পুলিশের হাতে আটক ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু

পুলিশের হাতে আটক ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু
ফরিদপুর সংবাদদাতা

ফরিদপুর ডিবি পুলিশের হেফাজতে এক ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। রবিবার (২১ জুন) সকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই নেতার মৃত্যু হয়।
নিহত যুবকের নাম মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্ত। সে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার পৌর এলাকার গোন্দারদিয়া গ্রামের মির্জা ইসকান্দার হায়দারের পুত্র এবং ফরিদপুর আইন কলেজের ছাত্র। সে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন বলে জানা গেছে।
নিহতের পরিবার জানায়, শনিবার বিকালে প্রান্তকে তার বাড়ির কাছ থেকে ফরিদপুর ডিবি পুলিশের একটি দল আটক করে। এ সময় তার কাছে মাদক ছিল জানিয়ে ডিবি পুলিশ তাকে ফরিদপুরে নিয়ে আসে। সকালে পুলিশের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুর খবর জানানো হয় পরিবারকে।
নিহতের মা মির্জা খাদিজা আক্তার নিপার অভিযোগ, ধরার সময়ই প্রান্তকে বেধড়ক মারপিট করা হয়। এতে প্রান্ত অসুস্থ হয়ে পড়ে। তারপর সে বিনা চিকিৎসায় মারা যায়।
তিনি বলেন, আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমি সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচার দাবি করছি।
ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম জানান, পুলিশ মাদকসহ প্রান্তকে আটক করে নিয়ে আসে। সকালে অসুস্থতা বোধ করলে দ্রুত তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার মৃত্যু হয়।
এ সময় তিনি আরও জানান, তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন নেই। তবে সে কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী কি না সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ফরিদপুর ডিবি পুলিশের হেফাজতে এক ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। রবিবার (২১ জুন) সকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই নেতার মৃত্যু হয়।
নিহত যুবকের নাম মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্ত। সে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার পৌর এলাকার গোন্দারদিয়া গ্রামের মির্জা ইসকান্দার হায়দারের পুত্র এবং ফরিদপুর আইন কলেজের ছাত্র। সে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন বলে জানা গেছে।
নিহতের পরিবার জানায়, শনিবার বিকালে প্রান্তকে তার বাড়ির কাছ থেকে ফরিদপুর ডিবি পুলিশের একটি দল আটক করে। এ সময় তার কাছে মাদক ছিল জানিয়ে ডিবি পুলিশ তাকে ফরিদপুরে নিয়ে আসে। সকালে পুলিশের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুর খবর জানানো হয় পরিবারকে।
নিহতের মা মির্জা খাদিজা আক্তার নিপার অভিযোগ, ধরার সময়ই প্রান্তকে বেধড়ক মারপিট করা হয়। এতে প্রান্ত অসুস্থ হয়ে পড়ে। তারপর সে বিনা চিকিৎসায় মারা যায়।
তিনি বলেন, আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমি সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচার দাবি করছি।
ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম জানান, পুলিশ মাদকসহ প্রান্তকে আটক করে নিয়ে আসে। সকালে অসুস্থতা বোধ করলে দ্রুত তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার মৃত্যু হয়।
এ সময় তিনি আরও জানান, তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন নেই। তবে সে কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী কি না সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশের হাতে আটক ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু
ফরিদপুর সংবাদদাতা

ফরিদপুর ডিবি পুলিশের হেফাজতে এক ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। রবিবার (২১ জুন) সকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই নেতার মৃত্যু হয়।
নিহত যুবকের নাম মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্ত। সে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার পৌর এলাকার গোন্দারদিয়া গ্রামের মির্জা ইসকান্দার হায়দারের পুত্র এবং ফরিদপুর আইন কলেজের ছাত্র। সে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন বলে জানা গেছে।
নিহতের পরিবার জানায়, শনিবার বিকালে প্রান্তকে তার বাড়ির কাছ থেকে ফরিদপুর ডিবি পুলিশের একটি দল আটক করে। এ সময় তার কাছে মাদক ছিল জানিয়ে ডিবি পুলিশ তাকে ফরিদপুরে নিয়ে আসে। সকালে পুলিশের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুর খবর জানানো হয় পরিবারকে।
নিহতের মা মির্জা খাদিজা আক্তার নিপার অভিযোগ, ধরার সময়ই প্রান্তকে বেধড়ক মারপিট করা হয়। এতে প্রান্ত অসুস্থ হয়ে পড়ে। তারপর সে বিনা চিকিৎসায় মারা যায়।
তিনি বলেন, আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমি সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচার দাবি করছি।
ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম জানান, পুলিশ মাদকসহ প্রান্তকে আটক করে নিয়ে আসে। সকালে অসুস্থতা বোধ করলে দ্রুত তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার মৃত্যু হয়।
এ সময় তিনি আরও জানান, তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন নেই। তবে সে কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী কি না সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।




