কুকুরকে ঢিল মারা নিয়ে সংঘর্ষে আহত ২০

কুকুরকে ঢিল মারা নিয়ে সংঘর্ষে আহত ২০
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

কুকুরকে ঢিল মারা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। দফায় দফায় চলা সংঘর্ষে বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (২০ মার্চ) কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার কালিপুর দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার পর শুরু হওয়া সংঘর্ষ রাত ১১টা পর্যন্ত চলে। এই ঘটনায় পুলিশ ৭ জনকে আটক করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কালিপুর গ্রামের জারুল্লা বংশের শ্রাবণ মিয়ার পোষা কুকুরকে ঢিল মারেন জুরাত ব্যাপারী বাড়ির সোহেল মিয়া। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা এবং পরে হাতাহাতি হয়। রাত ৮টার দিকে স্থানীয় মুরুব্বিরা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। তবে তাতেও উত্তেজনা থামেনি।
একপর্যায়ে জারুল্লা বংশের লোকজন নিজেরাই বিভক্ত হয়ে পড়েন। তারা বিন্দির বাড়ি ও জুরাত ব্যাপারী বাড়ি– এই দুই পক্ষে ভাগ হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। দা, লাঠি, বল্লম ও ইটপাটকেল নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালান। এসময় সাবেক কাউন্সিলর আশরাফ আলীর বাড়িসহ অন্তত ১০টি বসতঘর ও দোকান ভাঙচুর করা হয়।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন– সীমান্ত (২০), রাহুল মিয়া (২৩), কাউসার (৪৭), রিফাত সরকার (২৬), নীরব আহমেদ (১৭), জুবায়ের আহমেদ (১৪), আব্দুল আওয়াল (৫২), আলী হোসেন (৫২), ইমন (১৩), সজীব মিয়া (২০), সিয়াম (১৮), আহাদ মিয়া (৪৫), নাঈম (১৮) ও ইব্রাহীম (১৭)। গুরুতর আহত সজীব ও সিয়ামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক রিপন দেবনাথ জানান, শুক্রবার রাত ৯টা থেকে ১টা পর্যন্ত অন্তত ১৪ জনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাদের চিকিৎসাসেবা চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আফসার উদ্দিন বলেন, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে মারামারি বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নেয়। আমরা মীমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি।
কিশোরগঞ্জের (ভৈরব-কুলিয়ারচর সার্কেল) সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফয়জুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এই ঘটনায় ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

কুকুরকে ঢিল মারা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। দফায় দফায় চলা সংঘর্ষে বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (২০ মার্চ) কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার কালিপুর দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার পর শুরু হওয়া সংঘর্ষ রাত ১১টা পর্যন্ত চলে। এই ঘটনায় পুলিশ ৭ জনকে আটক করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কালিপুর গ্রামের জারুল্লা বংশের শ্রাবণ মিয়ার পোষা কুকুরকে ঢিল মারেন জুরাত ব্যাপারী বাড়ির সোহেল মিয়া। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা এবং পরে হাতাহাতি হয়। রাত ৮টার দিকে স্থানীয় মুরুব্বিরা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। তবে তাতেও উত্তেজনা থামেনি।
একপর্যায়ে জারুল্লা বংশের লোকজন নিজেরাই বিভক্ত হয়ে পড়েন। তারা বিন্দির বাড়ি ও জুরাত ব্যাপারী বাড়ি– এই দুই পক্ষে ভাগ হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। দা, লাঠি, বল্লম ও ইটপাটকেল নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালান। এসময় সাবেক কাউন্সিলর আশরাফ আলীর বাড়িসহ অন্তত ১০টি বসতঘর ও দোকান ভাঙচুর করা হয়।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন– সীমান্ত (২০), রাহুল মিয়া (২৩), কাউসার (৪৭), রিফাত সরকার (২৬), নীরব আহমেদ (১৭), জুবায়ের আহমেদ (১৪), আব্দুল আওয়াল (৫২), আলী হোসেন (৫২), ইমন (১৩), সজীব মিয়া (২০), সিয়াম (১৮), আহাদ মিয়া (৪৫), নাঈম (১৮) ও ইব্রাহীম (১৭)। গুরুতর আহত সজীব ও সিয়ামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক রিপন দেবনাথ জানান, শুক্রবার রাত ৯টা থেকে ১টা পর্যন্ত অন্তত ১৪ জনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাদের চিকিৎসাসেবা চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আফসার উদ্দিন বলেন, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে মারামারি বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নেয়। আমরা মীমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি।
কিশোরগঞ্জের (ভৈরব-কুলিয়ারচর সার্কেল) সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফয়জুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এই ঘটনায় ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

কুকুরকে ঢিল মারা নিয়ে সংঘর্ষে আহত ২০
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

কুকুরকে ঢিল মারা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। দফায় দফায় চলা সংঘর্ষে বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (২০ মার্চ) কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার কালিপুর দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার পর শুরু হওয়া সংঘর্ষ রাত ১১টা পর্যন্ত চলে। এই ঘটনায় পুলিশ ৭ জনকে আটক করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কালিপুর গ্রামের জারুল্লা বংশের শ্রাবণ মিয়ার পোষা কুকুরকে ঢিল মারেন জুরাত ব্যাপারী বাড়ির সোহেল মিয়া। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা এবং পরে হাতাহাতি হয়। রাত ৮টার দিকে স্থানীয় মুরুব্বিরা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। তবে তাতেও উত্তেজনা থামেনি।
একপর্যায়ে জারুল্লা বংশের লোকজন নিজেরাই বিভক্ত হয়ে পড়েন। তারা বিন্দির বাড়ি ও জুরাত ব্যাপারী বাড়ি– এই দুই পক্ষে ভাগ হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। দা, লাঠি, বল্লম ও ইটপাটকেল নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালান। এসময় সাবেক কাউন্সিলর আশরাফ আলীর বাড়িসহ অন্তত ১০টি বসতঘর ও দোকান ভাঙচুর করা হয়।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন– সীমান্ত (২০), রাহুল মিয়া (২৩), কাউসার (৪৭), রিফাত সরকার (২৬), নীরব আহমেদ (১৭), জুবায়ের আহমেদ (১৪), আব্দুল আওয়াল (৫২), আলী হোসেন (৫২), ইমন (১৩), সজীব মিয়া (২০), সিয়াম (১৮), আহাদ মিয়া (৪৫), নাঈম (১৮) ও ইব্রাহীম (১৭)। গুরুতর আহত সজীব ও সিয়ামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক রিপন দেবনাথ জানান, শুক্রবার রাত ৯টা থেকে ১টা পর্যন্ত অন্তত ১৪ জনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাদের চিকিৎসাসেবা চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আফসার উদ্দিন বলেন, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে মারামারি বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নেয়। আমরা মীমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি।
কিশোরগঞ্জের (ভৈরব-কুলিয়ারচর সার্কেল) সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফয়জুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এই ঘটনায় ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।




