পাগলা মসজিদের দানবাক্সের চিঠিতে বাংলাদেশকে ২০৩০ বিশ্বকাপে দেখার স্বপ্ন

পাগলা মসজিদের দানবাক্সের চিঠিতে বাংলাদেশকে ২০৩০ বিশ্বকাপে দেখার স্বপ্ন
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার ৪৩ বস্তা টাকা এবং এক বস্তা চিঠি পাওয়া গেছে। পাগলা মসজিদে সব ধর্মের, সব বর্ণের মানুষই দান করেন। কেউ টাকা দান করেন, কেউ আবার বৈদেশিক মুদ্রা বা স্বর্ণালংকার। একই সঙ্গে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে কেউ কেউ চিঠি বা চিরকুটে নিজের মনের ইচ্ছার কথা জানান।
সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচলিত আছে যে পাগলা মসজিদে দান করলে বা চিঠি লিখে মনের ইচ্ছার কথা জানালে তা পূরণ হয়। এই বিশ্বাসের কারণেই অনেকে দানবাক্সে টাকা বা অন্য কিছু দান করার পাশাপাশি চিঠিও লিখে রেখে যান। এবার পাওয়া এক বস্তা চিঠির মধ্যে একটি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। চিঠি লেখা ব্যক্তি নিজের জন্য কিছু চাননি, তার চাওয়া বাংলাদেশ যেন ২০৩০ বিশ্বকাপের মূলমঞ্চে খেলতে পারে!
শনিবার (২৭ জুন) পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে উদ্ধার হওয়া ওই চিঠিতে লেখা আছে, ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম, হে আল্লাহ, আপনি সর্বশক্তিমান। আপনার কাছে আমার একটি প্রিয় স্বপ্নের কথা জানাচ্ছি। আমি চাই ২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করুক। লাল-সবুজের পতাকা বিশ্বকাপের মাঠে উড়ুক এবং কোটি বাংলাদেশির স্বপ্ন পূরণ হোক। হে আল্লাহ, আমাদের দেশে ফুটবলকে উন্নত করুন, খেলোয়াড়দের সফলতা দান করুন এবং বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে গৌরবের সঙ্গে তুলে ধরার তাওফিক দিন। আমিন...(একজন স্বপ্নবাজ বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমী)।’
দানবাক্সে চিঠি পাওয়া নতুন কোনো ঘটনা নয়। প্রায় প্রতিবারই এমন চিঠি পাওয়া যায়। তবে এবার চিঠির সংখ্যা অন্যবারের তুলনায় বেশি বলে জানিয়েছে মসজিদ কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, দানবাক্সে অতিরিক্ত চিঠি রাখার কারণে অনেক সময় দান করতে আসা মানুষ টাকাও ঠিকমতো রাখতে পারেন না। এ ছাড়া এসব চিঠির ছবি বা তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে নানা ধরনের হাস্যরস ও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। তাই এবার চিঠিগুলো আলাদা একটি বস্তায় ভরে মুখ বেঁধে রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে দানবাক্সে অপ্রয়োজনীয় চিঠি না রাখার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ পাগলা মসজিদে দান করতে আসেন। সময়ের সঙ্গে দানের পরিমাণ বাড়ছে।

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার ৪৩ বস্তা টাকা এবং এক বস্তা চিঠি পাওয়া গেছে। পাগলা মসজিদে সব ধর্মের, সব বর্ণের মানুষই দান করেন। কেউ টাকা দান করেন, কেউ আবার বৈদেশিক মুদ্রা বা স্বর্ণালংকার। একই সঙ্গে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে কেউ কেউ চিঠি বা চিরকুটে নিজের মনের ইচ্ছার কথা জানান।
সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচলিত আছে যে পাগলা মসজিদে দান করলে বা চিঠি লিখে মনের ইচ্ছার কথা জানালে তা পূরণ হয়। এই বিশ্বাসের কারণেই অনেকে দানবাক্সে টাকা বা অন্য কিছু দান করার পাশাপাশি চিঠিও লিখে রেখে যান। এবার পাওয়া এক বস্তা চিঠির মধ্যে একটি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। চিঠি লেখা ব্যক্তি নিজের জন্য কিছু চাননি, তার চাওয়া বাংলাদেশ যেন ২০৩০ বিশ্বকাপের মূলমঞ্চে খেলতে পারে!
শনিবার (২৭ জুন) পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে উদ্ধার হওয়া ওই চিঠিতে লেখা আছে, ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম, হে আল্লাহ, আপনি সর্বশক্তিমান। আপনার কাছে আমার একটি প্রিয় স্বপ্নের কথা জানাচ্ছি। আমি চাই ২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করুক। লাল-সবুজের পতাকা বিশ্বকাপের মাঠে উড়ুক এবং কোটি বাংলাদেশির স্বপ্ন পূরণ হোক। হে আল্লাহ, আমাদের দেশে ফুটবলকে উন্নত করুন, খেলোয়াড়দের সফলতা দান করুন এবং বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে গৌরবের সঙ্গে তুলে ধরার তাওফিক দিন। আমিন...(একজন স্বপ্নবাজ বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমী)।’
দানবাক্সে চিঠি পাওয়া নতুন কোনো ঘটনা নয়। প্রায় প্রতিবারই এমন চিঠি পাওয়া যায়। তবে এবার চিঠির সংখ্যা অন্যবারের তুলনায় বেশি বলে জানিয়েছে মসজিদ কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, দানবাক্সে অতিরিক্ত চিঠি রাখার কারণে অনেক সময় দান করতে আসা মানুষ টাকাও ঠিকমতো রাখতে পারেন না। এ ছাড়া এসব চিঠির ছবি বা তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে নানা ধরনের হাস্যরস ও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। তাই এবার চিঠিগুলো আলাদা একটি বস্তায় ভরে মুখ বেঁধে রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে দানবাক্সে অপ্রয়োজনীয় চিঠি না রাখার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ পাগলা মসজিদে দান করতে আসেন। সময়ের সঙ্গে দানের পরিমাণ বাড়ছে।

পাগলা মসজিদের দানবাক্সের চিঠিতে বাংলাদেশকে ২০৩০ বিশ্বকাপে দেখার স্বপ্ন
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার ৪৩ বস্তা টাকা এবং এক বস্তা চিঠি পাওয়া গেছে। পাগলা মসজিদে সব ধর্মের, সব বর্ণের মানুষই দান করেন। কেউ টাকা দান করেন, কেউ আবার বৈদেশিক মুদ্রা বা স্বর্ণালংকার। একই সঙ্গে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে কেউ কেউ চিঠি বা চিরকুটে নিজের মনের ইচ্ছার কথা জানান।
সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচলিত আছে যে পাগলা মসজিদে দান করলে বা চিঠি লিখে মনের ইচ্ছার কথা জানালে তা পূরণ হয়। এই বিশ্বাসের কারণেই অনেকে দানবাক্সে টাকা বা অন্য কিছু দান করার পাশাপাশি চিঠিও লিখে রেখে যান। এবার পাওয়া এক বস্তা চিঠির মধ্যে একটি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। চিঠি লেখা ব্যক্তি নিজের জন্য কিছু চাননি, তার চাওয়া বাংলাদেশ যেন ২০৩০ বিশ্বকাপের মূলমঞ্চে খেলতে পারে!
শনিবার (২৭ জুন) পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে উদ্ধার হওয়া ওই চিঠিতে লেখা আছে, ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম, হে আল্লাহ, আপনি সর্বশক্তিমান। আপনার কাছে আমার একটি প্রিয় স্বপ্নের কথা জানাচ্ছি। আমি চাই ২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করুক। লাল-সবুজের পতাকা বিশ্বকাপের মাঠে উড়ুক এবং কোটি বাংলাদেশির স্বপ্ন পূরণ হোক। হে আল্লাহ, আমাদের দেশে ফুটবলকে উন্নত করুন, খেলোয়াড়দের সফলতা দান করুন এবং বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে গৌরবের সঙ্গে তুলে ধরার তাওফিক দিন। আমিন...(একজন স্বপ্নবাজ বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমী)।’
দানবাক্সে চিঠি পাওয়া নতুন কোনো ঘটনা নয়। প্রায় প্রতিবারই এমন চিঠি পাওয়া যায়। তবে এবার চিঠির সংখ্যা অন্যবারের তুলনায় বেশি বলে জানিয়েছে মসজিদ কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, দানবাক্সে অতিরিক্ত চিঠি রাখার কারণে অনেক সময় দান করতে আসা মানুষ টাকাও ঠিকমতো রাখতে পারেন না। এ ছাড়া এসব চিঠির ছবি বা তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে নানা ধরনের হাস্যরস ও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। তাই এবার চিঠিগুলো আলাদা একটি বস্তায় ভরে মুখ বেঁধে রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে দানবাক্সে অপ্রয়োজনীয় চিঠি না রাখার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ পাগলা মসজিদে দান করতে আসেন। সময়ের সঙ্গে দানের পরিমাণ বাড়ছে।




