শজিমেকে রোগীর স্বজন ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মারামারি, আহত ১২

শজিমেকে রোগীর স্বজন ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মারামারি, আহত ১২
বগুড়া সংবাদদাতা

বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে একজন রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রোগীর স্বজন ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১২ জন আহত হয়েছেন বলে উভয় পক্ষ দাবি করেছে।
ঘটনার পর মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টা থেকে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে হাসপাতালে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দাবি, ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে মিড-লেভেল ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওপর রোগীর স্বজনসহ বহিরাগতরা হামলা চালান। পরে রোগীর ৬ জন স্বজনকে হাসপাতালে আটকে রাখেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। প্রায় তিন ঘণ্টা পর আহত অবস্থায় হাসপাতালের ভেতর থেকে তাদের উদ্ধার করে পুলিশ।
বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইব্রাহিম আলী জানান, হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে রোগীর স্বজন ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা শুনে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তারা হাসপাতালে যান। এ সময় ইন্টার্ন চিকিৎসকরা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে বহিরাগতরা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছেন। তারা বহিরাগত ৬ জনকে হাসপাতালের ভেতরে আটকে রেখেছেন। তাদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে ঘটনার পর ইন্টার্ন চিকিৎসকরা হাসপাতালে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন বলেও জানান তারা।
এদিকে, নিহত রোগী আব্দুল মালেকের স্বজনদের দাবি, একজন ইন্টার্ন চিকিৎসক ভুল ইনজেকশন প্রয়োগ করায় তিনি মারা যান। এ বিষয়টি নিয়ে তার স্বজনরা কথা বলতে গেলে প্রথমে বাকবিতণ্ডা এবং একপর্যায়ে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে হাতাহাতি শুরু হয়।
সদর থানা পুলিশ বলছে, এ ঘটনায় জড়িত দুই পক্ষের লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে একজন রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রোগীর স্বজন ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১২ জন আহত হয়েছেন বলে উভয় পক্ষ দাবি করেছে।
ঘটনার পর মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টা থেকে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে হাসপাতালে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দাবি, ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে মিড-লেভেল ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওপর রোগীর স্বজনসহ বহিরাগতরা হামলা চালান। পরে রোগীর ৬ জন স্বজনকে হাসপাতালে আটকে রাখেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। প্রায় তিন ঘণ্টা পর আহত অবস্থায় হাসপাতালের ভেতর থেকে তাদের উদ্ধার করে পুলিশ।
বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইব্রাহিম আলী জানান, হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে রোগীর স্বজন ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা শুনে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তারা হাসপাতালে যান। এ সময় ইন্টার্ন চিকিৎসকরা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে বহিরাগতরা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছেন। তারা বহিরাগত ৬ জনকে হাসপাতালের ভেতরে আটকে রেখেছেন। তাদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে ঘটনার পর ইন্টার্ন চিকিৎসকরা হাসপাতালে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন বলেও জানান তারা।
এদিকে, নিহত রোগী আব্দুল মালেকের স্বজনদের দাবি, একজন ইন্টার্ন চিকিৎসক ভুল ইনজেকশন প্রয়োগ করায় তিনি মারা যান। এ বিষয়টি নিয়ে তার স্বজনরা কথা বলতে গেলে প্রথমে বাকবিতণ্ডা এবং একপর্যায়ে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে হাতাহাতি শুরু হয়।
সদর থানা পুলিশ বলছে, এ ঘটনায় জড়িত দুই পক্ষের লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শজিমেকে রোগীর স্বজন ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মারামারি, আহত ১২
বগুড়া সংবাদদাতা

বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে একজন রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রোগীর স্বজন ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১২ জন আহত হয়েছেন বলে উভয় পক্ষ দাবি করেছে।
ঘটনার পর মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টা থেকে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে হাসপাতালে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দাবি, ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে মিড-লেভেল ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওপর রোগীর স্বজনসহ বহিরাগতরা হামলা চালান। পরে রোগীর ৬ জন স্বজনকে হাসপাতালে আটকে রাখেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। প্রায় তিন ঘণ্টা পর আহত অবস্থায় হাসপাতালের ভেতর থেকে তাদের উদ্ধার করে পুলিশ।
বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইব্রাহিম আলী জানান, হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে রোগীর স্বজন ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা শুনে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তারা হাসপাতালে যান। এ সময় ইন্টার্ন চিকিৎসকরা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে বহিরাগতরা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছেন। তারা বহিরাগত ৬ জনকে হাসপাতালের ভেতরে আটকে রেখেছেন। তাদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে ঘটনার পর ইন্টার্ন চিকিৎসকরা হাসপাতালে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন বলেও জানান তারা।
এদিকে, নিহত রোগী আব্দুল মালেকের স্বজনদের দাবি, একজন ইন্টার্ন চিকিৎসক ভুল ইনজেকশন প্রয়োগ করায় তিনি মারা যান। এ বিষয়টি নিয়ে তার স্বজনরা কথা বলতে গেলে প্রথমে বাকবিতণ্ডা এবং একপর্যায়ে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে হাতাহাতি শুরু হয়।
সদর থানা পুলিশ বলছে, এ ঘটনায় জড়িত দুই পক্ষের লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



-CznNewsLab-978957.jpg)





