সন্তানকে শাসন করায় প্রধান শিক্ষককে চড়, গ্রেপ্তার মা

সন্তানকে শাসন করায় প্রধান শিক্ষককে চড়, গ্রেপ্তার মা
চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা

চুয়াডাঙ্গা শহরের ফার্মপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঢুকে প্রধান শিক্ষককে চড় মারার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর মাকে গ্রেগ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, বুধবার রাতে ফার্মপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে মিতালি খাতুন নামের ওই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে তার স্বামী সামসুর রহমান শুভ পলাতক রয়েছেন।
ঘটনার বর্ণনায় তিনি বলেন, ‘বুধবার সকালে ফার্মপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে মিতালি খাতুন ও তার স্বামী সামসুর রহমান শুভ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে চড় মারেন। ঘটনাটি বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয় এবং পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। রাতে প্রধান শিক্ষক চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় সামসুর রহমান ও মিতালি খাতুনকে আসামি করে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া ও মারধরের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই আসামি করা হয়েছে।’
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শারমিন আক্তার বলেন, ‘বুধবার সকালে বিদ্যালয়ে অ্যাসেম্বলি চলাকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হচ্ছিল। এ সময় দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সামসুর রহমান ও মিতালি খাতুন দম্পতির মেয়ে বিসমা জান্নাত ঐশি লাইনে দাঁড়িয়ে পেছনের আরেক শিক্ষার্থীর সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ে। প্রধান শিক্ষক তাকে ইশারায় থামতে বলেন। এরপর জাতীয় সংগীত শেষ হলে ঐশি ও অপর অপর শিক্ষার্থীকে ডেকে মারামারি করার কারণ জিজ্ঞাসা করেন প্রধান শিক্ষক। একপর্যায়ে তিনি ঐশি ও অপর শিক্ষার্থীকে চড় মেরে শাসন করেন।’
তিনি বলেন, ‘স্কুল ছুটির পর ঐশির বাবা সামসুর রহমান ও মা মিতালি খাতুন বিদ্যালয়ে এসে সন্তানকে মারার কারণ জানতে চান। এ নিয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে তাদের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সামসুর রহমান প্রধান শিক্ষককে চড় মারেন। পুরো ঘটনাটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয় এবং পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।’
শিক্ষার্থীটির মা মিতালী খাতুন বলেন, ‘আমার মেয়েকে প্রধান শিক্ষিকা চড় মেরেছেন। কোনো বিদ্যালয়ে শিশুদের মারধর করা ঠিক নয়। আমার স্বামী প্রতিবাদ করতে গেলে শিক্ষিকা আমাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এসময় রাগের মাথায় স্বামীও ওই শিক্ষিকার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। আমরা এ ঘটনায় সদর থানায় অভিযোগ দিয়েছি।’
অন্যদিকে প্রধান শিক্ষক কাবেরী করিম বলেন, ‘জাতীয় সংগীত চলাকালে বিশৃঙ্খলা করায় আমি দুই শিক্ষার্থীকে আলতোভাবে শাসন করেছি। কিন্তু এজন্য একজন অভিভাবক অফিসে ঢুকে গায়ে হাত তুলবেন, তা কখনো কল্পনাও করিনি। আমি নিজ কর্মস্থলে এমন লাঞ্ছনার শিকার হয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এ ঘটনায় আমি থানায় মামলা করেছি।’
ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি সোয়াইব হোসেন বলেন, ‘বিদ্যালয়ে ঢুকে একজন শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ঘটনা শিক্ষার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।’

চুয়াডাঙ্গা শহরের ফার্মপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঢুকে প্রধান শিক্ষককে চড় মারার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর মাকে গ্রেগ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, বুধবার রাতে ফার্মপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে মিতালি খাতুন নামের ওই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে তার স্বামী সামসুর রহমান শুভ পলাতক রয়েছেন।
ঘটনার বর্ণনায় তিনি বলেন, ‘বুধবার সকালে ফার্মপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে মিতালি খাতুন ও তার স্বামী সামসুর রহমান শুভ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে চড় মারেন। ঘটনাটি বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয় এবং পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। রাতে প্রধান শিক্ষক চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় সামসুর রহমান ও মিতালি খাতুনকে আসামি করে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া ও মারধরের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই আসামি করা হয়েছে।’
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শারমিন আক্তার বলেন, ‘বুধবার সকালে বিদ্যালয়ে অ্যাসেম্বলি চলাকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হচ্ছিল। এ সময় দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সামসুর রহমান ও মিতালি খাতুন দম্পতির মেয়ে বিসমা জান্নাত ঐশি লাইনে দাঁড়িয়ে পেছনের আরেক শিক্ষার্থীর সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ে। প্রধান শিক্ষক তাকে ইশারায় থামতে বলেন। এরপর জাতীয় সংগীত শেষ হলে ঐশি ও অপর অপর শিক্ষার্থীকে ডেকে মারামারি করার কারণ জিজ্ঞাসা করেন প্রধান শিক্ষক। একপর্যায়ে তিনি ঐশি ও অপর শিক্ষার্থীকে চড় মেরে শাসন করেন।’
তিনি বলেন, ‘স্কুল ছুটির পর ঐশির বাবা সামসুর রহমান ও মা মিতালি খাতুন বিদ্যালয়ে এসে সন্তানকে মারার কারণ জানতে চান। এ নিয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে তাদের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সামসুর রহমান প্রধান শিক্ষককে চড় মারেন। পুরো ঘটনাটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয় এবং পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।’
শিক্ষার্থীটির মা মিতালী খাতুন বলেন, ‘আমার মেয়েকে প্রধান শিক্ষিকা চড় মেরেছেন। কোনো বিদ্যালয়ে শিশুদের মারধর করা ঠিক নয়। আমার স্বামী প্রতিবাদ করতে গেলে শিক্ষিকা আমাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এসময় রাগের মাথায় স্বামীও ওই শিক্ষিকার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। আমরা এ ঘটনায় সদর থানায় অভিযোগ দিয়েছি।’
অন্যদিকে প্রধান শিক্ষক কাবেরী করিম বলেন, ‘জাতীয় সংগীত চলাকালে বিশৃঙ্খলা করায় আমি দুই শিক্ষার্থীকে আলতোভাবে শাসন করেছি। কিন্তু এজন্য একজন অভিভাবক অফিসে ঢুকে গায়ে হাত তুলবেন, তা কখনো কল্পনাও করিনি। আমি নিজ কর্মস্থলে এমন লাঞ্ছনার শিকার হয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এ ঘটনায় আমি থানায় মামলা করেছি।’
ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি সোয়াইব হোসেন বলেন, ‘বিদ্যালয়ে ঢুকে একজন শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ঘটনা শিক্ষার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।’

সন্তানকে শাসন করায় প্রধান শিক্ষককে চড়, গ্রেপ্তার মা
চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা

চুয়াডাঙ্গা শহরের ফার্মপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঢুকে প্রধান শিক্ষককে চড় মারার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর মাকে গ্রেগ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, বুধবার রাতে ফার্মপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে মিতালি খাতুন নামের ওই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে তার স্বামী সামসুর রহমান শুভ পলাতক রয়েছেন।
ঘটনার বর্ণনায় তিনি বলেন, ‘বুধবার সকালে ফার্মপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে মিতালি খাতুন ও তার স্বামী সামসুর রহমান শুভ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে চড় মারেন। ঘটনাটি বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয় এবং পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। রাতে প্রধান শিক্ষক চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় সামসুর রহমান ও মিতালি খাতুনকে আসামি করে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া ও মারধরের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই আসামি করা হয়েছে।’
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শারমিন আক্তার বলেন, ‘বুধবার সকালে বিদ্যালয়ে অ্যাসেম্বলি চলাকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হচ্ছিল। এ সময় দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সামসুর রহমান ও মিতালি খাতুন দম্পতির মেয়ে বিসমা জান্নাত ঐশি লাইনে দাঁড়িয়ে পেছনের আরেক শিক্ষার্থীর সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ে। প্রধান শিক্ষক তাকে ইশারায় থামতে বলেন। এরপর জাতীয় সংগীত শেষ হলে ঐশি ও অপর অপর শিক্ষার্থীকে ডেকে মারামারি করার কারণ জিজ্ঞাসা করেন প্রধান শিক্ষক। একপর্যায়ে তিনি ঐশি ও অপর শিক্ষার্থীকে চড় মেরে শাসন করেন।’
তিনি বলেন, ‘স্কুল ছুটির পর ঐশির বাবা সামসুর রহমান ও মা মিতালি খাতুন বিদ্যালয়ে এসে সন্তানকে মারার কারণ জানতে চান। এ নিয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে তাদের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সামসুর রহমান প্রধান শিক্ষককে চড় মারেন। পুরো ঘটনাটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয় এবং পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।’
শিক্ষার্থীটির মা মিতালী খাতুন বলেন, ‘আমার মেয়েকে প্রধান শিক্ষিকা চড় মেরেছেন। কোনো বিদ্যালয়ে শিশুদের মারধর করা ঠিক নয়। আমার স্বামী প্রতিবাদ করতে গেলে শিক্ষিকা আমাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এসময় রাগের মাথায় স্বামীও ওই শিক্ষিকার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। আমরা এ ঘটনায় সদর থানায় অভিযোগ দিয়েছি।’
অন্যদিকে প্রধান শিক্ষক কাবেরী করিম বলেন, ‘জাতীয় সংগীত চলাকালে বিশৃঙ্খলা করায় আমি দুই শিক্ষার্থীকে আলতোভাবে শাসন করেছি। কিন্তু এজন্য একজন অভিভাবক অফিসে ঢুকে গায়ে হাত তুলবেন, তা কখনো কল্পনাও করিনি। আমি নিজ কর্মস্থলে এমন লাঞ্ছনার শিকার হয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এ ঘটনায় আমি থানায় মামলা করেছি।’
ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি সোয়াইব হোসেন বলেন, ‘বিদ্যালয়ে ঢুকে একজন শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ঘটনা শিক্ষার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।’




