হোটেলের বারে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, পুলিশ হেফাজতে অভিযুক্তের মৃত্যু

হোটেলের বারে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, পুলিশ হেফাজতে অভিযুক্তের মৃত্যু
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার শহরের একটি আবাসিক হোটেলের বারে ছুরিকাঘাতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অভিযুক্ত যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজার শহরের ঝাউতলা এলাকার রেনেসাঁ হোটেলে এ ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে।
ছুরিকাঘাতে নিহত যুবকের নাম নাজিবুল হক। তিনি শহরের নুনিয়ারছড়া এলাকার বাসিন্দা। নিহত অপরজন হলেন সালমান মিয়া। তার বাড়ি শহরের বিজিবি ক্যাম্প এলাকায়।
পুলিশ ও বার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নাজিবুল হক ও সালমান মিয়া ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। গতকাল রাতে তারা পাঁচ বন্ধু রেনেসাঁ হোটেলের বারে মদ পান করতে গিয়েছিলেন। এ সময় তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে সালমান মিয়া নাজিবুলকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই নাজিবুলের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনার খবর পেয়ে নুনিয়ারছড়া এলাকা থেকে হোটেলটিতে আসেন নাজিবুলের স্বজনরা। এরপর তারা সালমান মিয়াকে মারধর করে নুনিয়ারছড়া নিয়ে যান। ছুরিকাঘাতের বিষয়টি জানার পর পুলিশ তাকে আটক করে। এরপর রাতে সালমান মিয়াকে চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়েছে।
কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান বলেন, ‘বারে বসে মদ পান করার সময় কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে ছুরিকাঘাতে নাজিবুলের মৃত্যু হয়। পরে তার স্বজনদের পিটুনিতে আহত সালমানকেও আটক করি। আজ সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারও মৃত্যু হয়েছে।’
কক্সবাজার সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে সালমান মিয়া একটি কিশোর গ্যাংয়ের লিডার। তার বিরুদ্ধে সদর থানায় ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

কক্সবাজার শহরের একটি আবাসিক হোটেলের বারে ছুরিকাঘাতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অভিযুক্ত যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজার শহরের ঝাউতলা এলাকার রেনেসাঁ হোটেলে এ ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে।
ছুরিকাঘাতে নিহত যুবকের নাম নাজিবুল হক। তিনি শহরের নুনিয়ারছড়া এলাকার বাসিন্দা। নিহত অপরজন হলেন সালমান মিয়া। তার বাড়ি শহরের বিজিবি ক্যাম্প এলাকায়।
পুলিশ ও বার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নাজিবুল হক ও সালমান মিয়া ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। গতকাল রাতে তারা পাঁচ বন্ধু রেনেসাঁ হোটেলের বারে মদ পান করতে গিয়েছিলেন। এ সময় তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে সালমান মিয়া নাজিবুলকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই নাজিবুলের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনার খবর পেয়ে নুনিয়ারছড়া এলাকা থেকে হোটেলটিতে আসেন নাজিবুলের স্বজনরা। এরপর তারা সালমান মিয়াকে মারধর করে নুনিয়ারছড়া নিয়ে যান। ছুরিকাঘাতের বিষয়টি জানার পর পুলিশ তাকে আটক করে। এরপর রাতে সালমান মিয়াকে চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়েছে।
কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান বলেন, ‘বারে বসে মদ পান করার সময় কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে ছুরিকাঘাতে নাজিবুলের মৃত্যু হয়। পরে তার স্বজনদের পিটুনিতে আহত সালমানকেও আটক করি। আজ সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারও মৃত্যু হয়েছে।’
কক্সবাজার সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে সালমান মিয়া একটি কিশোর গ্যাংয়ের লিডার। তার বিরুদ্ধে সদর থানায় ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

হোটেলের বারে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, পুলিশ হেফাজতে অভিযুক্তের মৃত্যু
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার শহরের একটি আবাসিক হোটেলের বারে ছুরিকাঘাতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অভিযুক্ত যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজার শহরের ঝাউতলা এলাকার রেনেসাঁ হোটেলে এ ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে।
ছুরিকাঘাতে নিহত যুবকের নাম নাজিবুল হক। তিনি শহরের নুনিয়ারছড়া এলাকার বাসিন্দা। নিহত অপরজন হলেন সালমান মিয়া। তার বাড়ি শহরের বিজিবি ক্যাম্প এলাকায়।
পুলিশ ও বার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নাজিবুল হক ও সালমান মিয়া ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। গতকাল রাতে তারা পাঁচ বন্ধু রেনেসাঁ হোটেলের বারে মদ পান করতে গিয়েছিলেন। এ সময় তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে সালমান মিয়া নাজিবুলকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই নাজিবুলের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনার খবর পেয়ে নুনিয়ারছড়া এলাকা থেকে হোটেলটিতে আসেন নাজিবুলের স্বজনরা। এরপর তারা সালমান মিয়াকে মারধর করে নুনিয়ারছড়া নিয়ে যান। ছুরিকাঘাতের বিষয়টি জানার পর পুলিশ তাকে আটক করে। এরপর রাতে সালমান মিয়াকে চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়েছে।
কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান বলেন, ‘বারে বসে মদ পান করার সময় কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে ছুরিকাঘাতে নাজিবুলের মৃত্যু হয়। পরে তার স্বজনদের পিটুনিতে আহত সালমানকেও আটক করি। আজ সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারও মৃত্যু হয়েছে।’
কক্সবাজার সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে সালমান মিয়া একটি কিশোর গ্যাংয়ের লিডার। তার বিরুদ্ধে সদর থানায় ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’









