শিরোনাম

যুক্তরাষ্ট্রের ২০৩৮ বিশ্বকাপ আয়োজনের ইচ্ছাও আছে

সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের ২০৩৮ বিশ্বকাপ আয়োজনের ইচ্ছাও আছে
ফুটবল বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপ আয়োজন করে যেন মজা পেয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। এবারের বিশ্বকাপটা তারা আয়োজন করছে প্রতিবেশি দুই দেশ কানা ও মেক্সিকোর সঙ্গে যৌথভাবে। তবে আগামীতে আর যৌথভাবে নয়, এককভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। তাদের সেই চাওয়া যে ২০৩৮ বিশ্বকাপ, সেই ইঙ্গিতই দিয়েছে তারা।

যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে দর্শকদের টিকিটের দাম আর ভিসা সমস্যা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে প্রায় প্রতিদিনই। এরপরও এবারের বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার আগেই আরও একটি বিশ্বকাপ আয়োজনের ইঙ্গিত দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউসের বিশ্বকাপ টাস্ক ফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু গিলিয়ানো দিয়েছেন সেই ইঙ্গিত।

চলতি আসরে ফুটবল বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮টি করা হয়েছে। তবে ফিফা ২০৩০ সালের মধ্যে এই পরিধি আরও বাড়িয়ে ৬৪ দল করার কথা ভাবছে। বিবিসির কাছে গিলিয়ানোর দাবি, এত বড় কলেবরের বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ভালো জায়গা আর হতে পারে না, ‘ভবিষ্যতে বিশ্বকাপ যদি ৬৪ দলেরও হয়, তা সফলভাবে সামাল দেওয়ার সামর্থ্য যুক্তরাষ্ট্রের আছে।’সরাসরি না বললেও গিলিয়ানোর কথায় স্পষ্ট ইঙ্গিতই ছিল এক যুগের মধ্যে আরও একটি বিশ্বকাপ আয়োজন করার ইচ্ছার, ‘২০৩৮ সালের বিড নিয়ে মাতামাতি করার আগে, আমরা চলমান বিশ্বকাপটা নির্বিঘ্নে শেষ করতে চাই।’

২০৩৮ সালের বিশ্বকাপই হবে পরবর্তী টুর্নামেন্ট, যেটির জন্য নতুন করে বিডিং প্রক্রিয়া শুরু হবে। পরের দুটি বিশ্বকাপের ভেন্যু এরই মধ্যে চূড়ান্ত হয়ে গেছে। ২০৩০ বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। যদিও শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে প্রথম তিনটি ম্যাচ হবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে। ২০৩৪ সালের বিশ্বকাপের একক আয়োজক সৌদি আরব।

এবারের বিশ্বকাপ নিয়ে চলমান সব সমালোচনা ছাপিয়ে ২০৩৮ বিশ্বকাপটাও আয়োজন হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রই। ব্যবসায়িকভাবে সেটি লাভজনক হবে ফিফার জন্যও। যুক্তরাষ্ট্রের বড় বাজার ধরতে এর মধ্যেই ফিফার আইন বিভাগ সুইজারল্যান্ডের জুরিখ থেকে সরিয়ে ফ্লোরিডায় নিয়ে গেছেন সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।

হোয়াইট হাউস টাস্কফোর্সের পরিচালক গিয়ালিনো বলেছেন, বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে উপযুক্ত দেশ আর একটিও নেই। অন্যান্য দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের খরচ অনেক কম হয়েছে জানিয়ে গিলিয়ানো বলেন, ‘আমাদের স্টেডিয়াম ও অবকাঠামো আগে থেকেই তৈরি ছিল। যেখানে অন্য দেশগুলোর হাজার কোটি ডলার খরচ হয়, সেখানে আমাদের খরচ হয়েছে মাত্র কয়েক বিলিয়ন।’

/আরএ/