টেকনাফে র্যাবের ওপর হামলার অভিযোগ, আহত ৯

টেকনাফে র্যাবের ওপর হামলার অভিযোগ, আহত ৯
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় র্যাবের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় র্যাবের ৯ জন সদস্য আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বুধবার (১১ মার্চ) রাতে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া ফুটবল খেলার মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
আটক ব্যক্তির নাম ফরিদুল আলম ওরফে মেহেদী হাসান। তিনি টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া এলাকার সিদ্দিক আহমেদের ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-১৫ এর স্কোয়াড কমান্ডার সোহেল রানা গণমাধ্যমকে বলেন, টেকনাফের নাজিরপাড়ায় মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মাদক কারবারি ও তাদের সহযোগীরা র্যাব সদস্যদের ওপর হামলা চালায় এবং র্যাবের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন দেয়। হামলায় বাহিনীর ৯ সদস্য আহত হন।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তবে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানায়, ওই সময় নাজিরপাড়া ফুটবল মাঠে স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত একটি ইফতার মাহফিল চলছিল। সেখানে উপস্থিত সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ফরিদ আলমকে র্যাব সদস্যরা আটক করলে এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে কিছু লোক র্যাবের ওপর হামলা চালায়। খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। র্যাব অভিযোগ দিলে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক দেবাশীষ সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, আহত অবস্থায় র্যাবের ৭ সদস্যকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে দুই জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে আটক ফরিদ আলমের বাবা সিদ্দিক গণমাধ্যমবে বলেন, ইফতার মাহফিলের সময় সাদা পোশাক ১০ থেকে ১৫ জন র্যাব সদস্য আমাদের ঘিরে ফেলে। এ সময় স্থানীয় জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে চিৎকার শুরু করে। আমার ছেলে ফরিদের বিরুদ্ধে কোনো মামলার ওয়ারেন্ট নেই, মূলত হয়রানি করতে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা গাড়িতে আগুন দেইনি।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় র্যাবের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় র্যাবের ৯ জন সদস্য আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বুধবার (১১ মার্চ) রাতে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া ফুটবল খেলার মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
আটক ব্যক্তির নাম ফরিদুল আলম ওরফে মেহেদী হাসান। তিনি টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া এলাকার সিদ্দিক আহমেদের ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-১৫ এর স্কোয়াড কমান্ডার সোহেল রানা গণমাধ্যমকে বলেন, টেকনাফের নাজিরপাড়ায় মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মাদক কারবারি ও তাদের সহযোগীরা র্যাব সদস্যদের ওপর হামলা চালায় এবং র্যাবের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন দেয়। হামলায় বাহিনীর ৯ সদস্য আহত হন।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তবে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানায়, ওই সময় নাজিরপাড়া ফুটবল মাঠে স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত একটি ইফতার মাহফিল চলছিল। সেখানে উপস্থিত সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ফরিদ আলমকে র্যাব সদস্যরা আটক করলে এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে কিছু লোক র্যাবের ওপর হামলা চালায়। খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। র্যাব অভিযোগ দিলে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক দেবাশীষ সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, আহত অবস্থায় র্যাবের ৭ সদস্যকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে দুই জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে আটক ফরিদ আলমের বাবা সিদ্দিক গণমাধ্যমবে বলেন, ইফতার মাহফিলের সময় সাদা পোশাক ১০ থেকে ১৫ জন র্যাব সদস্য আমাদের ঘিরে ফেলে। এ সময় স্থানীয় জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে চিৎকার শুরু করে। আমার ছেলে ফরিদের বিরুদ্ধে কোনো মামলার ওয়ারেন্ট নেই, মূলত হয়রানি করতে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা গাড়িতে আগুন দেইনি।

টেকনাফে র্যাবের ওপর হামলার অভিযোগ, আহত ৯
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় র্যাবের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় র্যাবের ৯ জন সদস্য আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বুধবার (১১ মার্চ) রাতে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া ফুটবল খেলার মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
আটক ব্যক্তির নাম ফরিদুল আলম ওরফে মেহেদী হাসান। তিনি টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া এলাকার সিদ্দিক আহমেদের ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-১৫ এর স্কোয়াড কমান্ডার সোহেল রানা গণমাধ্যমকে বলেন, টেকনাফের নাজিরপাড়ায় মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মাদক কারবারি ও তাদের সহযোগীরা র্যাব সদস্যদের ওপর হামলা চালায় এবং র্যাবের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন দেয়। হামলায় বাহিনীর ৯ সদস্য আহত হন।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তবে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানায়, ওই সময় নাজিরপাড়া ফুটবল মাঠে স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত একটি ইফতার মাহফিল চলছিল। সেখানে উপস্থিত সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ফরিদ আলমকে র্যাব সদস্যরা আটক করলে এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে কিছু লোক র্যাবের ওপর হামলা চালায়। খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। র্যাব অভিযোগ দিলে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক দেবাশীষ সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, আহত অবস্থায় র্যাবের ৭ সদস্যকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে দুই জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে আটক ফরিদ আলমের বাবা সিদ্দিক গণমাধ্যমবে বলেন, ইফতার মাহফিলের সময় সাদা পোশাক ১০ থেকে ১৫ জন র্যাব সদস্য আমাদের ঘিরে ফেলে। এ সময় স্থানীয় জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে চিৎকার শুরু করে। আমার ছেলে ফরিদের বিরুদ্ধে কোনো মামলার ওয়ারেন্ট নেই, মূলত হয়রানি করতে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা গাড়িতে আগুন দেইনি।




