নির্বাচনে বিজয়ী হলে সবাই এর অংশীদার হবো: জামায়াত আমির

নির্বাচনে বিজয়ী হলে সবাই এর অংশীদার হবো: জামায়াত আমির
গাজীপুর সংবাদদাতা

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমি জামায়াতে ইসলামের বিজয় চাই না। আমি চাই দেশের ১৮ কোটি মানুষের বিজয়। নির্বাচনে ১৮ কোটি মানুষের বিজয় হলে এর অংশীদার হবো আমরা সবাই।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে গাজীপুরের রাজবাড়ী মাঠে জেলা ও মহানগর জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শ্রমিকদের অধিকার প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, গাজীপুর একটি শিল্প এলাকা। এই শিল্প এলাকায় কমপক্ষে ৪০ লাখ কর্মচারী-কর্মকর্তা কাজ করেন। কিন্তু তাদের জীবনে না আছে নিরাপত্তা, না আছে শৃঙ্খলা, না আছে তাদের একটু স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার কোনো অধিকার। ইনসাফের বাংলাদেশ যদি কায়েম হয়, তাহলে আপনাদের প্রতি বেইনসাফি করা হবে না। ইনশাআল্লাহ এই শিল্প এলাকাকে শিল্পের মতো করে সাজানো হবে।
তিনি বলেন, মায়েদেরকে সম্মান দেওয়া হয় না। পুরুষের এক ধরনের, নারীদের আরেক ধরনের বেতন, কাজ কিন্তু সমান। এই সমস্ত বৈষম্যকে আমরা সমান করে ফেলবো।
জামায়াত নেতা বলেন, গর্ভবতী অবস্থায় মায়েরা কাজ করবেন দৈনিক পাঁচ ঘণ্টা। বাকি তিন ঘণ্টা তার বাচ্চাকে সময় দেবেন। প্রথমে সরকারি, তারপরে বেসরকারিতে শুরু হবে। তিন ঘণ্টার বেতন সরকার দেবে। শিল্প এলাকায় পর্যাপ্ত ডে-কেয়ার সেন্টার নিশ্চিত করা হবে।
তিনি বলেন, আমরা সুশিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রত্যেকটি তরুণ-তরুণীর হাতকে দেশের কারিগরের হাত বানাব, ইনশাআল্লাহ। আগামী দিনের নেতৃত্ব তিনি যুব সমাজের হাতে তুলে দেওয়ারও অঙ্গীকার করেন।
জনগণকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি, ‘না’ মানে গোলামি। আজাদি না গোলামি? আজাদি।
বক্তব্যের শেষে জামায়াতের আমির ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দেন।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমি জামায়াতে ইসলামের বিজয় চাই না। আমি চাই দেশের ১৮ কোটি মানুষের বিজয়। নির্বাচনে ১৮ কোটি মানুষের বিজয় হলে এর অংশীদার হবো আমরা সবাই।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে গাজীপুরের রাজবাড়ী মাঠে জেলা ও মহানগর জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শ্রমিকদের অধিকার প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, গাজীপুর একটি শিল্প এলাকা। এই শিল্প এলাকায় কমপক্ষে ৪০ লাখ কর্মচারী-কর্মকর্তা কাজ করেন। কিন্তু তাদের জীবনে না আছে নিরাপত্তা, না আছে শৃঙ্খলা, না আছে তাদের একটু স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার কোনো অধিকার। ইনসাফের বাংলাদেশ যদি কায়েম হয়, তাহলে আপনাদের প্রতি বেইনসাফি করা হবে না। ইনশাআল্লাহ এই শিল্প এলাকাকে শিল্পের মতো করে সাজানো হবে।
তিনি বলেন, মায়েদেরকে সম্মান দেওয়া হয় না। পুরুষের এক ধরনের, নারীদের আরেক ধরনের বেতন, কাজ কিন্তু সমান। এই সমস্ত বৈষম্যকে আমরা সমান করে ফেলবো।
জামায়াত নেতা বলেন, গর্ভবতী অবস্থায় মায়েরা কাজ করবেন দৈনিক পাঁচ ঘণ্টা। বাকি তিন ঘণ্টা তার বাচ্চাকে সময় দেবেন। প্রথমে সরকারি, তারপরে বেসরকারিতে শুরু হবে। তিন ঘণ্টার বেতন সরকার দেবে। শিল্প এলাকায় পর্যাপ্ত ডে-কেয়ার সেন্টার নিশ্চিত করা হবে।
তিনি বলেন, আমরা সুশিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রত্যেকটি তরুণ-তরুণীর হাতকে দেশের কারিগরের হাত বানাব, ইনশাআল্লাহ। আগামী দিনের নেতৃত্ব তিনি যুব সমাজের হাতে তুলে দেওয়ারও অঙ্গীকার করেন।
জনগণকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি, ‘না’ মানে গোলামি। আজাদি না গোলামি? আজাদি।
বক্তব্যের শেষে জামায়াতের আমির ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দেন।

নির্বাচনে বিজয়ী হলে সবাই এর অংশীদার হবো: জামায়াত আমির
গাজীপুর সংবাদদাতা

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমি জামায়াতে ইসলামের বিজয় চাই না। আমি চাই দেশের ১৮ কোটি মানুষের বিজয়। নির্বাচনে ১৮ কোটি মানুষের বিজয় হলে এর অংশীদার হবো আমরা সবাই।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে গাজীপুরের রাজবাড়ী মাঠে জেলা ও মহানগর জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শ্রমিকদের অধিকার প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, গাজীপুর একটি শিল্প এলাকা। এই শিল্প এলাকায় কমপক্ষে ৪০ লাখ কর্মচারী-কর্মকর্তা কাজ করেন। কিন্তু তাদের জীবনে না আছে নিরাপত্তা, না আছে শৃঙ্খলা, না আছে তাদের একটু স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার কোনো অধিকার। ইনসাফের বাংলাদেশ যদি কায়েম হয়, তাহলে আপনাদের প্রতি বেইনসাফি করা হবে না। ইনশাআল্লাহ এই শিল্প এলাকাকে শিল্পের মতো করে সাজানো হবে।
তিনি বলেন, মায়েদেরকে সম্মান দেওয়া হয় না। পুরুষের এক ধরনের, নারীদের আরেক ধরনের বেতন, কাজ কিন্তু সমান। এই সমস্ত বৈষম্যকে আমরা সমান করে ফেলবো।
জামায়াত নেতা বলেন, গর্ভবতী অবস্থায় মায়েরা কাজ করবেন দৈনিক পাঁচ ঘণ্টা। বাকি তিন ঘণ্টা তার বাচ্চাকে সময় দেবেন। প্রথমে সরকারি, তারপরে বেসরকারিতে শুরু হবে। তিন ঘণ্টার বেতন সরকার দেবে। শিল্প এলাকায় পর্যাপ্ত ডে-কেয়ার সেন্টার নিশ্চিত করা হবে।
তিনি বলেন, আমরা সুশিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রত্যেকটি তরুণ-তরুণীর হাতকে দেশের কারিগরের হাত বানাব, ইনশাআল্লাহ। আগামী দিনের নেতৃত্ব তিনি যুব সমাজের হাতে তুলে দেওয়ারও অঙ্গীকার করেন।
জনগণকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি, ‘না’ মানে গোলামি। আজাদি না গোলামি? আজাদি।
বক্তব্যের শেষে জামায়াতের আমির ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দেন।




