টাকা নেবেন কিন্তু ভোটটা দেবেন হাঁস মার্কায়: রুমিন ফারহানা

টাকা নেবেন কিন্তু ভোটটা দেবেন হাঁস মার্কায়: রুমিন ফারহানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফরহানা বলেছেন, আমার কানে অনেক রকম খবর আসছে। বিভিন্ন ভোটারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা ও উপহার দেওয়া হচ্ছে। আমার অনুরোধ থাকবে টাকাটাও নেবেন, উপহারটাও নেবেন কিন্তু ভোটটা দেবেন হাঁস মার্কায়।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর আমিনপাড়ায় এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফরহানা বলেন, যারা টাকা দিয়ে ভোট কেনে, পরে সেই টাকাই আপনাদের হক থেকে মেরে খায়। আজ যারা উপহার নিয়ে আপনার দরজায় আসছে, নির্বাচিত হওয়ার পর তাদের খুঁজেও পাবেন না। আমার অনুরোধ তারা যেহেতু পাপের টাকা ছড়াচ্ছে, ছড়াতে দেন। টাকা দিলে নেবেন, এতে কোনো অপরাধ নেই। কিন্তু ভোটটা এই ধরনের বাটপারদের দেবেন না।
তিনি আরও বলেন, আমি কোনো দলের প্রার্থী নই, আমি আপনাদের প্রার্থী। আমি কোনো দল চিনি না, দলের লোকও চিনি না। আমার কাছে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াত আরো যে কটা দল আছে সবাই এক। যেটা ইনসাফ, যেটা ন্যায্য এবং আইনসম্মত এমপি হলে সেটাই করব।
তিনি বলেন, আমি কারও সঙ্গে ঝগড়া-ফ্যাসাদ করি না। তবে কেউ যদি আমার সঙ্গে লাগতে আসে, আমি তাকে ছাড়ি না। আপনারা দেখেছেন নির্বাচন কমিশনে আমার দুইটি ইউনিয়ন নিয়ে যখন মামলা চলেছে, তখন কী হয়েছে। কিছুদিন আগে প্রশাসন যখন আমার সঙ্গে জুলুম করেছে, তখনও আপনারা দেখেছেন। আমি অন্যায়ের সঙ্গে কখনো আপোষ করি না।
ভোটারদের উদ্দেশে রুমিন ফারহানা বলেন, আপনাদের কাছে অনুরোধ, অন্তর স্থির রাখবেন। হাঁস মার্কার বাইরে যেন আপনাদের একটি ভোটও না যায়। হাঁস মার্কা হলো বড় দলের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতীক। এসব অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে আপনারা হাঁস মার্কায় ভোট দিন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফরহানা বলেছেন, আমার কানে অনেক রকম খবর আসছে। বিভিন্ন ভোটারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা ও উপহার দেওয়া হচ্ছে। আমার অনুরোধ থাকবে টাকাটাও নেবেন, উপহারটাও নেবেন কিন্তু ভোটটা দেবেন হাঁস মার্কায়।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর আমিনপাড়ায় এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফরহানা বলেন, যারা টাকা দিয়ে ভোট কেনে, পরে সেই টাকাই আপনাদের হক থেকে মেরে খায়। আজ যারা উপহার নিয়ে আপনার দরজায় আসছে, নির্বাচিত হওয়ার পর তাদের খুঁজেও পাবেন না। আমার অনুরোধ তারা যেহেতু পাপের টাকা ছড়াচ্ছে, ছড়াতে দেন। টাকা দিলে নেবেন, এতে কোনো অপরাধ নেই। কিন্তু ভোটটা এই ধরনের বাটপারদের দেবেন না।
তিনি আরও বলেন, আমি কোনো দলের প্রার্থী নই, আমি আপনাদের প্রার্থী। আমি কোনো দল চিনি না, দলের লোকও চিনি না। আমার কাছে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াত আরো যে কটা দল আছে সবাই এক। যেটা ইনসাফ, যেটা ন্যায্য এবং আইনসম্মত এমপি হলে সেটাই করব।
তিনি বলেন, আমি কারও সঙ্গে ঝগড়া-ফ্যাসাদ করি না। তবে কেউ যদি আমার সঙ্গে লাগতে আসে, আমি তাকে ছাড়ি না। আপনারা দেখেছেন নির্বাচন কমিশনে আমার দুইটি ইউনিয়ন নিয়ে যখন মামলা চলেছে, তখন কী হয়েছে। কিছুদিন আগে প্রশাসন যখন আমার সঙ্গে জুলুম করেছে, তখনও আপনারা দেখেছেন। আমি অন্যায়ের সঙ্গে কখনো আপোষ করি না।
ভোটারদের উদ্দেশে রুমিন ফারহানা বলেন, আপনাদের কাছে অনুরোধ, অন্তর স্থির রাখবেন। হাঁস মার্কার বাইরে যেন আপনাদের একটি ভোটও না যায়। হাঁস মার্কা হলো বড় দলের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতীক। এসব অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে আপনারা হাঁস মার্কায় ভোট দিন।

টাকা নেবেন কিন্তু ভোটটা দেবেন হাঁস মার্কায়: রুমিন ফারহানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফরহানা বলেছেন, আমার কানে অনেক রকম খবর আসছে। বিভিন্ন ভোটারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা ও উপহার দেওয়া হচ্ছে। আমার অনুরোধ থাকবে টাকাটাও নেবেন, উপহারটাও নেবেন কিন্তু ভোটটা দেবেন হাঁস মার্কায়।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর আমিনপাড়ায় এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফরহানা বলেন, যারা টাকা দিয়ে ভোট কেনে, পরে সেই টাকাই আপনাদের হক থেকে মেরে খায়। আজ যারা উপহার নিয়ে আপনার দরজায় আসছে, নির্বাচিত হওয়ার পর তাদের খুঁজেও পাবেন না। আমার অনুরোধ তারা যেহেতু পাপের টাকা ছড়াচ্ছে, ছড়াতে দেন। টাকা দিলে নেবেন, এতে কোনো অপরাধ নেই। কিন্তু ভোটটা এই ধরনের বাটপারদের দেবেন না।
তিনি আরও বলেন, আমি কোনো দলের প্রার্থী নই, আমি আপনাদের প্রার্থী। আমি কোনো দল চিনি না, দলের লোকও চিনি না। আমার কাছে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াত আরো যে কটা দল আছে সবাই এক। যেটা ইনসাফ, যেটা ন্যায্য এবং আইনসম্মত এমপি হলে সেটাই করব।
তিনি বলেন, আমি কারও সঙ্গে ঝগড়া-ফ্যাসাদ করি না। তবে কেউ যদি আমার সঙ্গে লাগতে আসে, আমি তাকে ছাড়ি না। আপনারা দেখেছেন নির্বাচন কমিশনে আমার দুইটি ইউনিয়ন নিয়ে যখন মামলা চলেছে, তখন কী হয়েছে। কিছুদিন আগে প্রশাসন যখন আমার সঙ্গে জুলুম করেছে, তখনও আপনারা দেখেছেন। আমি অন্যায়ের সঙ্গে কখনো আপোষ করি না।
ভোটারদের উদ্দেশে রুমিন ফারহানা বলেন, আপনাদের কাছে অনুরোধ, অন্তর স্থির রাখবেন। হাঁস মার্কার বাইরে যেন আপনাদের একটি ভোটও না যায়। হাঁস মার্কা হলো বড় দলের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতীক। এসব অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে আপনারা হাঁস মার্কায় ভোট দিন।




