ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষিকা হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষিকা হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ
ইবি সংবাদদাতা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা অনতিবিলম্বে হত্যাকারীকে চিহ্নিত করে ফাঁসির দাবি জানান।
এর আগে, সকাল ১০টার দিকে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। এসময় সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমানসহ শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
আন্দোলনকারীরা ৯ দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে– হত্যাকারীর দ্রুত ফাঁসি নিশ্চিত করা, হত্যার নেপথ্যে অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও বিচারের আওতায় আনা, ক্যাম্পাস, হল ও বিভাগে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কেন্দ্রীয় সার্ভারে সংরক্ষণ, স্মার্ট আইডি ছাড়া কাউকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে না দেওয়া এবং ভ্যানচালক ও দোকানদারদেরও আইডির আওতায় আনা।
এছাড়া কর্মচারীদের জন্য আলাদা পোশাক ও নামফলক চালু করা, দৈনিকভিত্তিক কর্মচারীদের বেতন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে প্রদান, বিভাগীয় আয়-ব্যয়ের হিসাব স্বচ্ছ করা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের দাবি জানান তারা।
সমাবেশে বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমান বলেন, প্রথমত আমি একজন মানুষ, এরপর শিক্ষক। আমারও পরিবার আছে, সন্তান আছে। গতকাল বুধবার যে ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত নৃশংস ও মর্মান্তিক। এমন ঘটনার কোনো ব্যাখ্যা হতে পারে না। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা সবাই মিলে বিভাগের উন্নয়নের স্বপ্ন দেখছিলাম। বিভাগের চেয়ারম্যান অত্যন্ত সজ্জন ও নরম স্বভাবের মানুষ ছিলেন। তার নেতৃত্বে বিভাগ ভালোভাবে চলছিল। কিন্তু যে নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
বুধবার (৪ মার্চ) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারীর ছুরিকাঘাতে হত্যাকান্ডের শিকার হন সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা অনতিবিলম্বে হত্যাকারীকে চিহ্নিত করে ফাঁসির দাবি জানান।
এর আগে, সকাল ১০টার দিকে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। এসময় সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমানসহ শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
আন্দোলনকারীরা ৯ দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে– হত্যাকারীর দ্রুত ফাঁসি নিশ্চিত করা, হত্যার নেপথ্যে অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও বিচারের আওতায় আনা, ক্যাম্পাস, হল ও বিভাগে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কেন্দ্রীয় সার্ভারে সংরক্ষণ, স্মার্ট আইডি ছাড়া কাউকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে না দেওয়া এবং ভ্যানচালক ও দোকানদারদেরও আইডির আওতায় আনা।
এছাড়া কর্মচারীদের জন্য আলাদা পোশাক ও নামফলক চালু করা, দৈনিকভিত্তিক কর্মচারীদের বেতন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে প্রদান, বিভাগীয় আয়-ব্যয়ের হিসাব স্বচ্ছ করা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের দাবি জানান তারা।
সমাবেশে বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমান বলেন, প্রথমত আমি একজন মানুষ, এরপর শিক্ষক। আমারও পরিবার আছে, সন্তান আছে। গতকাল বুধবার যে ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত নৃশংস ও মর্মান্তিক। এমন ঘটনার কোনো ব্যাখ্যা হতে পারে না। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা সবাই মিলে বিভাগের উন্নয়নের স্বপ্ন দেখছিলাম। বিভাগের চেয়ারম্যান অত্যন্ত সজ্জন ও নরম স্বভাবের মানুষ ছিলেন। তার নেতৃত্বে বিভাগ ভালোভাবে চলছিল। কিন্তু যে নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
বুধবার (৪ মার্চ) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারীর ছুরিকাঘাতে হত্যাকান্ডের শিকার হন সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষিকা হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ
ইবি সংবাদদাতা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা অনতিবিলম্বে হত্যাকারীকে চিহ্নিত করে ফাঁসির দাবি জানান।
এর আগে, সকাল ১০টার দিকে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। এসময় সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমানসহ শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
আন্দোলনকারীরা ৯ দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে– হত্যাকারীর দ্রুত ফাঁসি নিশ্চিত করা, হত্যার নেপথ্যে অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও বিচারের আওতায় আনা, ক্যাম্পাস, হল ও বিভাগে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কেন্দ্রীয় সার্ভারে সংরক্ষণ, স্মার্ট আইডি ছাড়া কাউকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে না দেওয়া এবং ভ্যানচালক ও দোকানদারদেরও আইডির আওতায় আনা।
এছাড়া কর্মচারীদের জন্য আলাদা পোশাক ও নামফলক চালু করা, দৈনিকভিত্তিক কর্মচারীদের বেতন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে প্রদান, বিভাগীয় আয়-ব্যয়ের হিসাব স্বচ্ছ করা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের দাবি জানান তারা।
সমাবেশে বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমান বলেন, প্রথমত আমি একজন মানুষ, এরপর শিক্ষক। আমারও পরিবার আছে, সন্তান আছে। গতকাল বুধবার যে ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত নৃশংস ও মর্মান্তিক। এমন ঘটনার কোনো ব্যাখ্যা হতে পারে না। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা সবাই মিলে বিভাগের উন্নয়নের স্বপ্ন দেখছিলাম। বিভাগের চেয়ারম্যান অত্যন্ত সজ্জন ও নরম স্বভাবের মানুষ ছিলেন। তার নেতৃত্বে বিভাগ ভালোভাবে চলছিল। কিন্তু যে নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
বুধবার (৪ মার্চ) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারীর ছুরিকাঘাতে হত্যাকান্ডের শিকার হন সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা।




