কক্সবাজারে হোটেল থেকে বিলাসবহুল তিনটি গাড়ি জব্দ

কক্সবাজারে হোটেল থেকে বিলাসবহুল তিনটি গাড়ি জব্দ
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের একটি অভিজাত হোটেলের পার্কিং এলাকা থেকে তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। ক্রয় ও আমদানি-সংক্রান্ত কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় গাড়িগুলোকে জব্দ করা হয়। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেল ৪টায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ।
এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে কক্সবাজার শহরের পাঁচ তারকা হোটেল ওশান প্যারাডাইসের পার্কিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাড়ি তিনটি জব্দ করা হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালায়। অভিযানে ঢাকা মেট্রোর নম্বরের লাল রঙের টয়োটা, লাল রঙের হোন্ডা এবং টুইন গ্রে রঙের মাজদা গাড়ি জব্দ করা হয়।
জব্দ করা গাড়িগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা মেট্রো-গ-৩০-১২২৪ নম্বরের ২০২১ মডেলের লাল রঙের টয়োটা এম ক্রপ, ঢাকা মেট্রো-গ-১৮-৯৬৬৮ নম্বরের লাল রঙের হোন্ডা এবং ঢাকা মেট্রো-গ-২৪-৭৩৯৯ নম্বরের ২০২০ মডেলের টুইন গ্রে রঙের মাজদা। কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনটি গাড়িরই উৎপাদনকারী দেশ জাপান।
অভিযানের সময় গাড়িগুলোর ব্যবহারকারীদের কাছে আমদানি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় দলিলাদি এবং গাড়ি ক্রয়ের বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাওয়া হয়। তবে তারা এসব গাড়ির বৈধ আমদানি ও ক্রয়সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি বলে জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ।
কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, গাড়িগুলো কীভাবে দেশে এসেছে এবং এগুলোর আমদানি প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে শুল্ক ফাঁকি, মিথ্যা ঘোষণা, জাল কাগজপত্র ব্যবহার, জালিয়াতি কিংবা চোরাচালানের মাধ্যমে গাড়িগুলো দেশে আনা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের আরও জানায়, জব্দ করা তিনটি গাড়ির আমদানি, মালিকানা ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করা হচ্ছে। তদন্তে অনিয়ম বা শুল্ক ফাঁকির প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কর্মকর্তারা বলেন, বিলাসবহুল গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক ও কর পরিশোধ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা বাধ্যতামূলক। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মিথ্যা ঘোষণা, জাল কাগজপত্র কিংবা অন্য কোনো অবৈধ উপায়ে গাড়ি দেশে এনে থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কক্সবাজারের একটি অভিজাত হোটেলের পার্কিং এলাকা থেকে তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। ক্রয় ও আমদানি-সংক্রান্ত কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় গাড়িগুলোকে জব্দ করা হয়। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেল ৪টায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ।
এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে কক্সবাজার শহরের পাঁচ তারকা হোটেল ওশান প্যারাডাইসের পার্কিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাড়ি তিনটি জব্দ করা হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালায়। অভিযানে ঢাকা মেট্রোর নম্বরের লাল রঙের টয়োটা, লাল রঙের হোন্ডা এবং টুইন গ্রে রঙের মাজদা গাড়ি জব্দ করা হয়।
জব্দ করা গাড়িগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা মেট্রো-গ-৩০-১২২৪ নম্বরের ২০২১ মডেলের লাল রঙের টয়োটা এম ক্রপ, ঢাকা মেট্রো-গ-১৮-৯৬৬৮ নম্বরের লাল রঙের হোন্ডা এবং ঢাকা মেট্রো-গ-২৪-৭৩৯৯ নম্বরের ২০২০ মডেলের টুইন গ্রে রঙের মাজদা। কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনটি গাড়িরই উৎপাদনকারী দেশ জাপান।
অভিযানের সময় গাড়িগুলোর ব্যবহারকারীদের কাছে আমদানি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় দলিলাদি এবং গাড়ি ক্রয়ের বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাওয়া হয়। তবে তারা এসব গাড়ির বৈধ আমদানি ও ক্রয়সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি বলে জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ।
কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, গাড়িগুলো কীভাবে দেশে এসেছে এবং এগুলোর আমদানি প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে শুল্ক ফাঁকি, মিথ্যা ঘোষণা, জাল কাগজপত্র ব্যবহার, জালিয়াতি কিংবা চোরাচালানের মাধ্যমে গাড়িগুলো দেশে আনা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের আরও জানায়, জব্দ করা তিনটি গাড়ির আমদানি, মালিকানা ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করা হচ্ছে। তদন্তে অনিয়ম বা শুল্ক ফাঁকির প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কর্মকর্তারা বলেন, বিলাসবহুল গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক ও কর পরিশোধ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা বাধ্যতামূলক। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মিথ্যা ঘোষণা, জাল কাগজপত্র কিংবা অন্য কোনো অবৈধ উপায়ে গাড়ি দেশে এনে থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কক্সবাজারে হোটেল থেকে বিলাসবহুল তিনটি গাড়ি জব্দ
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের একটি অভিজাত হোটেলের পার্কিং এলাকা থেকে তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। ক্রয় ও আমদানি-সংক্রান্ত কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় গাড়িগুলোকে জব্দ করা হয়। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেল ৪টায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ।
এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে কক্সবাজার শহরের পাঁচ তারকা হোটেল ওশান প্যারাডাইসের পার্কিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাড়ি তিনটি জব্দ করা হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালায়। অভিযানে ঢাকা মেট্রোর নম্বরের লাল রঙের টয়োটা, লাল রঙের হোন্ডা এবং টুইন গ্রে রঙের মাজদা গাড়ি জব্দ করা হয়।
জব্দ করা গাড়িগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা মেট্রো-গ-৩০-১২২৪ নম্বরের ২০২১ মডেলের লাল রঙের টয়োটা এম ক্রপ, ঢাকা মেট্রো-গ-১৮-৯৬৬৮ নম্বরের লাল রঙের হোন্ডা এবং ঢাকা মেট্রো-গ-২৪-৭৩৯৯ নম্বরের ২০২০ মডেলের টুইন গ্রে রঙের মাজদা। কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনটি গাড়িরই উৎপাদনকারী দেশ জাপান।
অভিযানের সময় গাড়িগুলোর ব্যবহারকারীদের কাছে আমদানি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় দলিলাদি এবং গাড়ি ক্রয়ের বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাওয়া হয়। তবে তারা এসব গাড়ির বৈধ আমদানি ও ক্রয়সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি বলে জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ।
কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, গাড়িগুলো কীভাবে দেশে এসেছে এবং এগুলোর আমদানি প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে শুল্ক ফাঁকি, মিথ্যা ঘোষণা, জাল কাগজপত্র ব্যবহার, জালিয়াতি কিংবা চোরাচালানের মাধ্যমে গাড়িগুলো দেশে আনা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের আরও জানায়, জব্দ করা তিনটি গাড়ির আমদানি, মালিকানা ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করা হচ্ছে। তদন্তে অনিয়ম বা শুল্ক ফাঁকির প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কর্মকর্তারা বলেন, বিলাসবহুল গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক ও কর পরিশোধ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা বাধ্যতামূলক। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মিথ্যা ঘোষণা, জাল কাগজপত্র কিংবা অন্য কোনো অবৈধ উপায়ে গাড়ি দেশে এনে থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কক্সবাজার সমুদ্রে নিখোঁজের দুদিন পর সেই পর্যটক মরদেহ উদ্ধার






