রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমা প্রাণ হারালেন বাসডুবিতে

রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমা প্রাণ হারালেন বাসডুবিতে
দিনাজপুর সংবাদদাতা

রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় তিনদিন ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে জীবিত উদ্ধার হয়েছিলেন নাসিমা বেগম। কিন্তু গত বুধবার (২৫ মার্চ) রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় বাসডুবিতে তিনি প্রাণ হারান। শুক্রবার (২৭ মার্চ) বাদ জুমা পারিবারিক গোরস্তানে তার মরদেহ দাফন করা হয়েছে।
নাসিমার মৃত্যুতে দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার মধ্য আটরাই গ্রামের বাড়িতে বিরাজ করছে শোকের ছায়া। তিনি ওই গ্রামের মৃত নুর ইসলামের স্ত্রী।
২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় দিনাজপুরে যে কয়েকজন নারী বেঁচে ফিরেছিলেন তাদের মধ্যে তিনটি আলোচিত নাম হচ্ছে ঘোড়াঘাটের রেশমা বেগম, পার্বতীপুরের নাসিমা বেগম এবং ফুলবাড়ীর রেবেকা সুলতানা। রানা প্লাজা দুর্ঘটনার তিনদিন পর, ২৬ এপ্রিল ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার হয়েছিলেন তারা। তবে এবার পদ্মার বাস দুর্ঘটনায় ভাগ্য সহায় হলো না নাসিমা বেগমের। দুর্ঘটনার ৬ ঘণ্টার মধ্যে পদ্মা থেকে উদ্ধার হয় তার নিথর দেহ।
জানা গেছে, কাজের সন্ধানে ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সাভারে ভাগনি আজমিরা খাতুনের বাড়িতে যান নাসিমা বেগম। সেখানে দীর্ঘ এক মাস চেষ্টার পরও কোনো কাজ পাননি। পরে পার্বতীপুরে বাড়ি ফিরতে চাইলে ভাগনির অনুরোধে ঈদ উপলক্ষে তিনি আজমিরার শ্বশুরবাড়ি ফরিদপুরে যান।
ঈদ শেষে বুধবার (২৫ মার্চ) বিকালে নাসিমা, তার ভাগনি আজমিরা খাতুন, ভাগনির স্বামী আব্দুল আজিজ আজাদ ও চার বছরের শিশু আব্দুর রহমান বাসে ঢাকায় ফিরছিলেন। সেই বাসটি রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ফেরিতে ওঠার সময় পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। এ দুর্ঘটনায় তারা সবাই ডুবে যান। পরে আব্দুল আজিজ জীবিত উদ্ধার হলেও রাত সাড়ে ১১টার দিকে নাসিমাসহ বাকি তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এদিকে স্বজনরা অ্যাম্বুলেন্সে করে নিহতদের মরদেহ নিয়ে বাড়ির পথে রওনা দিলে কুষ্টিয়া এলাকায় লাশবাহী গাড়িটি আবারও দুর্ঘটনার শিকার হয় বলে জানান নাসিমার চাচাতো ভাই জুলফিকার আলী ভুট্টু। পরে শুক্রবার জুমার নামাজের পর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়।
পারিবারিক সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা দুর্ঘটনার সময় সেখানে কর্মরত ছিলেন নাসিমা বেগম। ভবনের ধ্বংসস্তূপের আটকে থাকার পর ২৬ এপ্রিল অলৌকিকভাবে জীবিত উদ্ধার হন। এরপর তিনি গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে তিনি আবারও ঢাকায় গিয়েছিলেন।
পার্বতীপুর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওয়াদুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদ্দাম হোসেন বলেন, নিহত নাসিমার বাড়িতে গিয়ে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নগদ ২৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় তিনদিন ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে জীবিত উদ্ধার হয়েছিলেন নাসিমা বেগম। কিন্তু গত বুধবার (২৫ মার্চ) রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় বাসডুবিতে তিনি প্রাণ হারান। শুক্রবার (২৭ মার্চ) বাদ জুমা পারিবারিক গোরস্তানে তার মরদেহ দাফন করা হয়েছে।
নাসিমার মৃত্যুতে দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার মধ্য আটরাই গ্রামের বাড়িতে বিরাজ করছে শোকের ছায়া। তিনি ওই গ্রামের মৃত নুর ইসলামের স্ত্রী।
২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় দিনাজপুরে যে কয়েকজন নারী বেঁচে ফিরেছিলেন তাদের মধ্যে তিনটি আলোচিত নাম হচ্ছে ঘোড়াঘাটের রেশমা বেগম, পার্বতীপুরের নাসিমা বেগম এবং ফুলবাড়ীর রেবেকা সুলতানা। রানা প্লাজা দুর্ঘটনার তিনদিন পর, ২৬ এপ্রিল ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার হয়েছিলেন তারা। তবে এবার পদ্মার বাস দুর্ঘটনায় ভাগ্য সহায় হলো না নাসিমা বেগমের। দুর্ঘটনার ৬ ঘণ্টার মধ্যে পদ্মা থেকে উদ্ধার হয় তার নিথর দেহ।
জানা গেছে, কাজের সন্ধানে ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সাভারে ভাগনি আজমিরা খাতুনের বাড়িতে যান নাসিমা বেগম। সেখানে দীর্ঘ এক মাস চেষ্টার পরও কোনো কাজ পাননি। পরে পার্বতীপুরে বাড়ি ফিরতে চাইলে ভাগনির অনুরোধে ঈদ উপলক্ষে তিনি আজমিরার শ্বশুরবাড়ি ফরিদপুরে যান।
ঈদ শেষে বুধবার (২৫ মার্চ) বিকালে নাসিমা, তার ভাগনি আজমিরা খাতুন, ভাগনির স্বামী আব্দুল আজিজ আজাদ ও চার বছরের শিশু আব্দুর রহমান বাসে ঢাকায় ফিরছিলেন। সেই বাসটি রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ফেরিতে ওঠার সময় পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। এ দুর্ঘটনায় তারা সবাই ডুবে যান। পরে আব্দুল আজিজ জীবিত উদ্ধার হলেও রাত সাড়ে ১১টার দিকে নাসিমাসহ বাকি তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এদিকে স্বজনরা অ্যাম্বুলেন্সে করে নিহতদের মরদেহ নিয়ে বাড়ির পথে রওনা দিলে কুষ্টিয়া এলাকায় লাশবাহী গাড়িটি আবারও দুর্ঘটনার শিকার হয় বলে জানান নাসিমার চাচাতো ভাই জুলফিকার আলী ভুট্টু। পরে শুক্রবার জুমার নামাজের পর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়।
পারিবারিক সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা দুর্ঘটনার সময় সেখানে কর্মরত ছিলেন নাসিমা বেগম। ভবনের ধ্বংসস্তূপের আটকে থাকার পর ২৬ এপ্রিল অলৌকিকভাবে জীবিত উদ্ধার হন। এরপর তিনি গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে তিনি আবারও ঢাকায় গিয়েছিলেন।
পার্বতীপুর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওয়াদুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদ্দাম হোসেন বলেন, নিহত নাসিমার বাড়িতে গিয়ে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নগদ ২৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমা প্রাণ হারালেন বাসডুবিতে
দিনাজপুর সংবাদদাতা

রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় তিনদিন ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে জীবিত উদ্ধার হয়েছিলেন নাসিমা বেগম। কিন্তু গত বুধবার (২৫ মার্চ) রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় বাসডুবিতে তিনি প্রাণ হারান। শুক্রবার (২৭ মার্চ) বাদ জুমা পারিবারিক গোরস্তানে তার মরদেহ দাফন করা হয়েছে।
নাসিমার মৃত্যুতে দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার মধ্য আটরাই গ্রামের বাড়িতে বিরাজ করছে শোকের ছায়া। তিনি ওই গ্রামের মৃত নুর ইসলামের স্ত্রী।
২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় দিনাজপুরে যে কয়েকজন নারী বেঁচে ফিরেছিলেন তাদের মধ্যে তিনটি আলোচিত নাম হচ্ছে ঘোড়াঘাটের রেশমা বেগম, পার্বতীপুরের নাসিমা বেগম এবং ফুলবাড়ীর রেবেকা সুলতানা। রানা প্লাজা দুর্ঘটনার তিনদিন পর, ২৬ এপ্রিল ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার হয়েছিলেন তারা। তবে এবার পদ্মার বাস দুর্ঘটনায় ভাগ্য সহায় হলো না নাসিমা বেগমের। দুর্ঘটনার ৬ ঘণ্টার মধ্যে পদ্মা থেকে উদ্ধার হয় তার নিথর দেহ।
জানা গেছে, কাজের সন্ধানে ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সাভারে ভাগনি আজমিরা খাতুনের বাড়িতে যান নাসিমা বেগম। সেখানে দীর্ঘ এক মাস চেষ্টার পরও কোনো কাজ পাননি। পরে পার্বতীপুরে বাড়ি ফিরতে চাইলে ভাগনির অনুরোধে ঈদ উপলক্ষে তিনি আজমিরার শ্বশুরবাড়ি ফরিদপুরে যান।
ঈদ শেষে বুধবার (২৫ মার্চ) বিকালে নাসিমা, তার ভাগনি আজমিরা খাতুন, ভাগনির স্বামী আব্দুল আজিজ আজাদ ও চার বছরের শিশু আব্দুর রহমান বাসে ঢাকায় ফিরছিলেন। সেই বাসটি রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ফেরিতে ওঠার সময় পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। এ দুর্ঘটনায় তারা সবাই ডুবে যান। পরে আব্দুল আজিজ জীবিত উদ্ধার হলেও রাত সাড়ে ১১টার দিকে নাসিমাসহ বাকি তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এদিকে স্বজনরা অ্যাম্বুলেন্সে করে নিহতদের মরদেহ নিয়ে বাড়ির পথে রওনা দিলে কুষ্টিয়া এলাকায় লাশবাহী গাড়িটি আবারও দুর্ঘটনার শিকার হয় বলে জানান নাসিমার চাচাতো ভাই জুলফিকার আলী ভুট্টু। পরে শুক্রবার জুমার নামাজের পর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়।
পারিবারিক সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা দুর্ঘটনার সময় সেখানে কর্মরত ছিলেন নাসিমা বেগম। ভবনের ধ্বংসস্তূপের আটকে থাকার পর ২৬ এপ্রিল অলৌকিকভাবে জীবিত উদ্ধার হন। এরপর তিনি গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে তিনি আবারও ঢাকায় গিয়েছিলেন।
পার্বতীপুর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওয়াদুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদ্দাম হোসেন বলেন, নিহত নাসিমার বাড়িতে গিয়ে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নগদ ২৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে।




