ঢাকা-৬ ও ৭ আসন
নাগরিক সমস্যার সমাধান চান ভোটাররা

নাগরিক সমস্যার সমাধান চান ভোটাররা
জবি প্রতিনিধি

সারা দেশের মতো ঢাকা-৬ ও ঢাকা-৭ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শেষ। দুই আসনেই প্রচারের ধরন প্রায় একই রকম থাকলেও ভোটারদের চাহিদা ও স্থানীয় বাস্তবতা ভিন্ন। ঢাকা-৬ আসনে জলাবদ্ধতা, ভাঙা সড়ক ও মশার উপদ্রব বন্ধের জোরালো দাবি জানিয়েছে ভোটাররা। আর ঢাকা-৭ এর ভোটাররা অগ্রাধিকারভিত্তিতে যানজট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশার কথা বলেছেন ।
ঢাকা-৬ ও ঢাকা-৭ আসনে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও নির্বাচনী মাঠে সক্রিয়। ঢাকা ৭ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হামিদুর রহমান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা মোহাম্মদ ইসহাক সরকার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। একই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এনায়েত উলাহ দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, আর জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন লাঙল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
অন্যদিকে ঢাকা-৬ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইশরাক হোসেন। একই আসনে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আবদুল মান্নান।
এই দুই আসনের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কয়েকজন ভোটারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকা-৬ আসনে দ্বিমুখী লড়াইয়ের আভাস মিলছে, যেখানে প্রার্থীর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা বড় হয়ে উঠেছে। আর ঢাকা-৭ আসনে হচ্ছে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
ঢাকা-৬ আসনের ভোটার রবিদাস পাড়ার বাসিন্দা অমিও কুমার বলেন, “আমাদের এলাকায় একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় কোমরসমান পানি উঠে যায়। স্কুলগামী বাচ্চারা ভিজে যায়, বয়স্করা বেরোতেই পারে না। বছর বছর প্রার্থীরা এসে কথা দিয়ে যান, কিন্তু কাজ হয় না। আমরা এমন প্রতিনিধি চাই যিনি শুধু ভোটের সময় নয়, সারা বছর এলাকায় থাকবেন এবং জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবেন।”
লালবাগের বাসিন্দা রেহেনা বেগম বলেন,‘ড্রেনগুলো বছরের পর বছর পরিষ্কার হয় না। মশার কারণে রাতে ঘুমানো যায় না। আমার আশা, নতুন এমপি হলে তিনি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মান উন্নত করবেন এবং মশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেবেন। আমরা এমন মানুষ চাই যিনি সাধারণ মানুষের কথা শুনবেন।’
লক্ষ্মীবাজার এলাকার মীম টেইলার্সের স্বত্বাধিকারী রুহুল আমিন বলেন, “আমগো এলাকায় পানির বড় টানাটানি। অনেক জায়গায় পানিতে নোনতা স্বাদ, খাওয়া মুশকিল। বর্ষা আইলে ড্রেন উপচাইয়া রাস্তায় পানি উঠে । আমরা এমন নেতা চাই, যে শুধু কথা না, চোখে দেখার মতো কাজ কইরা দিবে। নতুন এমপি হইলে পানির লাইন ঠিকঠাক কইরা দিবে আর নিয়মিত খোঁজখবর রাখবে, এটাই চাই।”
সম্প্রতি গণসংযোগের এক পর্যায়ে ইশরাক হোসেন বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ কোন পথে যাবে, তা নির্ধারিত হবে। আমরা কোনো ধরনের উসকানিতে পা দেবো না। জনগণের যে সমর্থন আমাদের রয়েছে, সেটাকে আমরা কখনো বিপথে যেতে দেবো না।
জামায়াত প্রার্থী আব্দুল মান্নান বলেন, ‘আমার সংসদীয় এলাকাকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত করে একটি নিরাপদ, বাসযোগ্য ও মানবিক শহর হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এখন পর্যন্ত এই আসনে বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আশাকরি জনগণ সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারবে।’

সারা দেশের মতো ঢাকা-৬ ও ঢাকা-৭ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শেষ। দুই আসনেই প্রচারের ধরন প্রায় একই রকম থাকলেও ভোটারদের চাহিদা ও স্থানীয় বাস্তবতা ভিন্ন। ঢাকা-৬ আসনে জলাবদ্ধতা, ভাঙা সড়ক ও মশার উপদ্রব বন্ধের জোরালো দাবি জানিয়েছে ভোটাররা। আর ঢাকা-৭ এর ভোটাররা অগ্রাধিকারভিত্তিতে যানজট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশার কথা বলেছেন ।
ঢাকা-৬ ও ঢাকা-৭ আসনে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও নির্বাচনী মাঠে সক্রিয়। ঢাকা ৭ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হামিদুর রহমান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা মোহাম্মদ ইসহাক সরকার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। একই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এনায়েত উলাহ দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, আর জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন লাঙল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
অন্যদিকে ঢাকা-৬ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইশরাক হোসেন। একই আসনে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আবদুল মান্নান।
এই দুই আসনের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কয়েকজন ভোটারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকা-৬ আসনে দ্বিমুখী লড়াইয়ের আভাস মিলছে, যেখানে প্রার্থীর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা বড় হয়ে উঠেছে। আর ঢাকা-৭ আসনে হচ্ছে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
ঢাকা-৬ আসনের ভোটার রবিদাস পাড়ার বাসিন্দা অমিও কুমার বলেন, “আমাদের এলাকায় একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় কোমরসমান পানি উঠে যায়। স্কুলগামী বাচ্চারা ভিজে যায়, বয়স্করা বেরোতেই পারে না। বছর বছর প্রার্থীরা এসে কথা দিয়ে যান, কিন্তু কাজ হয় না। আমরা এমন প্রতিনিধি চাই যিনি শুধু ভোটের সময় নয়, সারা বছর এলাকায় থাকবেন এবং জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবেন।”
লালবাগের বাসিন্দা রেহেনা বেগম বলেন,‘ড্রেনগুলো বছরের পর বছর পরিষ্কার হয় না। মশার কারণে রাতে ঘুমানো যায় না। আমার আশা, নতুন এমপি হলে তিনি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মান উন্নত করবেন এবং মশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেবেন। আমরা এমন মানুষ চাই যিনি সাধারণ মানুষের কথা শুনবেন।’
লক্ষ্মীবাজার এলাকার মীম টেইলার্সের স্বত্বাধিকারী রুহুল আমিন বলেন, “আমগো এলাকায় পানির বড় টানাটানি। অনেক জায়গায় পানিতে নোনতা স্বাদ, খাওয়া মুশকিল। বর্ষা আইলে ড্রেন উপচাইয়া রাস্তায় পানি উঠে । আমরা এমন নেতা চাই, যে শুধু কথা না, চোখে দেখার মতো কাজ কইরা দিবে। নতুন এমপি হইলে পানির লাইন ঠিকঠাক কইরা দিবে আর নিয়মিত খোঁজখবর রাখবে, এটাই চাই।”
সম্প্রতি গণসংযোগের এক পর্যায়ে ইশরাক হোসেন বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ কোন পথে যাবে, তা নির্ধারিত হবে। আমরা কোনো ধরনের উসকানিতে পা দেবো না। জনগণের যে সমর্থন আমাদের রয়েছে, সেটাকে আমরা কখনো বিপথে যেতে দেবো না।
জামায়াত প্রার্থী আব্দুল মান্নান বলেন, ‘আমার সংসদীয় এলাকাকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত করে একটি নিরাপদ, বাসযোগ্য ও মানবিক শহর হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এখন পর্যন্ত এই আসনে বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আশাকরি জনগণ সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারবে।’

নাগরিক সমস্যার সমাধান চান ভোটাররা
জবি প্রতিনিধি

সারা দেশের মতো ঢাকা-৬ ও ঢাকা-৭ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শেষ। দুই আসনেই প্রচারের ধরন প্রায় একই রকম থাকলেও ভোটারদের চাহিদা ও স্থানীয় বাস্তবতা ভিন্ন। ঢাকা-৬ আসনে জলাবদ্ধতা, ভাঙা সড়ক ও মশার উপদ্রব বন্ধের জোরালো দাবি জানিয়েছে ভোটাররা। আর ঢাকা-৭ এর ভোটাররা অগ্রাধিকারভিত্তিতে যানজট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশার কথা বলেছেন ।
ঢাকা-৬ ও ঢাকা-৭ আসনে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও নির্বাচনী মাঠে সক্রিয়। ঢাকা ৭ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হামিদুর রহমান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা মোহাম্মদ ইসহাক সরকার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। একই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এনায়েত উলাহ দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, আর জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন লাঙল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
অন্যদিকে ঢাকা-৬ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইশরাক হোসেন। একই আসনে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আবদুল মান্নান।
এই দুই আসনের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কয়েকজন ভোটারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকা-৬ আসনে দ্বিমুখী লড়াইয়ের আভাস মিলছে, যেখানে প্রার্থীর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা বড় হয়ে উঠেছে। আর ঢাকা-৭ আসনে হচ্ছে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
ঢাকা-৬ আসনের ভোটার রবিদাস পাড়ার বাসিন্দা অমিও কুমার বলেন, “আমাদের এলাকায় একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় কোমরসমান পানি উঠে যায়। স্কুলগামী বাচ্চারা ভিজে যায়, বয়স্করা বেরোতেই পারে না। বছর বছর প্রার্থীরা এসে কথা দিয়ে যান, কিন্তু কাজ হয় না। আমরা এমন প্রতিনিধি চাই যিনি শুধু ভোটের সময় নয়, সারা বছর এলাকায় থাকবেন এবং জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবেন।”
লালবাগের বাসিন্দা রেহেনা বেগম বলেন,‘ড্রেনগুলো বছরের পর বছর পরিষ্কার হয় না। মশার কারণে রাতে ঘুমানো যায় না। আমার আশা, নতুন এমপি হলে তিনি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মান উন্নত করবেন এবং মশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেবেন। আমরা এমন মানুষ চাই যিনি সাধারণ মানুষের কথা শুনবেন।’
লক্ষ্মীবাজার এলাকার মীম টেইলার্সের স্বত্বাধিকারী রুহুল আমিন বলেন, “আমগো এলাকায় পানির বড় টানাটানি। অনেক জায়গায় পানিতে নোনতা স্বাদ, খাওয়া মুশকিল। বর্ষা আইলে ড্রেন উপচাইয়া রাস্তায় পানি উঠে । আমরা এমন নেতা চাই, যে শুধু কথা না, চোখে দেখার মতো কাজ কইরা দিবে। নতুন এমপি হইলে পানির লাইন ঠিকঠাক কইরা দিবে আর নিয়মিত খোঁজখবর রাখবে, এটাই চাই।”
সম্প্রতি গণসংযোগের এক পর্যায়ে ইশরাক হোসেন বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ কোন পথে যাবে, তা নির্ধারিত হবে। আমরা কোনো ধরনের উসকানিতে পা দেবো না। জনগণের যে সমর্থন আমাদের রয়েছে, সেটাকে আমরা কখনো বিপথে যেতে দেবো না।
জামায়াত প্রার্থী আব্দুল মান্নান বলেন, ‘আমার সংসদীয় এলাকাকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত করে একটি নিরাপদ, বাসযোগ্য ও মানবিক শহর হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এখন পর্যন্ত এই আসনে বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আশাকরি জনগণ সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারবে।’




