হবিগঞ্জে ৩ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট

হবিগঞ্জে ৩ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট
হবিগঞ্জ সংবাদদাতা

মৌলভীবাজারে বাস আটক করে শ্রমিক হয়রানি, নির্যাতন করার প্রতিবাদে সর্বাত্মক পরিবহন ধর্মঘট পালনের ঘোষণা দিয়েছে হবিগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ। আগামী ৩ জুন ভোর ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য হবিগঞ্জ জেলায় এই ধর্মঘট চলবে। রবিবার (৩১ মে) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানিয়েছেন সমন্বয় পরিষদের সদস্য সচিব আবু মঈন চৌধুরী সোহেল।
হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, হবিগঞ্জ বাস মালিক সমিতির ৪৮টি বাস হবিগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার-শেরপুর-সিলেট রোডে ৫৩ বছর ধরে চলাচল করছে। কিন্তু ২০২৫ সালের অক্টোবরে মৌলভীবাজারের মালিক-শ্রমিকরা হবিগঞ্জের বাস চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, মৌলভীবাজারের মালিক-শ্রমিকরা শেরপুরে হবিগঞ্জের বাস পরিবহনগুলো আটক করে ভাঙচুর ও শ্রমিকদের বেধড়ক মারপিট করেন। এর ফলশ্রতিতে জাতীয় সংসদের হুইপ জিকে গউছ এ বিষয়টি সমাধানের জন্য হস্তক্ষেপ করেন। পরবর্তীতে তিনি উভয় পক্ষের সঙ্গে বসে বিরোধ নিষ্পত্তি করেন এবং পূর্বের ন্যায় বাস চলাচলের সিদ্ধান্ত দেন। কিন্তু গত ১০ মে হুইপ এর সিদ্ধান্ত অমান্য করে মৌলভীবাজারে মালিক-শ্রমিকরা হবিগঞ্জের বাস আটক করেন।
এতে আবারও দুই জেলার মালিক শ্রমিকদের মধ্যে নতুন করে সংঘাত সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে প্রশাসনের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হলেও সংকট নিরসন হয়নি। তাই অনির্দিষ্টকালের এ ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আবু মঈন চৌধুরী সোহেল বলেন, ধর্মঘট চলাকালে জেলা, বাস, মিনিবাস, কোচ, মাইক্রোবাস, ট্রাকসহ সংগঠনের আওতায় যত পরিবহন রয়েছে সব চলাচল বন্ধ থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপের সভাপতি ফজলুর রহমান, হবিগঞ্জ বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. সজিব আলী, ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি সিরাজ উদ্দিন খান প্রমুখ।

মৌলভীবাজারে বাস আটক করে শ্রমিক হয়রানি, নির্যাতন করার প্রতিবাদে সর্বাত্মক পরিবহন ধর্মঘট পালনের ঘোষণা দিয়েছে হবিগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ। আগামী ৩ জুন ভোর ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য হবিগঞ্জ জেলায় এই ধর্মঘট চলবে। রবিবার (৩১ মে) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানিয়েছেন সমন্বয় পরিষদের সদস্য সচিব আবু মঈন চৌধুরী সোহেল।
হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, হবিগঞ্জ বাস মালিক সমিতির ৪৮টি বাস হবিগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার-শেরপুর-সিলেট রোডে ৫৩ বছর ধরে চলাচল করছে। কিন্তু ২০২৫ সালের অক্টোবরে মৌলভীবাজারের মালিক-শ্রমিকরা হবিগঞ্জের বাস চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, মৌলভীবাজারের মালিক-শ্রমিকরা শেরপুরে হবিগঞ্জের বাস পরিবহনগুলো আটক করে ভাঙচুর ও শ্রমিকদের বেধড়ক মারপিট করেন। এর ফলশ্রতিতে জাতীয় সংসদের হুইপ জিকে গউছ এ বিষয়টি সমাধানের জন্য হস্তক্ষেপ করেন। পরবর্তীতে তিনি উভয় পক্ষের সঙ্গে বসে বিরোধ নিষ্পত্তি করেন এবং পূর্বের ন্যায় বাস চলাচলের সিদ্ধান্ত দেন। কিন্তু গত ১০ মে হুইপ এর সিদ্ধান্ত অমান্য করে মৌলভীবাজারে মালিক-শ্রমিকরা হবিগঞ্জের বাস আটক করেন।
এতে আবারও দুই জেলার মালিক শ্রমিকদের মধ্যে নতুন করে সংঘাত সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে প্রশাসনের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হলেও সংকট নিরসন হয়নি। তাই অনির্দিষ্টকালের এ ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আবু মঈন চৌধুরী সোহেল বলেন, ধর্মঘট চলাকালে জেলা, বাস, মিনিবাস, কোচ, মাইক্রোবাস, ট্রাকসহ সংগঠনের আওতায় যত পরিবহন রয়েছে সব চলাচল বন্ধ থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপের সভাপতি ফজলুর রহমান, হবিগঞ্জ বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. সজিব আলী, ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি সিরাজ উদ্দিন খান প্রমুখ।

হবিগঞ্জে ৩ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট
হবিগঞ্জ সংবাদদাতা

মৌলভীবাজারে বাস আটক করে শ্রমিক হয়রানি, নির্যাতন করার প্রতিবাদে সর্বাত্মক পরিবহন ধর্মঘট পালনের ঘোষণা দিয়েছে হবিগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ। আগামী ৩ জুন ভোর ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য হবিগঞ্জ জেলায় এই ধর্মঘট চলবে। রবিবার (৩১ মে) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানিয়েছেন সমন্বয় পরিষদের সদস্য সচিব আবু মঈন চৌধুরী সোহেল।
হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, হবিগঞ্জ বাস মালিক সমিতির ৪৮টি বাস হবিগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার-শেরপুর-সিলেট রোডে ৫৩ বছর ধরে চলাচল করছে। কিন্তু ২০২৫ সালের অক্টোবরে মৌলভীবাজারের মালিক-শ্রমিকরা হবিগঞ্জের বাস চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, মৌলভীবাজারের মালিক-শ্রমিকরা শেরপুরে হবিগঞ্জের বাস পরিবহনগুলো আটক করে ভাঙচুর ও শ্রমিকদের বেধড়ক মারপিট করেন। এর ফলশ্রতিতে জাতীয় সংসদের হুইপ জিকে গউছ এ বিষয়টি সমাধানের জন্য হস্তক্ষেপ করেন। পরবর্তীতে তিনি উভয় পক্ষের সঙ্গে বসে বিরোধ নিষ্পত্তি করেন এবং পূর্বের ন্যায় বাস চলাচলের সিদ্ধান্ত দেন। কিন্তু গত ১০ মে হুইপ এর সিদ্ধান্ত অমান্য করে মৌলভীবাজারে মালিক-শ্রমিকরা হবিগঞ্জের বাস আটক করেন।
এতে আবারও দুই জেলার মালিক শ্রমিকদের মধ্যে নতুন করে সংঘাত সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে প্রশাসনের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হলেও সংকট নিরসন হয়নি। তাই অনির্দিষ্টকালের এ ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আবু মঈন চৌধুরী সোহেল বলেন, ধর্মঘট চলাকালে জেলা, বাস, মিনিবাস, কোচ, মাইক্রোবাস, ট্রাকসহ সংগঠনের আওতায় যত পরিবহন রয়েছে সব চলাচল বন্ধ থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপের সভাপতি ফজলুর রহমান, হবিগঞ্জ বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. সজিব আলী, ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি সিরাজ উদ্দিন খান প্রমুখ।




