রাশিয়ায় ‘ড্রোন হামলায়’ জামালপুরের এক যুবক নিহত

রাশিয়ায় ‘ড্রোন হামলায়’ জামালপুরের এক যুবক নিহত
জামালপুর সংবাদদাতা

রাশিয়া যাওয়ার মাত্র দেড় মাসের মধ্যে মফিজ উদ্দিন (২৩) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তার বাড়ি জামালপুরের মাদারগঞ্জে। নিহতের পরিবারের দাবি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মাঠে ড্রোন হামলায় মফিজ উদ্দিন মারা যায়।
সোমবার (১৫ জুন) সকালে নিহত যুবক মফিজ উদ্দিনের পরিবার বিষয়টি নিশ্চিত করে। তবে সে কবে মারা গেছে, তা সঠিকভাবে জানাতে পারেনি পরিবারের লোকজন।
নিহত মফিজ উদ্দিন মাদারগঞ্জ উপজেলার কড়ইচরা ইউনিয়নের চরমানিকা এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম বানু মিয়া। তিনি গত একমাস ১২ দিন আগে রাশিয়া গিয়েছিলেন।
মফিজের ভাই মেহেদী হাসান বলেন, ‘গত ৭ মে চাঁদপুর জেলার এক দালালের মাধ্যমে মফিজ উদ্দিন রাশিয়ায় পাড়ি জমায়। যাওয়ার পূর্বে বলা হয়ে ছিলো, রাশিয়ায় তাকে রাজমিস্ত্রির কাজ দেওয়া হবে। যাওয়ার পর দালালরা মফিজকে সেনাবাহিনীর কাছে বিক্রি করে দেয়। সেনাবাহিনী তাকে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করে। যুদ্ধের মাঠে ড্রোন হামলায় মফিজ মারা যায়।’
নিহত মফিজের মা মাফুজা বেগম বলেন, মে মাসের ২৭ তারিখে সবশেষ আমার ছেলের সঙ্গে মোবাইলে কথা হয়। ২৯ তারিখের পর তার সাথে আর কথা বলা সম্ভব হয়নি। এরপর থেকেই সে নিখোঁজ ছিল। সবশেষ দিনে মফিজ মোবাইলে আমাদের জানায়, ‘সেনাবাহিনী আমাকে যুদ্ধে যেতে বাধ্য করছে। আমি যুদ্ধে যাচ্ছি। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন।’
মফিজের চাচা শাহ মনি সেলিম তার ভাতিজার লাশ ফেরত আনার বিষয়ে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন। একই সঙ্গে দালাল চক্রের সদস্যদের বিচার দাবি জানান তিনি।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নির্ভরযোগ্য মাধ্যমে গতকাল রবিবার দিবাগত রাতে মফিজ উদ্দিনের মৃত্যুর খবর পায় পরিবারের সদস্যরা। তবে রাশিয়ার কোন শহর বা এলাকায় এবং কবে সে মারা গেছে, তা পরিবারের কেউ জানেনা। তার লাশ কোথায় আছে, সে বিষয়েও জানাতে পারেন নি তারা।
এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমন চৌধুরী বলেন, বিষয়টি অবগত আছি। নিহত মফিজের পরিবারের সদস্যদের রাশিয়ার দূতাবাসে যোগাযোগ করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

রাশিয়া যাওয়ার মাত্র দেড় মাসের মধ্যে মফিজ উদ্দিন (২৩) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তার বাড়ি জামালপুরের মাদারগঞ্জে। নিহতের পরিবারের দাবি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মাঠে ড্রোন হামলায় মফিজ উদ্দিন মারা যায়।
সোমবার (১৫ জুন) সকালে নিহত যুবক মফিজ উদ্দিনের পরিবার বিষয়টি নিশ্চিত করে। তবে সে কবে মারা গেছে, তা সঠিকভাবে জানাতে পারেনি পরিবারের লোকজন।
নিহত মফিজ উদ্দিন মাদারগঞ্জ উপজেলার কড়ইচরা ইউনিয়নের চরমানিকা এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম বানু মিয়া। তিনি গত একমাস ১২ দিন আগে রাশিয়া গিয়েছিলেন।
মফিজের ভাই মেহেদী হাসান বলেন, ‘গত ৭ মে চাঁদপুর জেলার এক দালালের মাধ্যমে মফিজ উদ্দিন রাশিয়ায় পাড়ি জমায়। যাওয়ার পূর্বে বলা হয়ে ছিলো, রাশিয়ায় তাকে রাজমিস্ত্রির কাজ দেওয়া হবে। যাওয়ার পর দালালরা মফিজকে সেনাবাহিনীর কাছে বিক্রি করে দেয়। সেনাবাহিনী তাকে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করে। যুদ্ধের মাঠে ড্রোন হামলায় মফিজ মারা যায়।’
নিহত মফিজের মা মাফুজা বেগম বলেন, মে মাসের ২৭ তারিখে সবশেষ আমার ছেলের সঙ্গে মোবাইলে কথা হয়। ২৯ তারিখের পর তার সাথে আর কথা বলা সম্ভব হয়নি। এরপর থেকেই সে নিখোঁজ ছিল। সবশেষ দিনে মফিজ মোবাইলে আমাদের জানায়, ‘সেনাবাহিনী আমাকে যুদ্ধে যেতে বাধ্য করছে। আমি যুদ্ধে যাচ্ছি। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন।’
মফিজের চাচা শাহ মনি সেলিম তার ভাতিজার লাশ ফেরত আনার বিষয়ে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন। একই সঙ্গে দালাল চক্রের সদস্যদের বিচার দাবি জানান তিনি।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নির্ভরযোগ্য মাধ্যমে গতকাল রবিবার দিবাগত রাতে মফিজ উদ্দিনের মৃত্যুর খবর পায় পরিবারের সদস্যরা। তবে রাশিয়ার কোন শহর বা এলাকায় এবং কবে সে মারা গেছে, তা পরিবারের কেউ জানেনা। তার লাশ কোথায় আছে, সে বিষয়েও জানাতে পারেন নি তারা।
এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমন চৌধুরী বলেন, বিষয়টি অবগত আছি। নিহত মফিজের পরিবারের সদস্যদের রাশিয়ার দূতাবাসে যোগাযোগ করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

রাশিয়ায় ‘ড্রোন হামলায়’ জামালপুরের এক যুবক নিহত
জামালপুর সংবাদদাতা

রাশিয়া যাওয়ার মাত্র দেড় মাসের মধ্যে মফিজ উদ্দিন (২৩) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তার বাড়ি জামালপুরের মাদারগঞ্জে। নিহতের পরিবারের দাবি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মাঠে ড্রোন হামলায় মফিজ উদ্দিন মারা যায়।
সোমবার (১৫ জুন) সকালে নিহত যুবক মফিজ উদ্দিনের পরিবার বিষয়টি নিশ্চিত করে। তবে সে কবে মারা গেছে, তা সঠিকভাবে জানাতে পারেনি পরিবারের লোকজন।
নিহত মফিজ উদ্দিন মাদারগঞ্জ উপজেলার কড়ইচরা ইউনিয়নের চরমানিকা এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম বানু মিয়া। তিনি গত একমাস ১২ দিন আগে রাশিয়া গিয়েছিলেন।
মফিজের ভাই মেহেদী হাসান বলেন, ‘গত ৭ মে চাঁদপুর জেলার এক দালালের মাধ্যমে মফিজ উদ্দিন রাশিয়ায় পাড়ি জমায়। যাওয়ার পূর্বে বলা হয়ে ছিলো, রাশিয়ায় তাকে রাজমিস্ত্রির কাজ দেওয়া হবে। যাওয়ার পর দালালরা মফিজকে সেনাবাহিনীর কাছে বিক্রি করে দেয়। সেনাবাহিনী তাকে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করে। যুদ্ধের মাঠে ড্রোন হামলায় মফিজ মারা যায়।’
নিহত মফিজের মা মাফুজা বেগম বলেন, মে মাসের ২৭ তারিখে সবশেষ আমার ছেলের সঙ্গে মোবাইলে কথা হয়। ২৯ তারিখের পর তার সাথে আর কথা বলা সম্ভব হয়নি। এরপর থেকেই সে নিখোঁজ ছিল। সবশেষ দিনে মফিজ মোবাইলে আমাদের জানায়, ‘সেনাবাহিনী আমাকে যুদ্ধে যেতে বাধ্য করছে। আমি যুদ্ধে যাচ্ছি। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন।’
মফিজের চাচা শাহ মনি সেলিম তার ভাতিজার লাশ ফেরত আনার বিষয়ে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন। একই সঙ্গে দালাল চক্রের সদস্যদের বিচার দাবি জানান তিনি।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নির্ভরযোগ্য মাধ্যমে গতকাল রবিবার দিবাগত রাতে মফিজ উদ্দিনের মৃত্যুর খবর পায় পরিবারের সদস্যরা। তবে রাশিয়ার কোন শহর বা এলাকায় এবং কবে সে মারা গেছে, তা পরিবারের কেউ জানেনা। তার লাশ কোথায় আছে, সে বিষয়েও জানাতে পারেন নি তারা।
এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমন চৌধুরী বলেন, বিষয়টি অবগত আছি। নিহত মফিজের পরিবারের সদস্যদের রাশিয়ার দূতাবাসে যোগাযোগ করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে ২ বাংলাদেশি আহত


