শিরোনাম

প্রাণের কারখানা পরিদর্শনে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রাণের কারখানা পরিদর্শনে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত
আম সংগ্রহ ও পাল্পিং কার্যকম উদ্বোধন করেছেন ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত মিস লিসতিওয়াতি।

দেশের সর্ববৃহৎ কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান প্রাণ এর আম সংগ্রহ ও পাল্পিং কারখানা পরিদর্শন করেছেন ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত মিস লিসতিওয়াতি।

বুধবার (৩ জুন) রাজশাহীর গোদাগাড়িতে অবস্থিত প্রাণ এর বরেন্দ্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক (বিআইপি) পরিদর্শন করেন তিনি।

ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে বরেন্দ্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে স্বাগত জানান প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল এবং কারখানার জেনারেল ম্যানেজার হযরত আলী।

এসময় তাকে প্রাণ এর উৎপাদন ও দেশ-বিদেশে বিপণন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করা হয়। পরে মিস লিসতিওয়াতি বরেন্দ্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের বিভিন্ন উৎপাদন প্লান্ট পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি প্রাণ এর আম সংগ্রহ ও পাল্পিং কার্যকম উদ্বোধন করেন এবং প্রাণ এর আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থার ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যকার বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণ এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পখাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত।

প্রাণ গ্রুপ ম্যাংগো ড্রিংক, জুস, ম্যাংগো বারসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী উৎপাদনের লক্ষ্যে আম সংগ্রহ ও পাল্পিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। চলতি মৌসুমে নাটোর, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, দিনাজপুর, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও সাতক্ষীরা জেলা থেকে আম সংগ্রহ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রাণ মূলত পাল্প উৎপাদনের জন্য গুটি ও আশ্বিনা জাতের আম সংগ্রহ করে থাকে। জুন মাসজুড়ে গুটি আম সংগ্রহ করা হচ্ছে। জুলাই থেকে সংগ্রহ করা হবে আশ্বিনা আম, যা চলবে আমের সরবরাহ থাকা পর্যন্ত। আম থেকে উৎপাদিত পাল্প অ্যাসেপটিক ব্যাগে সংরক্ষণ করে কোল্ড স্টোরেজে রাখা হয়, যা সারা বছর জুস উৎপাদনে ব্যবহার হয়।

চলতি মৌসুমে প্রাণ ১২ হাজার চুক্তিভিত্তিক আমচাষির কাছ থেকে ৬০ হাজার মেট্রিক টন আম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। রাজশাহীর পাশাপাশি নাটোরের একডালায় প্রাণ এগ্রো লিমিটেড কারখানাতেও আম সংগ্রহ ও পাল্পিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে প্রাণ গ্রুপ।

এ বিষয়ে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল বলেন, ভোক্তার জন্য সর্বোত্তম মানের ফ্রুট ড্রিংকস ও জুস নিশ্চিত করতে আমরা কাঁচামালের গুণগত মানের বিষয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। এ কারণেই আম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত অঞ্চলগুলোতে আমাদের সংগ্রহ ও পাল্পিং কারখানা প্রতিষ্ঠা করেছি। এতে চাষীরা সহজেই তাদের উৎপাদিত আম সরবরাহ করতে পারছেন।

খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে ম্যাংগো ফ্রুট ড্রিংক ও জুসের বাজার প্রায় ১৫০০ কোটি টাকা। বাজারটি প্রতিবছর ১০ শতাংশ হারে বাড়ছে।

/এসবি/