দুদকের জালে এইচবিএম ইকবাল, সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জন

দুদকের জালে এইচবিএম ইকবাল, সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জন
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান এইচবিএম ইকবাল, ব্যাংকটির পরিচালক ও সাবেক সংসদ সদস্য সালাম মুর্শেদী ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১১টি মামলা সিদ্ধান্ত দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে মামলাগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটির মহাপরিচালক আক্তার হোসেন জানিয়েছেন।
মামলাগুলোর অপর আসামিরা হলেন প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এইচবিএম ইকবালের দুই ছেলে ব্যাংকটির পরিচালক মোহাম্মদ ইমরান ইকবাল ও মঈন ইকবাল, আরেক পরিচালক ও সাবেক এমপি বজলুল হক হারুন, শফিকুর রহমান, জামাল গুপ্ত আহমেদ, শায়লা শেলী খান, এএইচএম ফেরদৌস, নব গোপাল বণিক, শাহ মোহাম্মদ নাহিয়ান হারুন, স্বতন্ত্র পরিচালক কাইজার আহমেদ চৌধুরী, ইভিপি মোহাম্মদ তারেক উদ্দিন, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আবুল হাশেম, ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম রিয়াজুল করিম, ডিএমডি ও ক্রয় কমিটির প্রধান সৈয়দ নওশের আলী এবং মাইন্ডটি লিমিটেডের এমডি ইকবাল আল মাহমুদ।
দুদকের অনুসন্ধানে জানা যায়, মাইন্ডট্রি লিমিটেড নামে একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। ২০১১ সালের ৪ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত এইচবিএম ইকবালের নির্দেশে মাইন্ডট্রি লিমিটেডের নামে বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য অগ্রিম হিসেবে মোট ৪৩৮ কোটি ৭১ লাখ ২৮ হাজার ৪৪টাকা জমা দেওয়া হয়। পরে এসব অগ্রিম অর্থের বৈধতা দিতে সময়ে সময়ে বিজ্ঞাপন প্রচারের কার্যাদেশ দেখিয়ে সমন্বয় করা হতো। এর মধ্যে ২০১১ সালের আগস্ট থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৪২ কোটি ২৯ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪৪ টাকা সমন্বয় দেখানো হলেও ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত ৯৬ কোটি ৪১ লাখ ৪১ হাজার টাকা এখনো সমন্বয় করা সম্ভব হয়নি।
দুদকের অনুসন্ধানে আরও উঠে আসে, ২০২১- ২০২২ সালে প্রিমিয়ার ব্যাংকের বিজ্ঞাপন বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারের জন্য মাইন্ডট্রি লিমিটেডকে ১৯ কোটি ৮০ লাখ টাকার ১১টি কার্যাদেশ দেওয়া হয়। চুক্তি অনুযায়ী প্রতিটি চ্যানেলে ১০০ মিনিট করে বিজ্ঞাপন প্রচারের কথা থাকলেও বাস্তবে মাত্র ৫০ মিনিট বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়।
বিজ্ঞাপনী সংস্থার বিল, ভাউচার ও পে-অর্ডার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১১টি কার্যাদেশের বিপরীতে প্রকৃতপক্ষে মাইন্ডট্রি লিমিটেডকে মাত্র ৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা কোনো বৈধ খাতে ব্যয় না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এই অবস্থায় দুদকের পক্ষ থেকে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান এইচবিএম ইকবাল, ব্যাংকটির পরিচালক ও সাবেক সংসদ সদস্য সালাম মুর্শেদী ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১১টি মামলা সিদ্ধান্ত দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে মামলাগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটির মহাপরিচালক আক্তার হোসেন জানিয়েছেন।
মামলাগুলোর অপর আসামিরা হলেন প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এইচবিএম ইকবালের দুই ছেলে ব্যাংকটির পরিচালক মোহাম্মদ ইমরান ইকবাল ও মঈন ইকবাল, আরেক পরিচালক ও সাবেক এমপি বজলুল হক হারুন, শফিকুর রহমান, জামাল গুপ্ত আহমেদ, শায়লা শেলী খান, এএইচএম ফেরদৌস, নব গোপাল বণিক, শাহ মোহাম্মদ নাহিয়ান হারুন, স্বতন্ত্র পরিচালক কাইজার আহমেদ চৌধুরী, ইভিপি মোহাম্মদ তারেক উদ্দিন, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আবুল হাশেম, ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম রিয়াজুল করিম, ডিএমডি ও ক্রয় কমিটির প্রধান সৈয়দ নওশের আলী এবং মাইন্ডটি লিমিটেডের এমডি ইকবাল আল মাহমুদ।
দুদকের অনুসন্ধানে জানা যায়, মাইন্ডট্রি লিমিটেড নামে একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। ২০১১ সালের ৪ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত এইচবিএম ইকবালের নির্দেশে মাইন্ডট্রি লিমিটেডের নামে বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য অগ্রিম হিসেবে মোট ৪৩৮ কোটি ৭১ লাখ ২৮ হাজার ৪৪টাকা জমা দেওয়া হয়। পরে এসব অগ্রিম অর্থের বৈধতা দিতে সময়ে সময়ে বিজ্ঞাপন প্রচারের কার্যাদেশ দেখিয়ে সমন্বয় করা হতো। এর মধ্যে ২০১১ সালের আগস্ট থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৪২ কোটি ২৯ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪৪ টাকা সমন্বয় দেখানো হলেও ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত ৯৬ কোটি ৪১ লাখ ৪১ হাজার টাকা এখনো সমন্বয় করা সম্ভব হয়নি।
দুদকের অনুসন্ধানে আরও উঠে আসে, ২০২১- ২০২২ সালে প্রিমিয়ার ব্যাংকের বিজ্ঞাপন বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারের জন্য মাইন্ডট্রি লিমিটেডকে ১৯ কোটি ৮০ লাখ টাকার ১১টি কার্যাদেশ দেওয়া হয়। চুক্তি অনুযায়ী প্রতিটি চ্যানেলে ১০০ মিনিট করে বিজ্ঞাপন প্রচারের কথা থাকলেও বাস্তবে মাত্র ৫০ মিনিট বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়।
বিজ্ঞাপনী সংস্থার বিল, ভাউচার ও পে-অর্ডার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১১টি কার্যাদেশের বিপরীতে প্রকৃতপক্ষে মাইন্ডট্রি লিমিটেডকে মাত্র ৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা কোনো বৈধ খাতে ব্যয় না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এই অবস্থায় দুদকের পক্ষ থেকে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

দুদকের জালে এইচবিএম ইকবাল, সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জন
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান এইচবিএম ইকবাল, ব্যাংকটির পরিচালক ও সাবেক সংসদ সদস্য সালাম মুর্শেদী ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১১টি মামলা সিদ্ধান্ত দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে মামলাগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটির মহাপরিচালক আক্তার হোসেন জানিয়েছেন।
মামলাগুলোর অপর আসামিরা হলেন প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এইচবিএম ইকবালের দুই ছেলে ব্যাংকটির পরিচালক মোহাম্মদ ইমরান ইকবাল ও মঈন ইকবাল, আরেক পরিচালক ও সাবেক এমপি বজলুল হক হারুন, শফিকুর রহমান, জামাল গুপ্ত আহমেদ, শায়লা শেলী খান, এএইচএম ফেরদৌস, নব গোপাল বণিক, শাহ মোহাম্মদ নাহিয়ান হারুন, স্বতন্ত্র পরিচালক কাইজার আহমেদ চৌধুরী, ইভিপি মোহাম্মদ তারেক উদ্দিন, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আবুল হাশেম, ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম রিয়াজুল করিম, ডিএমডি ও ক্রয় কমিটির প্রধান সৈয়দ নওশের আলী এবং মাইন্ডটি লিমিটেডের এমডি ইকবাল আল মাহমুদ।
দুদকের অনুসন্ধানে জানা যায়, মাইন্ডট্রি লিমিটেড নামে একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। ২০১১ সালের ৪ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত এইচবিএম ইকবালের নির্দেশে মাইন্ডট্রি লিমিটেডের নামে বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য অগ্রিম হিসেবে মোট ৪৩৮ কোটি ৭১ লাখ ২৮ হাজার ৪৪টাকা জমা দেওয়া হয়। পরে এসব অগ্রিম অর্থের বৈধতা দিতে সময়ে সময়ে বিজ্ঞাপন প্রচারের কার্যাদেশ দেখিয়ে সমন্বয় করা হতো। এর মধ্যে ২০১১ সালের আগস্ট থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৪২ কোটি ২৯ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪৪ টাকা সমন্বয় দেখানো হলেও ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত ৯৬ কোটি ৪১ লাখ ৪১ হাজার টাকা এখনো সমন্বয় করা সম্ভব হয়নি।
দুদকের অনুসন্ধানে আরও উঠে আসে, ২০২১- ২০২২ সালে প্রিমিয়ার ব্যাংকের বিজ্ঞাপন বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারের জন্য মাইন্ডট্রি লিমিটেডকে ১৯ কোটি ৮০ লাখ টাকার ১১টি কার্যাদেশ দেওয়া হয়। চুক্তি অনুযায়ী প্রতিটি চ্যানেলে ১০০ মিনিট করে বিজ্ঞাপন প্রচারের কথা থাকলেও বাস্তবে মাত্র ৫০ মিনিট বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়।
বিজ্ঞাপনী সংস্থার বিল, ভাউচার ও পে-অর্ডার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১১টি কার্যাদেশের বিপরীতে প্রকৃতপক্ষে মাইন্ডট্রি লিমিটেডকে মাত্র ৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা কোনো বৈধ খাতে ব্যয় না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এই অবস্থায় দুদকের পক্ষ থেকে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।




