নুসরাত হত্যা মামলা: কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন ৮ জন

নুসরাত হত্যা মামলা: কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন ৮ জন
গাজীপুর সংবাদদাতা

ফেনীর মাদরাসাশিক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় খালাসের আদেশ পাওয়া ৮জন গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি ও মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিট থেকে পর্যায়ক্রমে বের হন তারা।
মুক্তিপ্রাপ্তরা হলেন- মো. শামীম, হাফেজ আব্দুল কাদের, মহিউদ্দিন শাকিল, আফসার উদ্দিন, ইমরান হোসেন মামুন, ইফতেখার উদ্দিন রানা, আব্দুর রহিম শরীফ এবং কামরুন্নাহার মনি। এ সময় কামরুন্নাহার মনির সঙ্গে তার ৭ বছরের মেয়ে মোবাশ্বেরা খানম রাথীও বের হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মো. জাকির হোসেন বলেন, মুক্তির যাবতীয় কাগজপত্র কারাগারে এসে পৌঁছালে তা যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের পর্যায়ক্রমে মুক্তি দেওয়া হয়।
ইফতেখারের মা হাজেরা বেগম বলেন, আমার ছেলেকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছিলো। আল্লাহর কাছে লাখো-কোটি শুকরিয়া, আমার ছেলেকে বুকে ফিরে পেয়েছি। এমনভাবে যেন আর কোনো মায়ের সন্তান মিথ্যা মামলায় কারাবাস না করে।
উল্লেখ্য, নুসরাত হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামির মধ্যে ১০ জনকে খালাস এবং চারজনের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। অপর দুই আসামি সিরাজ উদদৌলা ও শাহাদাত হোসেন শামীমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে।

ফেনীর মাদরাসাশিক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় খালাসের আদেশ পাওয়া ৮জন গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি ও মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিট থেকে পর্যায়ক্রমে বের হন তারা।
মুক্তিপ্রাপ্তরা হলেন- মো. শামীম, হাফেজ আব্দুল কাদের, মহিউদ্দিন শাকিল, আফসার উদ্দিন, ইমরান হোসেন মামুন, ইফতেখার উদ্দিন রানা, আব্দুর রহিম শরীফ এবং কামরুন্নাহার মনি। এ সময় কামরুন্নাহার মনির সঙ্গে তার ৭ বছরের মেয়ে মোবাশ্বেরা খানম রাথীও বের হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মো. জাকির হোসেন বলেন, মুক্তির যাবতীয় কাগজপত্র কারাগারে এসে পৌঁছালে তা যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের পর্যায়ক্রমে মুক্তি দেওয়া হয়।
ইফতেখারের মা হাজেরা বেগম বলেন, আমার ছেলেকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছিলো। আল্লাহর কাছে লাখো-কোটি শুকরিয়া, আমার ছেলেকে বুকে ফিরে পেয়েছি। এমনভাবে যেন আর কোনো মায়ের সন্তান মিথ্যা মামলায় কারাবাস না করে।
উল্লেখ্য, নুসরাত হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামির মধ্যে ১০ জনকে খালাস এবং চারজনের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। অপর দুই আসামি সিরাজ উদদৌলা ও শাহাদাত হোসেন শামীমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে।

নুসরাত হত্যা মামলা: কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন ৮ জন
গাজীপুর সংবাদদাতা

ফেনীর মাদরাসাশিক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় খালাসের আদেশ পাওয়া ৮জন গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি ও মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিট থেকে পর্যায়ক্রমে বের হন তারা।
মুক্তিপ্রাপ্তরা হলেন- মো. শামীম, হাফেজ আব্দুল কাদের, মহিউদ্দিন শাকিল, আফসার উদ্দিন, ইমরান হোসেন মামুন, ইফতেখার উদ্দিন রানা, আব্দুর রহিম শরীফ এবং কামরুন্নাহার মনি। এ সময় কামরুন্নাহার মনির সঙ্গে তার ৭ বছরের মেয়ে মোবাশ্বেরা খানম রাথীও বের হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মো. জাকির হোসেন বলেন, মুক্তির যাবতীয় কাগজপত্র কারাগারে এসে পৌঁছালে তা যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের পর্যায়ক্রমে মুক্তি দেওয়া হয়।
ইফতেখারের মা হাজেরা বেগম বলেন, আমার ছেলেকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছিলো। আল্লাহর কাছে লাখো-কোটি শুকরিয়া, আমার ছেলেকে বুকে ফিরে পেয়েছি। এমনভাবে যেন আর কোনো মায়ের সন্তান মিথ্যা মামলায় কারাবাস না করে।
উল্লেখ্য, নুসরাত হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামির মধ্যে ১০ জনকে খালাস এবং চারজনের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। অপর দুই আসামি সিরাজ উদদৌলা ও শাহাদাত হোসেন শামীমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে।

নুসরাত হত্যায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৪ জনের যাবজ্জীবন







