নন্দীগ্রামে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ৬

নন্দীগ্রামে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ৬
বগুড়া সংবাদদাতা

বগুড়া-৪ আসনে নন্দীগ্রাম উপজেলায় বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ৬ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) মধ্য রাতে উপজেলার থালতামাজগ্রাম ইউনিয়নের পারশুন গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
বগুড়া-৪ আসনে জামায়েত ইসলামীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জুলাইযোদ্ধা আব্দুল্লাহেল গালিব ভুস্কুর গ্রামের রাস্তা দিয়ে মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ধানের শীষের মিছিলের কয়েকজন গালিবকে মারপিট করে। এ নিয়ে জামায়াত কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনার জের ধরে পারশুন গ্রামে বিএনপির লোকজন জামায়াত কর্মী ফারুক ও বেল্লালকে তুলে নিয়ে ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মাসুদ রানার বাড়িতে আটকে রেখে মারধর করে। এ খবর পেয়ে জামায়াতের নেতাকর্মীরা মাসুদ রানার বাড়িতে যায়। সেখানে আটকে রাখা দুই কর্মীকে উদ্ধার করতে গিয়ে সংঘর্ষ হয়। এতে বিএনপি নেতা মাসুদ রানা, জামায়াত কর্মী ফারুক, বেল্লাল, আমিনুলসহ ৪ থেকে ৫ জন আহত হন। আহতদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিএনপির প্রার্থী মোশারফ হোসেন বলেন, ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণকালে বিএনপি কর্মীরা পারশুন গ্রামের জামায়াতের দুইজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ পৌঁছার পর তাদের সামনেই জামায়াতের নেতাকর্মীরা বিএনপি নেতা মাসুদ রানার বাড়িতে হামলা করে। মাসুদ রানাকে মারপিট করে তাদের কর্মীকে ছিনিয়ে নেয়।
নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, পুলিশ পৌঁছার আগেই মারামারির ঘটনা ঘটে। তবে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের যে অভিযোগ করা হচ্ছে সে বিষয়ে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

বগুড়া-৪ আসনে নন্দীগ্রাম উপজেলায় বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ৬ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) মধ্য রাতে উপজেলার থালতামাজগ্রাম ইউনিয়নের পারশুন গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
বগুড়া-৪ আসনে জামায়েত ইসলামীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জুলাইযোদ্ধা আব্দুল্লাহেল গালিব ভুস্কুর গ্রামের রাস্তা দিয়ে মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ধানের শীষের মিছিলের কয়েকজন গালিবকে মারপিট করে। এ নিয়ে জামায়াত কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনার জের ধরে পারশুন গ্রামে বিএনপির লোকজন জামায়াত কর্মী ফারুক ও বেল্লালকে তুলে নিয়ে ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মাসুদ রানার বাড়িতে আটকে রেখে মারধর করে। এ খবর পেয়ে জামায়াতের নেতাকর্মীরা মাসুদ রানার বাড়িতে যায়। সেখানে আটকে রাখা দুই কর্মীকে উদ্ধার করতে গিয়ে সংঘর্ষ হয়। এতে বিএনপি নেতা মাসুদ রানা, জামায়াত কর্মী ফারুক, বেল্লাল, আমিনুলসহ ৪ থেকে ৫ জন আহত হন। আহতদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিএনপির প্রার্থী মোশারফ হোসেন বলেন, ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণকালে বিএনপি কর্মীরা পারশুন গ্রামের জামায়াতের দুইজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ পৌঁছার পর তাদের সামনেই জামায়াতের নেতাকর্মীরা বিএনপি নেতা মাসুদ রানার বাড়িতে হামলা করে। মাসুদ রানাকে মারপিট করে তাদের কর্মীকে ছিনিয়ে নেয়।
নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, পুলিশ পৌঁছার আগেই মারামারির ঘটনা ঘটে। তবে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের যে অভিযোগ করা হচ্ছে সে বিষয়ে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

নন্দীগ্রামে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ৬
বগুড়া সংবাদদাতা

বগুড়া-৪ আসনে নন্দীগ্রাম উপজেলায় বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ৬ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) মধ্য রাতে উপজেলার থালতামাজগ্রাম ইউনিয়নের পারশুন গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
বগুড়া-৪ আসনে জামায়েত ইসলামীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জুলাইযোদ্ধা আব্দুল্লাহেল গালিব ভুস্কুর গ্রামের রাস্তা দিয়ে মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ধানের শীষের মিছিলের কয়েকজন গালিবকে মারপিট করে। এ নিয়ে জামায়াত কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনার জের ধরে পারশুন গ্রামে বিএনপির লোকজন জামায়াত কর্মী ফারুক ও বেল্লালকে তুলে নিয়ে ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মাসুদ রানার বাড়িতে আটকে রেখে মারধর করে। এ খবর পেয়ে জামায়াতের নেতাকর্মীরা মাসুদ রানার বাড়িতে যায়। সেখানে আটকে রাখা দুই কর্মীকে উদ্ধার করতে গিয়ে সংঘর্ষ হয়। এতে বিএনপি নেতা মাসুদ রানা, জামায়াত কর্মী ফারুক, বেল্লাল, আমিনুলসহ ৪ থেকে ৫ জন আহত হন। আহতদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিএনপির প্রার্থী মোশারফ হোসেন বলেন, ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণকালে বিএনপি কর্মীরা পারশুন গ্রামের জামায়াতের দুইজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ পৌঁছার পর তাদের সামনেই জামায়াতের নেতাকর্মীরা বিএনপি নেতা মাসুদ রানার বাড়িতে হামলা করে। মাসুদ রানাকে মারপিট করে তাদের কর্মীকে ছিনিয়ে নেয়।
নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, পুলিশ পৌঁছার আগেই মারামারির ঘটনা ঘটে। তবে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের যে অভিযোগ করা হচ্ছে সে বিষয়ে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।




