবিউল নামের এক যুবককে গাঁজাসহ পুলিশে ধরিয়ে দেন কানুটিয়ার লিয়াকত নামের এক ব্যক্তি। এসব ঘটনায় গতকাল রবিবার বিকালে কানুটিয়া বাজারে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন উভয় পক্ষের লোকজন। সংঘর্ষ চলাকালে স্থানীয় রাসেল ফকির, মিঠুন, বায়েজিদ হোসেন, আবুল বাশারসহ ছয়জনের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। শুধু তাই নয়, বায়েজিদ হোসেনের বাড়িতে পেট্রলবোমা ছুড়ে আগুন ধরিয়ে দেন প্রতিপক্ষের লোকজন।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জনকে মাগুরা ও মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ওসি মো. শামীম হোসেন বলেন, বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। মাদক ও সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ঝিনাইদহে আ.লীগ-বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১৮







