বদ্ধ ঘর থেকে দুর্গন্ধ, শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বদ্ধ ঘর থেকে দুর্গন্ধ, শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
জামালপুর সংবাদদাতা

জামালপুরে এক ভাড়া বাসা থেকে রিমা আক্তার নামের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে শহরের কাচারিপাড়া এলাকার মোহাম্মদ আলীর বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহত রিমা আক্তার মাদারগঞ্জ উপজেলার বালিজুড়ি এলাকার শহিদুল্লাহর মেয়ে এবং তিনি সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজে ইংরেজি বিভাগের অনার্সের শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রিমা আক্তার যে রুমে থাকতেন সেই রুমের দরজা ২ থেকে ৩ দিন যাবৎ বন্ধ ছিল। আজ সন্ধ্যা থেকে তার রুমের ভেতর থেকে দুর্গন্ধ আসছিল। বিষয়টি নিয়ে বাসার মালিকপক্ষ ও স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা জাতীয় জরুরি সেবা নাম্বার ৯৯৯ এ ফোন করে। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থল গিয়ে রুমের দরজার তালা ভেঙে ভেতরে যান। তারপর ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে রিমার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায়। পরে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়। তবে মৃত রিমার বাড়ি মাদারগঞ্জ নাকি ইসলামপুর উপজেলায় সেই বিষয় নিয়ে পুলিশের মাঝে সংশয় তৈরি হয়েছে। কারণ রিমা যে বাড়িতে ভাড়া থাকতো সেই বাড়ির রেজিস্টারে লেখা তার বাড়ি মাদারগঞ্জ উপজেলায়। কিন্তু পুলিশ তার ঘরে রিমার যে জাতীয় পরিচয়পত্রে পেয়েছে সেখানে তার বাড়ি ইসলামপুর উপজেলায় লেখা রয়েছে। কোনটি তার আসল ঠিকানা সেটা তদন্ত করে নিশ্চিত করা যাবে।
বাসায় মালিকের ছেলে জাহাঙ্গীর বলেন, আমি যতটুকু জানি, মেয়েটি আশেক মাহমুদ কলেজে ইংলিশ ডিপার্টমেন্টে পড়ে। এর বেশি আমি কিছু জানি না। মেয়ে মানুষ তো তাই বেশি খোঁজ খবর রাখিনি।
জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) নাজমুল জান্নাত শাহ বলেন, ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে যাই। দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করি। মরদেহ দেখে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটা ২ থেকে ৩ দিন আগে মারা গেছে। মরদেহ ফুলে গেছে। আর বাড়ির রেজিস্টারে মেয়েটির ঠিকানা দেওয়া মাদারগঞ্জ। কিন্তু আমরা ঘরে তার জাতীয় পরিচয়পত্রে ভিন্ন ঠিকানা পেয়েছি। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।

জামালপুরে এক ভাড়া বাসা থেকে রিমা আক্তার নামের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে শহরের কাচারিপাড়া এলাকার মোহাম্মদ আলীর বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহত রিমা আক্তার মাদারগঞ্জ উপজেলার বালিজুড়ি এলাকার শহিদুল্লাহর মেয়ে এবং তিনি সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজে ইংরেজি বিভাগের অনার্সের শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রিমা আক্তার যে রুমে থাকতেন সেই রুমের দরজা ২ থেকে ৩ দিন যাবৎ বন্ধ ছিল। আজ সন্ধ্যা থেকে তার রুমের ভেতর থেকে দুর্গন্ধ আসছিল। বিষয়টি নিয়ে বাসার মালিকপক্ষ ও স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা জাতীয় জরুরি সেবা নাম্বার ৯৯৯ এ ফোন করে। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থল গিয়ে রুমের দরজার তালা ভেঙে ভেতরে যান। তারপর ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে রিমার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায়। পরে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়। তবে মৃত রিমার বাড়ি মাদারগঞ্জ নাকি ইসলামপুর উপজেলায় সেই বিষয় নিয়ে পুলিশের মাঝে সংশয় তৈরি হয়েছে। কারণ রিমা যে বাড়িতে ভাড়া থাকতো সেই বাড়ির রেজিস্টারে লেখা তার বাড়ি মাদারগঞ্জ উপজেলায়। কিন্তু পুলিশ তার ঘরে রিমার যে জাতীয় পরিচয়পত্রে পেয়েছে সেখানে তার বাড়ি ইসলামপুর উপজেলায় লেখা রয়েছে। কোনটি তার আসল ঠিকানা সেটা তদন্ত করে নিশ্চিত করা যাবে।
বাসায় মালিকের ছেলে জাহাঙ্গীর বলেন, আমি যতটুকু জানি, মেয়েটি আশেক মাহমুদ কলেজে ইংলিশ ডিপার্টমেন্টে পড়ে। এর বেশি আমি কিছু জানি না। মেয়ে মানুষ তো তাই বেশি খোঁজ খবর রাখিনি।
জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) নাজমুল জান্নাত শাহ বলেন, ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে যাই। দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করি। মরদেহ দেখে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটা ২ থেকে ৩ দিন আগে মারা গেছে। মরদেহ ফুলে গেছে। আর বাড়ির রেজিস্টারে মেয়েটির ঠিকানা দেওয়া মাদারগঞ্জ। কিন্তু আমরা ঘরে তার জাতীয় পরিচয়পত্রে ভিন্ন ঠিকানা পেয়েছি। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।

বদ্ধ ঘর থেকে দুর্গন্ধ, শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
জামালপুর সংবাদদাতা

জামালপুরে এক ভাড়া বাসা থেকে রিমা আক্তার নামের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে শহরের কাচারিপাড়া এলাকার মোহাম্মদ আলীর বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহত রিমা আক্তার মাদারগঞ্জ উপজেলার বালিজুড়ি এলাকার শহিদুল্লাহর মেয়ে এবং তিনি সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজে ইংরেজি বিভাগের অনার্সের শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রিমা আক্তার যে রুমে থাকতেন সেই রুমের দরজা ২ থেকে ৩ দিন যাবৎ বন্ধ ছিল। আজ সন্ধ্যা থেকে তার রুমের ভেতর থেকে দুর্গন্ধ আসছিল। বিষয়টি নিয়ে বাসার মালিকপক্ষ ও স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা জাতীয় জরুরি সেবা নাম্বার ৯৯৯ এ ফোন করে। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থল গিয়ে রুমের দরজার তালা ভেঙে ভেতরে যান। তারপর ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে রিমার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায়। পরে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়। তবে মৃত রিমার বাড়ি মাদারগঞ্জ নাকি ইসলামপুর উপজেলায় সেই বিষয় নিয়ে পুলিশের মাঝে সংশয় তৈরি হয়েছে। কারণ রিমা যে বাড়িতে ভাড়া থাকতো সেই বাড়ির রেজিস্টারে লেখা তার বাড়ি মাদারগঞ্জ উপজেলায়। কিন্তু পুলিশ তার ঘরে রিমার যে জাতীয় পরিচয়পত্রে পেয়েছে সেখানে তার বাড়ি ইসলামপুর উপজেলায় লেখা রয়েছে। কোনটি তার আসল ঠিকানা সেটা তদন্ত করে নিশ্চিত করা যাবে।
বাসায় মালিকের ছেলে জাহাঙ্গীর বলেন, আমি যতটুকু জানি, মেয়েটি আশেক মাহমুদ কলেজে ইংলিশ ডিপার্টমেন্টে পড়ে। এর বেশি আমি কিছু জানি না। মেয়ে মানুষ তো তাই বেশি খোঁজ খবর রাখিনি।
জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) নাজমুল জান্নাত শাহ বলেন, ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে যাই। দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করি। মরদেহ দেখে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটা ২ থেকে ৩ দিন আগে মারা গেছে। মরদেহ ফুলে গেছে। আর বাড়ির রেজিস্টারে মেয়েটির ঠিকানা দেওয়া মাদারগঞ্জ। কিন্তু আমরা ঘরে তার জাতীয় পরিচয়পত্রে ভিন্ন ঠিকানা পেয়েছি। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।









