শিরোনাম

ইলিশা নদীতে বাল্কহেড থামিয়ে চাঁদাবাজি, হাতেনাতে আটক ২

বরিশাল সংবাদদাতা
বরিশাল সংবাদদাতা
ইলিশা নদীতে বাল্কহেড থামিয়ে চাঁদাবাজি, হাতেনাতে আটক ২
আটককৃত ২ আসামি। ছবি: সিজেডএন টোয়েন্টিফোর

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ইলিশা নদীতে পণ্যবাহী বাল্কহেডের গতিরোধ করে চাঁদাবাজির সময় দুই ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করেছে নৌ-পুলিশ। সোমবার (২২ জুন) বেলা পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার সাদেকপুর গ্রামসংলগ্ন ইলিশা নদীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলো– ভোলা জেলার ইলিশা এলাকার কালুপুর গ্রামের মো. শাহাবুদ্দিন বেপারীর ছেলে মো. সজিব বেপারী (২৮) এবং মো. সিদ্দিক মাঝির ছেলে মো. মাইন উদ্দিন মাঝি (৩৫)।

নৌ-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ইলিশা নদীসহ আশপাশের নৌপথে পণ্যবাহী জাহাজ ও বাল্কহেড থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে কালিগঞ্জ নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির একটি বিশেষ টিম সোমবার সাদেকপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে একটি পণ্যবাহী বাল্কহেডের গতিরোধ করে চাঁদা আদায়ের সময় দুই ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তবে নৌ পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চাঁদাবাজ চক্রের আরও কয়েকজন সদস্য দ্রুতগতির স্পিডবোটে করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী বাল্কহেডের সুকানি আলম জানান, তাদের বাল্কহেডটি ইলিশা নদী দিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছিল। এ সময় একটি স্পিডবোটে করে কয়েকজন ব্যক্তি এসে নৌযানটির পথরোধ করে চাঁদা দাবি করে। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলে নৌ-পুলিশ পৌঁছালে চক্রের কয়েকজন সদস্য পালিয়ে যায়। পরে বাল্কহেডের শ্রমিকরা দুইজনকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

বরিশাল কালিগঞ্জ নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. এনামুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী সুকানি আলম বাদী হয়ে মেহেন্দিগঞ্জ থানায় একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নৌপথে পণ্য পরিবহনকারী ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও নৌযান চালকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌ-পুলিশের নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। পালিয়ে যাওয়া চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।