ক্যাম্পের শৌচাগার থেকে পুলিশ কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার

ক্যাম্পের শৌচাগার থেকে পুলিশ কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএন পুলিশের একটি ক্যাম্পের শৌচাগার থেকে এক পুলিশ কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রুবেল হোসেন উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থিত ১৪ এপিবিএনের ইরানি পাহাড় পুলিশ ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে ক্যাম্পের শৌচাগারের দরজা ভেঙে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকালে ক্যাম্পের নিয়মিত রোলকলে এএসআই রুবেল হোসেনকে অনুপস্থিত পাওয়া যায়। এরপর সহকর্মীরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে তার খোঁজ করেন। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।
শনিবার সকালে ক্যাম্পের বাবুর্চি শরীফ রান্নার কাজে শৌচাগারের দিকে গেলে সেটি ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। দীর্ঘ সময় ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া পাননি। পরে তিনি জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে ভেতরে একজনকে পড়ে থাকতে দেখেন। বিষয়টি ক্যাম্পের অন্য সদস্যদের জানানো হয়। তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে নিখোঁজ এএসআই রুবেলকে মেঝেতে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।
খবর পেয়ে ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক পুলিশ সুপার সিরাজ আমিন, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক এবং উখিয়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তখন সবার উপস্থিতিতে শৌচাগারের দরজা কেটে রুবেল হোসেনের লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, একটি টর্চ লাইট, গোসলের তোয়ালে এবং সিগারেট জব্দ করা হয়েছে।
১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক সিরাজ আমিন জানান, চিকিৎসকের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ ও ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি বিবেচনায় এটি স্ট্রোকজনিত মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএন পুলিশের একটি ক্যাম্পের শৌচাগার থেকে এক পুলিশ কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রুবেল হোসেন উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থিত ১৪ এপিবিএনের ইরানি পাহাড় পুলিশ ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে ক্যাম্পের শৌচাগারের দরজা ভেঙে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকালে ক্যাম্পের নিয়মিত রোলকলে এএসআই রুবেল হোসেনকে অনুপস্থিত পাওয়া যায়। এরপর সহকর্মীরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে তার খোঁজ করেন। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।
শনিবার সকালে ক্যাম্পের বাবুর্চি শরীফ রান্নার কাজে শৌচাগারের দিকে গেলে সেটি ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। দীর্ঘ সময় ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া পাননি। পরে তিনি জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে ভেতরে একজনকে পড়ে থাকতে দেখেন। বিষয়টি ক্যাম্পের অন্য সদস্যদের জানানো হয়। তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে নিখোঁজ এএসআই রুবেলকে মেঝেতে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।
খবর পেয়ে ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক পুলিশ সুপার সিরাজ আমিন, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক এবং উখিয়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তখন সবার উপস্থিতিতে শৌচাগারের দরজা কেটে রুবেল হোসেনের লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, একটি টর্চ লাইট, গোসলের তোয়ালে এবং সিগারেট জব্দ করা হয়েছে।
১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক সিরাজ আমিন জানান, চিকিৎসকের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ ও ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি বিবেচনায় এটি স্ট্রোকজনিত মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ক্যাম্পের শৌচাগার থেকে পুলিশ কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএন পুলিশের একটি ক্যাম্পের শৌচাগার থেকে এক পুলিশ কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রুবেল হোসেন উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থিত ১৪ এপিবিএনের ইরানি পাহাড় পুলিশ ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে ক্যাম্পের শৌচাগারের দরজা ভেঙে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকালে ক্যাম্পের নিয়মিত রোলকলে এএসআই রুবেল হোসেনকে অনুপস্থিত পাওয়া যায়। এরপর সহকর্মীরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে তার খোঁজ করেন। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।
শনিবার সকালে ক্যাম্পের বাবুর্চি শরীফ রান্নার কাজে শৌচাগারের দিকে গেলে সেটি ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। দীর্ঘ সময় ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া পাননি। পরে তিনি জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে ভেতরে একজনকে পড়ে থাকতে দেখেন। বিষয়টি ক্যাম্পের অন্য সদস্যদের জানানো হয়। তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে নিখোঁজ এএসআই রুবেলকে মেঝেতে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।
খবর পেয়ে ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক পুলিশ সুপার সিরাজ আমিন, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক এবং উখিয়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তখন সবার উপস্থিতিতে শৌচাগারের দরজা কেটে রুবেল হোসেনের লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, একটি টর্চ লাইট, গোসলের তোয়ালে এবং সিগারেট জব্দ করা হয়েছে।
১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক সিরাজ আমিন জানান, চিকিৎসকের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ ও ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি বিবেচনায় এটি স্ট্রোকজনিত মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।









