ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, আইনজীবীর চোখ ক্ষতিগ্রস্ত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, আইনজীবীর চোখ ক্ষতিগ্রস্ত
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা

ছোড়া পাথরের আঘাতে তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আয়কর আইনজীবী শ্যামল চন্দ্র দাসের ডান চোখ সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাটি নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিলে বিষয়টি জানাজানি হয়। গত সোমবার রাত দেড়টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তালশহর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
শ্যামল চন্দ্র দাস জেলা শহরের কান্দিপাড়ার রঘুনাথ জিওর আখড়া সর্বজনীন মন্দিরসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আয়কর আইনজীবী সমিতির সদস্য।
আহত ব্যক্তির পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার জেলা আয়কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি মানছুরুল হকের সঙ্গে জরুরি কাজে ঢাকায় যান শ্যামল চন্দ্র দাস। একই দিন রাত সোয়া ১১টার দিকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের ‘ন’ বগিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্দেশে রওনা হন তিনি। ওই বগির জানালার পাশের ৩৩ নম্বর আসনে বসেছিলেন জেলা আয়কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি মানছুরুল হক। তার পাশের ৩৪ নম্বর আসনে ছিলেন শ্যামল। রাত দেড়টার দিকে ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার তালশহর এলাকায় পৌঁছালে অন্ধকার থেকে দুর্বৃত্তরা চলন্ত ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে। বাইরে থেকে ছোড়া একটি পাথর শ্যামলের ডান চোখে আঘাত করে। এতে তার চোখ দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে।
ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে যাত্রাবিরতি দিলে স্থানীয় লোকজন শ্যামল চন্দ্র দাসকে উদ্ধার করে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন। স্বজনরা তাকে সেখানে নিয়ে যান। মঙ্গলবার তার ডান চোখে অস্ত্রোপচার করা হয়। তবে চোখটি সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে গেছে বলে পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন।
আহত আয়কর আইনজীবী শ্যামল চন্দ্র দাস গণমাধ্যমকে বলেন, ‘চিকিৎসক জানিয়েছেন, ডান চোখে আর দৃষ্টিশক্তি ফিরবে না। আমি এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেবো। চলন্ত ট্রেনে যারা পাথর ছোড়ে, তাদের ক্রসফায়ারে গুলি করে মেরে ফেলা উচিত।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আয়কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি মানছুরুল হক বলেন, ‘চলন্ত ট্রেনে পাথর ছোড়া একটি বড় ধরনের অপরাধ। দুর্বৃত্তের ছোড়া পাথরে শ্যামলের একটি চোখের দৃষ্টি হারিয়েছে। শ্যামলের আর্থিক অবস্থা বেশি ভালো নয়। এ ঘটনায় আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিবো।’
আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল কুদ্দুস গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দুই দিন হলো এই থানায় যোগ দিয়েছি। ঘটনাটি আমার জানা নেই। কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ছোড়া পাথরের আঘাতে তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আয়কর আইনজীবী শ্যামল চন্দ্র দাসের ডান চোখ সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাটি নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিলে বিষয়টি জানাজানি হয়। গত সোমবার রাত দেড়টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তালশহর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
শ্যামল চন্দ্র দাস জেলা শহরের কান্দিপাড়ার রঘুনাথ জিওর আখড়া সর্বজনীন মন্দিরসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আয়কর আইনজীবী সমিতির সদস্য।
আহত ব্যক্তির পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার জেলা আয়কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি মানছুরুল হকের সঙ্গে জরুরি কাজে ঢাকায় যান শ্যামল চন্দ্র দাস। একই দিন রাত সোয়া ১১টার দিকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের ‘ন’ বগিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্দেশে রওনা হন তিনি। ওই বগির জানালার পাশের ৩৩ নম্বর আসনে বসেছিলেন জেলা আয়কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি মানছুরুল হক। তার পাশের ৩৪ নম্বর আসনে ছিলেন শ্যামল। রাত দেড়টার দিকে ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার তালশহর এলাকায় পৌঁছালে অন্ধকার থেকে দুর্বৃত্তরা চলন্ত ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে। বাইরে থেকে ছোড়া একটি পাথর শ্যামলের ডান চোখে আঘাত করে। এতে তার চোখ দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে।
ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে যাত্রাবিরতি দিলে স্থানীয় লোকজন শ্যামল চন্দ্র দাসকে উদ্ধার করে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন। স্বজনরা তাকে সেখানে নিয়ে যান। মঙ্গলবার তার ডান চোখে অস্ত্রোপচার করা হয়। তবে চোখটি সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে গেছে বলে পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন।
আহত আয়কর আইনজীবী শ্যামল চন্দ্র দাস গণমাধ্যমকে বলেন, ‘চিকিৎসক জানিয়েছেন, ডান চোখে আর দৃষ্টিশক্তি ফিরবে না। আমি এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেবো। চলন্ত ট্রেনে যারা পাথর ছোড়ে, তাদের ক্রসফায়ারে গুলি করে মেরে ফেলা উচিত।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আয়কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি মানছুরুল হক বলেন, ‘চলন্ত ট্রেনে পাথর ছোড়া একটি বড় ধরনের অপরাধ। দুর্বৃত্তের ছোড়া পাথরে শ্যামলের একটি চোখের দৃষ্টি হারিয়েছে। শ্যামলের আর্থিক অবস্থা বেশি ভালো নয়। এ ঘটনায় আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিবো।’
আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল কুদ্দুস গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দুই দিন হলো এই থানায় যোগ দিয়েছি। ঘটনাটি আমার জানা নেই। কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, আইনজীবীর চোখ ক্ষতিগ্রস্ত
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা

ছোড়া পাথরের আঘাতে তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আয়কর আইনজীবী শ্যামল চন্দ্র দাসের ডান চোখ সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাটি নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিলে বিষয়টি জানাজানি হয়। গত সোমবার রাত দেড়টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তালশহর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
শ্যামল চন্দ্র দাস জেলা শহরের কান্দিপাড়ার রঘুনাথ জিওর আখড়া সর্বজনীন মন্দিরসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আয়কর আইনজীবী সমিতির সদস্য।
আহত ব্যক্তির পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার জেলা আয়কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি মানছুরুল হকের সঙ্গে জরুরি কাজে ঢাকায় যান শ্যামল চন্দ্র দাস। একই দিন রাত সোয়া ১১টার দিকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের ‘ন’ বগিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্দেশে রওনা হন তিনি। ওই বগির জানালার পাশের ৩৩ নম্বর আসনে বসেছিলেন জেলা আয়কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি মানছুরুল হক। তার পাশের ৩৪ নম্বর আসনে ছিলেন শ্যামল। রাত দেড়টার দিকে ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার তালশহর এলাকায় পৌঁছালে অন্ধকার থেকে দুর্বৃত্তরা চলন্ত ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে। বাইরে থেকে ছোড়া একটি পাথর শ্যামলের ডান চোখে আঘাত করে। এতে তার চোখ দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে।
ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে যাত্রাবিরতি দিলে স্থানীয় লোকজন শ্যামল চন্দ্র দাসকে উদ্ধার করে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন। স্বজনরা তাকে সেখানে নিয়ে যান। মঙ্গলবার তার ডান চোখে অস্ত্রোপচার করা হয়। তবে চোখটি সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে গেছে বলে পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন।
আহত আয়কর আইনজীবী শ্যামল চন্দ্র দাস গণমাধ্যমকে বলেন, ‘চিকিৎসক জানিয়েছেন, ডান চোখে আর দৃষ্টিশক্তি ফিরবে না। আমি এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেবো। চলন্ত ট্রেনে যারা পাথর ছোড়ে, তাদের ক্রসফায়ারে গুলি করে মেরে ফেলা উচিত।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আয়কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি মানছুরুল হক বলেন, ‘চলন্ত ট্রেনে পাথর ছোড়া একটি বড় ধরনের অপরাধ। দুর্বৃত্তের ছোড়া পাথরে শ্যামলের একটি চোখের দৃষ্টি হারিয়েছে। শ্যামলের আর্থিক অবস্থা বেশি ভালো নয়। এ ঘটনায় আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিবো।’
আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল কুদ্দুস গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দুই দিন হলো এই থানায় যোগ দিয়েছি। ঘটনাটি আমার জানা নেই। কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’




