ফরিদপুরে মাকে হত্যার অভিযোগে ছেলেকে খুঁজছে পুলিশ

ফরিদপুরে মাকে হত্যার অভিযোগে ছেলেকে খুঁজছে পুলিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুর শহরে মাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলে রাহিম শেখের (৩২) বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুর পৌরসভার ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুর রহমান মোল্লারডাঙ্গী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ছেলে পলাতক রয়েছে।
নিহত মায়ের নাম সামেলা বেগম। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা মুদি ব্যবসায়ী মৃত আকবর শেখের স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে এলাকাবাসী সামেলা বেগমের মৃতদেহ বাড়ির অঙ্গিনায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে ফরিদপুর কোতয়ালী থানার পুলিশ এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সামেলা বেগমকে তার ছেলে ভারি কোনো বস্তু দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করে।
স্থানীয় বাসিন্দা সুমন শেখ জানান, রাহিম শেখ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং ইয়াবার টাকার জন্য প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বিরোধে জড়াতেন। ঘটনার পেছনে নেশার টাকার বিরোধই কারণ হতে পারে এ হত্যাকাণ্ড বলে তিনি জানান।
এলাকাবাসী জানায়, ২০১৬ সালে রাহিম শেখ তার সৎ মাকেও একইভাবে হত্যা করেছিলেন। এজন্য তাকে বেশ কয়েক বছর জেলে থাকতে হয়।
ফরিদপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ আলাওল হোসেন বলেন, আমরা দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাই।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুর কোতয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুকান্ত দত্ত জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ওই নারীকে মাথায় আঘাতের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে হত্যার প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। প্রতিবেশীদের দাবি, নিহতের ছেলে রাহিম শেখ নেশাগ্রস্ত ছিল। এ জন্য তিনি মানসিক কারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন। তার ঘর তল্লাশি করে সিগারেটের প্যাকেট, ফয়েল পেপার, মোমবাতিসহ মাদকদ্রব্য সেবনের বিভিন্ন সামগ্রী পাওয়া গেছে।
তিনি আরও বলেন, অভিযুক্ত রহিম শেখকে ধরার জন্য অভিযান চলছে। পাশাপাশি মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ফরিদপুর শহরে মাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলে রাহিম শেখের (৩২) বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুর পৌরসভার ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুর রহমান মোল্লারডাঙ্গী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ছেলে পলাতক রয়েছে।
নিহত মায়ের নাম সামেলা বেগম। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা মুদি ব্যবসায়ী মৃত আকবর শেখের স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে এলাকাবাসী সামেলা বেগমের মৃতদেহ বাড়ির অঙ্গিনায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে ফরিদপুর কোতয়ালী থানার পুলিশ এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সামেলা বেগমকে তার ছেলে ভারি কোনো বস্তু দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করে।
স্থানীয় বাসিন্দা সুমন শেখ জানান, রাহিম শেখ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং ইয়াবার টাকার জন্য প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বিরোধে জড়াতেন। ঘটনার পেছনে নেশার টাকার বিরোধই কারণ হতে পারে এ হত্যাকাণ্ড বলে তিনি জানান।
এলাকাবাসী জানায়, ২০১৬ সালে রাহিম শেখ তার সৎ মাকেও একইভাবে হত্যা করেছিলেন। এজন্য তাকে বেশ কয়েক বছর জেলে থাকতে হয়।
ফরিদপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ আলাওল হোসেন বলেন, আমরা দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাই।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুর কোতয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুকান্ত দত্ত জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ওই নারীকে মাথায় আঘাতের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে হত্যার প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। প্রতিবেশীদের দাবি, নিহতের ছেলে রাহিম শেখ নেশাগ্রস্ত ছিল। এ জন্য তিনি মানসিক কারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন। তার ঘর তল্লাশি করে সিগারেটের প্যাকেট, ফয়েল পেপার, মোমবাতিসহ মাদকদ্রব্য সেবনের বিভিন্ন সামগ্রী পাওয়া গেছে।
তিনি আরও বলেন, অভিযুক্ত রহিম শেখকে ধরার জন্য অভিযান চলছে। পাশাপাশি মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ফরিদপুরে মাকে হত্যার অভিযোগে ছেলেকে খুঁজছে পুলিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুর শহরে মাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলে রাহিম শেখের (৩২) বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুর পৌরসভার ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুর রহমান মোল্লারডাঙ্গী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ছেলে পলাতক রয়েছে।
নিহত মায়ের নাম সামেলা বেগম। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা মুদি ব্যবসায়ী মৃত আকবর শেখের স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে এলাকাবাসী সামেলা বেগমের মৃতদেহ বাড়ির অঙ্গিনায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে ফরিদপুর কোতয়ালী থানার পুলিশ এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সামেলা বেগমকে তার ছেলে ভারি কোনো বস্তু দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করে।
স্থানীয় বাসিন্দা সুমন শেখ জানান, রাহিম শেখ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং ইয়াবার টাকার জন্য প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বিরোধে জড়াতেন। ঘটনার পেছনে নেশার টাকার বিরোধই কারণ হতে পারে এ হত্যাকাণ্ড বলে তিনি জানান।
এলাকাবাসী জানায়, ২০১৬ সালে রাহিম শেখ তার সৎ মাকেও একইভাবে হত্যা করেছিলেন। এজন্য তাকে বেশ কয়েক বছর জেলে থাকতে হয়।
ফরিদপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ আলাওল হোসেন বলেন, আমরা দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাই।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুর কোতয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুকান্ত দত্ত জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ওই নারীকে মাথায় আঘাতের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে হত্যার প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। প্রতিবেশীদের দাবি, নিহতের ছেলে রাহিম শেখ নেশাগ্রস্ত ছিল। এ জন্য তিনি মানসিক কারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন। তার ঘর তল্লাশি করে সিগারেটের প্যাকেট, ফয়েল পেপার, মোমবাতিসহ মাদকদ্রব্য সেবনের বিভিন্ন সামগ্রী পাওয়া গেছে।
তিনি আরও বলেন, অভিযুক্ত রহিম শেখকে ধরার জন্য অভিযান চলছে। পাশাপাশি মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ওয়ার্ড কাউন্সিলর হওয়ার ইচ্ছাপোষণে হত্যার নীল নকশার অভিযোগ 







