পরিচয় গোপন করে কারামুক্ত হত্যা মামলার আসামি, ডেপুটি জেলারসহ বরখাস্ত ৮

পরিচয় গোপন করে কারামুক্ত হত্যা মামলার আসামি, ডেপুটি জেলারসহ বরখাস্ত ৮
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে এক হাজতির জামিনের কাগজ ব্যবহার করে হত্যা মামলার এক আসামি পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ডেপুটি জেলারসহ ৮ জনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে কারা প্রশাসন।
বরখাস্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলেন– ডেপুটি জেলার মো. আজহারুল ইসলাম, মুক্তি শাখার মো. হানিফ মিয়া, ভর্তি শাখার ইনচার্জ শাহাব উদ্দিন, কারাভ্যন্তরের গোয়েন্দা রবিউল আলম, আইসিটি শাখার মো. জাহিদ হাসান ও পিসিআইডিএস শাখার মোহাম্মদ আবু খায়ের, কারারক্ষী শাহাদাত হোসেন ও মোরশেদ আলম ।
প্রশাসন জানায়, পলাতক হাজতির নাম হৃদয় (২৮)। তিনি কসবা উপজেলার নিমবাড়ি এলাকার মুজিবুর মিয়ার ছেলে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারের জেলার মনজুরুল ইসলাম বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় একটি মামলা করেন। শনিবার রাতে বিষয়টি জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, পালিয়ে যাওয়া হৃদয় আখাউড়া থানার একটি হত্যা মামলার আসামি।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫২ মিনিটে ২নং হাজতি দিদার হোসেনের জামিন সংক্রান্ত কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছালে মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়। এসময় ১নং হাজতি হৃদয় কৌশলে নিজেকে দিদার পরিচয় দেয়। কারাগারে থাকা আরও কয়েকজন হাজতি তাকে দিদার বলে শনাক্ত করেন। তখন ডিউটিতে থাকা কারারক্ষীরা কাগজপত্র ও বন্দিদের শনাক্তকরণের ভিত্তিতে দিদার হোসেনের বদলে হৃদয়কে কারামুক্ত করে দেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, পলাতক হাজতিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চট্টগ্রাম বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক মো. ছগির মিয়া বলেন, অন্য আসামির জামিনের কাগজ দেখিয়ে হৃদয় নামে এক আসামি কারাগার থেকে কৌশলে পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ ৮ জনকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে এক হাজতির জামিনের কাগজ ব্যবহার করে হত্যা মামলার এক আসামি পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ডেপুটি জেলারসহ ৮ জনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে কারা প্রশাসন।
বরখাস্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলেন– ডেপুটি জেলার মো. আজহারুল ইসলাম, মুক্তি শাখার মো. হানিফ মিয়া, ভর্তি শাখার ইনচার্জ শাহাব উদ্দিন, কারাভ্যন্তরের গোয়েন্দা রবিউল আলম, আইসিটি শাখার মো. জাহিদ হাসান ও পিসিআইডিএস শাখার মোহাম্মদ আবু খায়ের, কারারক্ষী শাহাদাত হোসেন ও মোরশেদ আলম ।
প্রশাসন জানায়, পলাতক হাজতির নাম হৃদয় (২৮)। তিনি কসবা উপজেলার নিমবাড়ি এলাকার মুজিবুর মিয়ার ছেলে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারের জেলার মনজুরুল ইসলাম বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় একটি মামলা করেন। শনিবার রাতে বিষয়টি জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, পালিয়ে যাওয়া হৃদয় আখাউড়া থানার একটি হত্যা মামলার আসামি।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫২ মিনিটে ২নং হাজতি দিদার হোসেনের জামিন সংক্রান্ত কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছালে মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়। এসময় ১নং হাজতি হৃদয় কৌশলে নিজেকে দিদার পরিচয় দেয়। কারাগারে থাকা আরও কয়েকজন হাজতি তাকে দিদার বলে শনাক্ত করেন। তখন ডিউটিতে থাকা কারারক্ষীরা কাগজপত্র ও বন্দিদের শনাক্তকরণের ভিত্তিতে দিদার হোসেনের বদলে হৃদয়কে কারামুক্ত করে দেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, পলাতক হাজতিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চট্টগ্রাম বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক মো. ছগির মিয়া বলেন, অন্য আসামির জামিনের কাগজ দেখিয়ে হৃদয় নামে এক আসামি কারাগার থেকে কৌশলে পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ ৮ জনকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে।

পরিচয় গোপন করে কারামুক্ত হত্যা মামলার আসামি, ডেপুটি জেলারসহ বরখাস্ত ৮
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে এক হাজতির জামিনের কাগজ ব্যবহার করে হত্যা মামলার এক আসামি পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ডেপুটি জেলারসহ ৮ জনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে কারা প্রশাসন।
বরখাস্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলেন– ডেপুটি জেলার মো. আজহারুল ইসলাম, মুক্তি শাখার মো. হানিফ মিয়া, ভর্তি শাখার ইনচার্জ শাহাব উদ্দিন, কারাভ্যন্তরের গোয়েন্দা রবিউল আলম, আইসিটি শাখার মো. জাহিদ হাসান ও পিসিআইডিএস শাখার মোহাম্মদ আবু খায়ের, কারারক্ষী শাহাদাত হোসেন ও মোরশেদ আলম ।
প্রশাসন জানায়, পলাতক হাজতির নাম হৃদয় (২৮)। তিনি কসবা উপজেলার নিমবাড়ি এলাকার মুজিবুর মিয়ার ছেলে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারের জেলার মনজুরুল ইসলাম বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় একটি মামলা করেন। শনিবার রাতে বিষয়টি জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, পালিয়ে যাওয়া হৃদয় আখাউড়া থানার একটি হত্যা মামলার আসামি।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫২ মিনিটে ২নং হাজতি দিদার হোসেনের জামিন সংক্রান্ত কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছালে মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়। এসময় ১নং হাজতি হৃদয় কৌশলে নিজেকে দিদার পরিচয় দেয়। কারাগারে থাকা আরও কয়েকজন হাজতি তাকে দিদার বলে শনাক্ত করেন। তখন ডিউটিতে থাকা কারারক্ষীরা কাগজপত্র ও বন্দিদের শনাক্তকরণের ভিত্তিতে দিদার হোসেনের বদলে হৃদয়কে কারামুক্ত করে দেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, পলাতক হাজতিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চট্টগ্রাম বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক মো. ছগির মিয়া বলেন, অন্য আসামির জামিনের কাগজ দেখিয়ে হৃদয় নামে এক আসামি কারাগার থেকে কৌশলে পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ ৮ জনকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে।




