কুমিল্লার পর্যটন স্পট ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ভিড়

কুমিল্লার পর্যটন স্পট ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ভিড়
কুমিল্লা সংবাদদাতা

পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে কুমিল্লার পর্যটন স্পট ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ঢল নেমেছে পর্যটকদের। ঈদের দিন বিকাল থেকে শুরু করে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল পর্যন্ত কোটবাড়ির শালবন বিহার থেকে শুরু করে গোমতী তীরের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে সব বয়সী মানুষের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
ঈদকে কেন্দ্র করে কুমিল্লার কোটবাড়ির শালবন বিহার, ময়নামতি প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর, ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি, শহরে ধর্মসাগর পাড় এবং গোমতী নদী কেন্দ্রিক গড়ে ওঠা বিনোদন কেন্দ্র। সব জায়গাতেই এখন তিল ধারণের ঠাঁই নেই। জেলার গণ্ডি পেরিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভ্রমণপিপাসুরা ভিড় জমাচ্ছেন এসব স্থানে।
পর্যটকদের অভিযোগ রয়েছে ভ্রমণ পিপাসুদের কাঙ্খিত স্থান কোটবাড়ির শালবন বিহার, যাদুঘর, বৌদ্ধ বিহারসহ জেলার উন্মুক্ত পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে নেই পয়ঃনিস্কাশন, সুপেয় পানির ব্যবস্থা নেই। এমনকি বিশ্রাম নেয়ার স্থানও পর্যান্ত নয়।
তবু এসব পর্যটন স্পটগুলোতে দর্শনার্থীদের জন্যে নাগরিক সুযোগ সুবিধার সীমাবদ্ধতা ছাপিয়েও উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে সবার মাঝে। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে এই পর্যটন স্পটগুলো।
টুরিস্ট পুলিশ, কুমিল্লা জোনের উপ-পরিদর্শক রাজিয়া সুলতানা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিশ্ছিদ্র ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। বিশেষ করে দর্শনীয় স্থানগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত টুরিস্ট পুলিশ।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আর উৎসবের আমেজে কুমিল্লার পর্যটন কেন্দ্রগুলো এখন প্রাণচঞ্চল। প্রশাসনের সঠিক ব্যবস্থাপনা আর অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলে এই পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে কুমিল্লার পর্যটন স্পট ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ঢল নেমেছে পর্যটকদের। ঈদের দিন বিকাল থেকে শুরু করে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল পর্যন্ত কোটবাড়ির শালবন বিহার থেকে শুরু করে গোমতী তীরের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে সব বয়সী মানুষের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
ঈদকে কেন্দ্র করে কুমিল্লার কোটবাড়ির শালবন বিহার, ময়নামতি প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর, ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি, শহরে ধর্মসাগর পাড় এবং গোমতী নদী কেন্দ্রিক গড়ে ওঠা বিনোদন কেন্দ্র। সব জায়গাতেই এখন তিল ধারণের ঠাঁই নেই। জেলার গণ্ডি পেরিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভ্রমণপিপাসুরা ভিড় জমাচ্ছেন এসব স্থানে।
পর্যটকদের অভিযোগ রয়েছে ভ্রমণ পিপাসুদের কাঙ্খিত স্থান কোটবাড়ির শালবন বিহার, যাদুঘর, বৌদ্ধ বিহারসহ জেলার উন্মুক্ত পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে নেই পয়ঃনিস্কাশন, সুপেয় পানির ব্যবস্থা নেই। এমনকি বিশ্রাম নেয়ার স্থানও পর্যান্ত নয়।
তবু এসব পর্যটন স্পটগুলোতে দর্শনার্থীদের জন্যে নাগরিক সুযোগ সুবিধার সীমাবদ্ধতা ছাপিয়েও উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে সবার মাঝে। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে এই পর্যটন স্পটগুলো।
টুরিস্ট পুলিশ, কুমিল্লা জোনের উপ-পরিদর্শক রাজিয়া সুলতানা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিশ্ছিদ্র ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। বিশেষ করে দর্শনীয় স্থানগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত টুরিস্ট পুলিশ।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আর উৎসবের আমেজে কুমিল্লার পর্যটন কেন্দ্রগুলো এখন প্রাণচঞ্চল। প্রশাসনের সঠিক ব্যবস্থাপনা আর অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলে এই পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কুমিল্লার পর্যটন স্পট ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ভিড়
কুমিল্লা সংবাদদাতা

পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে কুমিল্লার পর্যটন স্পট ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ঢল নেমেছে পর্যটকদের। ঈদের দিন বিকাল থেকে শুরু করে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল পর্যন্ত কোটবাড়ির শালবন বিহার থেকে শুরু করে গোমতী তীরের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে সব বয়সী মানুষের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
ঈদকে কেন্দ্র করে কুমিল্লার কোটবাড়ির শালবন বিহার, ময়নামতি প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর, ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি, শহরে ধর্মসাগর পাড় এবং গোমতী নদী কেন্দ্রিক গড়ে ওঠা বিনোদন কেন্দ্র। সব জায়গাতেই এখন তিল ধারণের ঠাঁই নেই। জেলার গণ্ডি পেরিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভ্রমণপিপাসুরা ভিড় জমাচ্ছেন এসব স্থানে।
পর্যটকদের অভিযোগ রয়েছে ভ্রমণ পিপাসুদের কাঙ্খিত স্থান কোটবাড়ির শালবন বিহার, যাদুঘর, বৌদ্ধ বিহারসহ জেলার উন্মুক্ত পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে নেই পয়ঃনিস্কাশন, সুপেয় পানির ব্যবস্থা নেই। এমনকি বিশ্রাম নেয়ার স্থানও পর্যান্ত নয়।
তবু এসব পর্যটন স্পটগুলোতে দর্শনার্থীদের জন্যে নাগরিক সুযোগ সুবিধার সীমাবদ্ধতা ছাপিয়েও উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে সবার মাঝে। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে এই পর্যটন স্পটগুলো।
টুরিস্ট পুলিশ, কুমিল্লা জোনের উপ-পরিদর্শক রাজিয়া সুলতানা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিশ্ছিদ্র ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। বিশেষ করে দর্শনীয় স্থানগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত টুরিস্ট পুলিশ।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আর উৎসবের আমেজে কুমিল্লার পর্যটন কেন্দ্রগুলো এখন প্রাণচঞ্চল। প্রশাসনের সঠিক ব্যবস্থাপনা আর অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলে এই পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।




