তিন পার্বত্য জেলার ৩৪ ভোটকেন্দ্রে হেলিকপ্টার ব্যবহারের সিদ্ধান্ত ইসির

তিন পার্বত্য জেলার ৩৪ ভোটকেন্দ্রে হেলিকপ্টার ব্যবহারের সিদ্ধান্ত ইসির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হেলিকপ্টার ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি– এই তিন জেলায় মোট ৩৪টি ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী মালামাল পরিবহন, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আনা-নেওয়ার কাজে এ হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠি থেকে এসব তথ্য জানা যায়। ইতোমধ্যে এ চিঠি সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ১১টি ভোটকেন্দ্রে, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় ২০টি ভোটকেন্দ্রে এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় ৩টি ভোটকেন্দ্র, মোট ৩৪টি ভোটকেন্দ্রের ১০৯টি ভোটকক্ষের নির্বাচনী মালামাল, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপজেলা সদর হতে ভোটকেন্দ্রে পাঠানো এবং উপজেলা সদরে ফেরত আনার জন্য হেলিকপ্টার সহায়তা প্রয়োজন হবে।
নির্বাচনী দ্রব্যাদির পরিমাণ এবং ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা, বিদ্যমান হেলিকপ্টারের ধারণ ক্ষমতা, আবহাওয়া ইত্যাদি বিবেচনায় যাতায়াতের তারিখ ও প্রাসঙ্গিক বিষয় সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে আলোচনাক্রমে নির্ধারণের জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত দিয়েছে।
ইসি জানায়, পার্বত্য এলাকা ছাড়াও দ্বীপ, হাওর-বাওর বা অন্যান্য দুর্গম অঞ্চলে সম্ভাব্য উদ্ধার তৎপরতা এবং ব্যালট পেপারসহ অন্যান্য নির্বাচনী মালামাল তাৎক্ষণিকভাবে প্রেরণের জন্য তেজগাঁও হেলিপ্যাডে দুটি হেলিকপ্টার স্ট্যান্ডবাই রাখার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত দিয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হেলিকপ্টার ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি– এই তিন জেলায় মোট ৩৪টি ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী মালামাল পরিবহন, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আনা-নেওয়ার কাজে এ হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠি থেকে এসব তথ্য জানা যায়। ইতোমধ্যে এ চিঠি সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ১১টি ভোটকেন্দ্রে, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় ২০টি ভোটকেন্দ্রে এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় ৩টি ভোটকেন্দ্র, মোট ৩৪টি ভোটকেন্দ্রের ১০৯টি ভোটকক্ষের নির্বাচনী মালামাল, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপজেলা সদর হতে ভোটকেন্দ্রে পাঠানো এবং উপজেলা সদরে ফেরত আনার জন্য হেলিকপ্টার সহায়তা প্রয়োজন হবে।
নির্বাচনী দ্রব্যাদির পরিমাণ এবং ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা, বিদ্যমান হেলিকপ্টারের ধারণ ক্ষমতা, আবহাওয়া ইত্যাদি বিবেচনায় যাতায়াতের তারিখ ও প্রাসঙ্গিক বিষয় সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে আলোচনাক্রমে নির্ধারণের জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত দিয়েছে।
ইসি জানায়, পার্বত্য এলাকা ছাড়াও দ্বীপ, হাওর-বাওর বা অন্যান্য দুর্গম অঞ্চলে সম্ভাব্য উদ্ধার তৎপরতা এবং ব্যালট পেপারসহ অন্যান্য নির্বাচনী মালামাল তাৎক্ষণিকভাবে প্রেরণের জন্য তেজগাঁও হেলিপ্যাডে দুটি হেলিকপ্টার স্ট্যান্ডবাই রাখার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত দিয়েছে।

তিন পার্বত্য জেলার ৩৪ ভোটকেন্দ্রে হেলিকপ্টার ব্যবহারের সিদ্ধান্ত ইসির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হেলিকপ্টার ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি– এই তিন জেলায় মোট ৩৪টি ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী মালামাল পরিবহন, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আনা-নেওয়ার কাজে এ হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠি থেকে এসব তথ্য জানা যায়। ইতোমধ্যে এ চিঠি সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ১১টি ভোটকেন্দ্রে, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় ২০টি ভোটকেন্দ্রে এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় ৩টি ভোটকেন্দ্র, মোট ৩৪টি ভোটকেন্দ্রের ১০৯টি ভোটকক্ষের নির্বাচনী মালামাল, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপজেলা সদর হতে ভোটকেন্দ্রে পাঠানো এবং উপজেলা সদরে ফেরত আনার জন্য হেলিকপ্টার সহায়তা প্রয়োজন হবে।
নির্বাচনী দ্রব্যাদির পরিমাণ এবং ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা, বিদ্যমান হেলিকপ্টারের ধারণ ক্ষমতা, আবহাওয়া ইত্যাদি বিবেচনায় যাতায়াতের তারিখ ও প্রাসঙ্গিক বিষয় সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে আলোচনাক্রমে নির্ধারণের জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত দিয়েছে।
ইসি জানায়, পার্বত্য এলাকা ছাড়াও দ্বীপ, হাওর-বাওর বা অন্যান্য দুর্গম অঞ্চলে সম্ভাব্য উদ্ধার তৎপরতা এবং ব্যালট পেপারসহ অন্যান্য নির্বাচনী মালামাল তাৎক্ষণিকভাবে প্রেরণের জন্য তেজগাঁও হেলিপ্যাডে দুটি হেলিকপ্টার স্ট্যান্ডবাই রাখার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত দিয়েছে।




