আশ্রয়ণের মাটিচাপা ঘর আগের অবস্থায় ফিরেছে

আশ্রয়ণের মাটিচাপা ঘর আগের অবস্থায় ফিরেছে
খুলনা সংবাদদাতা

খুলনার ডুমুরিয়ার বরাতিয়া গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলোর পাশে ফেলে রাখা নদী খননের মাটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলো মেরামতের কাজও শুরু হয়েছে।
ভদ্রা নদীর তীরঘেঁষে নির্মিত এই আশ্রয়ণ প্রকল্পে ২০২১ সালে ভূমিহীন ও বাস্তুচ্যুত ৪৮টি পরিবারের পুনর্বাসন করা হয়। সম্প্রতি নদী খননের সময় ঘরগুলোর দেয়ালের সমান উঁচু করে মাটি ফেলা হয়। এতে কয়েকটি ঘরের দেয়ালে ফাটল দেখা দেয়। অনেক পরিবারের রান্নাঘর ও শৌচাগারে যাতায়াতের পথও বন্ধ হয়ে যায়।
শনিবার সরেজমিনে দেখা যায়, ঘরগুলোর পাশ থেকে বেশির ভাগ মাটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফলে বাসিন্দারা আবার স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছেন। রান্নাঘর ও শৌচাগার ব্যবহারের পথও খুলে গেছে।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা জানান, গত কয়েক দিনে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

ভবদহ অঞ্চলের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন এবং ৮১ কিলোমিটার এলাকায় পানিপ্রবাহ উন্নত করতে ১৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে ভদ্রা নদী খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড এ কাজ করছে।
পাউবোর যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জি বলেন, গত ১৩ জুন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা ঘরগুলোর পাশে মাটি ফেলেছিলেন। পরদিন বিষয়টি জানতে পারে পাউবো।

তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলোর পাশের সব মাটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ১৫টি ঘর মেরামত করা হয়েছে। ভবিষ্যতে নদী খননের সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের যেন এমন দুর্ভোগে পড়তে না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে মাটি ফেলে রাখার দুর্ভোগ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর গত ১৮ জুন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও পাউবো একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।
পাউবোর অতিরিক্ত মহাপরিচালককে (পশ্চিমাঞ্চল) প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়। উভয় সংস্থার কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত এই কমিটিকে সরেজমিন তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

খুলনার ডুমুরিয়ার বরাতিয়া গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলোর পাশে ফেলে রাখা নদী খননের মাটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলো মেরামতের কাজও শুরু হয়েছে।
ভদ্রা নদীর তীরঘেঁষে নির্মিত এই আশ্রয়ণ প্রকল্পে ২০২১ সালে ভূমিহীন ও বাস্তুচ্যুত ৪৮টি পরিবারের পুনর্বাসন করা হয়। সম্প্রতি নদী খননের সময় ঘরগুলোর দেয়ালের সমান উঁচু করে মাটি ফেলা হয়। এতে কয়েকটি ঘরের দেয়ালে ফাটল দেখা দেয়। অনেক পরিবারের রান্নাঘর ও শৌচাগারে যাতায়াতের পথও বন্ধ হয়ে যায়।
শনিবার সরেজমিনে দেখা যায়, ঘরগুলোর পাশ থেকে বেশির ভাগ মাটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফলে বাসিন্দারা আবার স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছেন। রান্নাঘর ও শৌচাগার ব্যবহারের পথও খুলে গেছে।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা জানান, গত কয়েক দিনে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

ভবদহ অঞ্চলের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন এবং ৮১ কিলোমিটার এলাকায় পানিপ্রবাহ উন্নত করতে ১৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে ভদ্রা নদী খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড এ কাজ করছে।
পাউবোর যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জি বলেন, গত ১৩ জুন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা ঘরগুলোর পাশে মাটি ফেলেছিলেন। পরদিন বিষয়টি জানতে পারে পাউবো।

তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলোর পাশের সব মাটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ১৫টি ঘর মেরামত করা হয়েছে। ভবিষ্যতে নদী খননের সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের যেন এমন দুর্ভোগে পড়তে না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে মাটি ফেলে রাখার দুর্ভোগ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর গত ১৮ জুন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও পাউবো একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।
পাউবোর অতিরিক্ত মহাপরিচালককে (পশ্চিমাঞ্চল) প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়। উভয় সংস্থার কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত এই কমিটিকে সরেজমিন তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আশ্রয়ণের মাটিচাপা ঘর আগের অবস্থায় ফিরেছে
খুলনা সংবাদদাতা

খুলনার ডুমুরিয়ার বরাতিয়া গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলোর পাশে ফেলে রাখা নদী খননের মাটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলো মেরামতের কাজও শুরু হয়েছে।
ভদ্রা নদীর তীরঘেঁষে নির্মিত এই আশ্রয়ণ প্রকল্পে ২০২১ সালে ভূমিহীন ও বাস্তুচ্যুত ৪৮টি পরিবারের পুনর্বাসন করা হয়। সম্প্রতি নদী খননের সময় ঘরগুলোর দেয়ালের সমান উঁচু করে মাটি ফেলা হয়। এতে কয়েকটি ঘরের দেয়ালে ফাটল দেখা দেয়। অনেক পরিবারের রান্নাঘর ও শৌচাগারে যাতায়াতের পথও বন্ধ হয়ে যায়।
শনিবার সরেজমিনে দেখা যায়, ঘরগুলোর পাশ থেকে বেশির ভাগ মাটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফলে বাসিন্দারা আবার স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছেন। রান্নাঘর ও শৌচাগার ব্যবহারের পথও খুলে গেছে।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা জানান, গত কয়েক দিনে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

ভবদহ অঞ্চলের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন এবং ৮১ কিলোমিটার এলাকায় পানিপ্রবাহ উন্নত করতে ১৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে ভদ্রা নদী খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড এ কাজ করছে।
পাউবোর যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জি বলেন, গত ১৩ জুন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা ঘরগুলোর পাশে মাটি ফেলেছিলেন। পরদিন বিষয়টি জানতে পারে পাউবো।

তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলোর পাশের সব মাটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ১৫টি ঘর মেরামত করা হয়েছে। ভবিষ্যতে নদী খননের সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের যেন এমন দুর্ভোগে পড়তে না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে মাটি ফেলে রাখার দুর্ভোগ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর গত ১৮ জুন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও পাউবো একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।
পাউবোর অতিরিক্ত মহাপরিচালককে (পশ্চিমাঞ্চল) প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়। উভয় সংস্থার কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত এই কমিটিকে সরেজমিন তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।



