'জনমানুষের বৈশাখ, শেকড়ের সংস্কৃতি' নামে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত

'জনমানুষের বৈশাখ, শেকড়ের সংস্কৃতি' নামে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত
নিজস্ব প্রতিবেদক

বৈশাখ উদযাপনের নামে কর্পোরেট পুঁজির দৌরাত্ম আর ভিনদেশী সংস্কৃতির বিস্তার ঠেকাতে কবি ও চিন্তক ফয়েজ আলমের নেতৃত্বে পাঁচটি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে 'জনমানুষের বৈশাখ, শেকড়ের সংস্কৃতি' শিরোনামে পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপিত হয়েছে ।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দুপুর ২টা পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে বর্ষবরণের এ আয়োজন উদযাপিত হয়।
'আল্লাহ মেঘ দে পানি দে ছায়া দে রে তুই'-গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে লোকসংগীতের পাশাপাশি কবিতা আবৃত্তি ও সমবেত নৃত্য পরিবেশন করা হয়।
সঙ্গীত পরিবেশন করেন প্রখ্যাত বাউল শিল্পী আবুল হোসেন, শাহীন বাউলা, শাহ জাহান ও এখলাস মিয়া প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে কবি ও চিন্তক ফয়েজ আলমের সাথে বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব কবি ও কথাসাহিত্যিক জোহরা পারুল, কবি খলিল মজিদ, রাজু আহমেদ মামুন, মনির ইউসুফ, গবেষক ও সংস্কৃতিকর্মী আবু সাঈদ তুলু, সাকী আনোয়ার, চঞ্চল সৈকত প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় বাঙালি মেলের প্রধান সমন্বয়ক আবির বাঙালি, জনসংস্কৃতি'র প্রধান সংগঠক আবু বকর মুহম্মদ মুইনউদ্দিন, চারবাক-এর সম্পাদক রিসি দলাই, কাব্যস্বর-এর কর্ণধার মুরাদ হাসান এবং বাংলাদেশ বুক ওয়ার্ম এসোসিয়েশনের কর্ণধার নাহিদ বাদশাহ অনুষ্ঠানের আয়োজক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে আয়োজক কবি ফয়েজ আলম বলেন, পহেলা বৈশাখ মূলত বাংলাদেশের জনমানুষের অনুষ্ঠান। এই দেশের চাষী, জেলে, পেশাজীবী, খেটে খাওয়া মানুষ, শত শত বছর ধরে পহেলা বৈশাখ পালন করে।
অনুষ্ঠানস্থলে দেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার পান্তা-আলুভর্তা-বাতাসা-খেলনার আপ্যায়ন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রায় ৫শত লোক পান্তা ভাতে আপ্যায়িত হন।

বৈশাখ উদযাপনের নামে কর্পোরেট পুঁজির দৌরাত্ম আর ভিনদেশী সংস্কৃতির বিস্তার ঠেকাতে কবি ও চিন্তক ফয়েজ আলমের নেতৃত্বে পাঁচটি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে 'জনমানুষের বৈশাখ, শেকড়ের সংস্কৃতি' শিরোনামে পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপিত হয়েছে ।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দুপুর ২টা পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে বর্ষবরণের এ আয়োজন উদযাপিত হয়।
'আল্লাহ মেঘ দে পানি দে ছায়া দে রে তুই'-গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে লোকসংগীতের পাশাপাশি কবিতা আবৃত্তি ও সমবেত নৃত্য পরিবেশন করা হয়।
সঙ্গীত পরিবেশন করেন প্রখ্যাত বাউল শিল্পী আবুল হোসেন, শাহীন বাউলা, শাহ জাহান ও এখলাস মিয়া প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে কবি ও চিন্তক ফয়েজ আলমের সাথে বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব কবি ও কথাসাহিত্যিক জোহরা পারুল, কবি খলিল মজিদ, রাজু আহমেদ মামুন, মনির ইউসুফ, গবেষক ও সংস্কৃতিকর্মী আবু সাঈদ তুলু, সাকী আনোয়ার, চঞ্চল সৈকত প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় বাঙালি মেলের প্রধান সমন্বয়ক আবির বাঙালি, জনসংস্কৃতি'র প্রধান সংগঠক আবু বকর মুহম্মদ মুইনউদ্দিন, চারবাক-এর সম্পাদক রিসি দলাই, কাব্যস্বর-এর কর্ণধার মুরাদ হাসান এবং বাংলাদেশ বুক ওয়ার্ম এসোসিয়েশনের কর্ণধার নাহিদ বাদশাহ অনুষ্ঠানের আয়োজক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে আয়োজক কবি ফয়েজ আলম বলেন, পহেলা বৈশাখ মূলত বাংলাদেশের জনমানুষের অনুষ্ঠান। এই দেশের চাষী, জেলে, পেশাজীবী, খেটে খাওয়া মানুষ, শত শত বছর ধরে পহেলা বৈশাখ পালন করে।
অনুষ্ঠানস্থলে দেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার পান্তা-আলুভর্তা-বাতাসা-খেলনার আপ্যায়ন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রায় ৫শত লোক পান্তা ভাতে আপ্যায়িত হন।

'জনমানুষের বৈশাখ, শেকড়ের সংস্কৃতি' নামে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত
নিজস্ব প্রতিবেদক

বৈশাখ উদযাপনের নামে কর্পোরেট পুঁজির দৌরাত্ম আর ভিনদেশী সংস্কৃতির বিস্তার ঠেকাতে কবি ও চিন্তক ফয়েজ আলমের নেতৃত্বে পাঁচটি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে 'জনমানুষের বৈশাখ, শেকড়ের সংস্কৃতি' শিরোনামে পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপিত হয়েছে ।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দুপুর ২টা পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে বর্ষবরণের এ আয়োজন উদযাপিত হয়।
'আল্লাহ মেঘ দে পানি দে ছায়া দে রে তুই'-গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে লোকসংগীতের পাশাপাশি কবিতা আবৃত্তি ও সমবেত নৃত্য পরিবেশন করা হয়।
সঙ্গীত পরিবেশন করেন প্রখ্যাত বাউল শিল্পী আবুল হোসেন, শাহীন বাউলা, শাহ জাহান ও এখলাস মিয়া প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে কবি ও চিন্তক ফয়েজ আলমের সাথে বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব কবি ও কথাসাহিত্যিক জোহরা পারুল, কবি খলিল মজিদ, রাজু আহমেদ মামুন, মনির ইউসুফ, গবেষক ও সংস্কৃতিকর্মী আবু সাঈদ তুলু, সাকী আনোয়ার, চঞ্চল সৈকত প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় বাঙালি মেলের প্রধান সমন্বয়ক আবির বাঙালি, জনসংস্কৃতি'র প্রধান সংগঠক আবু বকর মুহম্মদ মুইনউদ্দিন, চারবাক-এর সম্পাদক রিসি দলাই, কাব্যস্বর-এর কর্ণধার মুরাদ হাসান এবং বাংলাদেশ বুক ওয়ার্ম এসোসিয়েশনের কর্ণধার নাহিদ বাদশাহ অনুষ্ঠানের আয়োজক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে আয়োজক কবি ফয়েজ আলম বলেন, পহেলা বৈশাখ মূলত বাংলাদেশের জনমানুষের অনুষ্ঠান। এই দেশের চাষী, জেলে, পেশাজীবী, খেটে খাওয়া মানুষ, শত শত বছর ধরে পহেলা বৈশাখ পালন করে।
অনুষ্ঠানস্থলে দেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার পান্তা-আলুভর্তা-বাতাসা-খেলনার আপ্যায়ন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রায় ৫শত লোক পান্তা ভাতে আপ্যায়িত হন।




