শিরোনাম

জুলাইয়ের জন্ম আমরা দিয়েছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
জুলাইয়ের জন্ম আমরা দিয়েছি: ডিএসসিসি প্রশাসক
বক্তব্য রাখছেন ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম। ছবি: সিটিজেল জার্নাল

জুলাই আন্দোলন নিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম বলেছেন, ‘এই জুলাইয়ের জন্ম আমরা দিয়েছি। যদি ১৭ বছর আমরা আন্দোলন না করতাম, এই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই না করতাম, তাহলে আজকে জুলাই সৃষ্টি হতো না।’

শনিবার (৪ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জিয়া শিশু কিশোর মেলার উদ্যোগে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুস সালাম বলেন, ‘বিএনপিকে আজকে এই জুলাইয়ের কথা বলে বা অন্য কিছু বলে বিভ্রান্ত করা যাবে না। বিএনপি জনগণের জন্য কাজ করে। জুলাই সনদে যা যা পাওনা, সেগুলো অবশ্যই বিএনপি মিটাবে। এই ব্যাপারে কোনো কার্পণ্য থাকবে না বিএনপির।’

স্থানীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা অবশ্যই নির্বাচন চাই। কিন্তু নির্বাচনের আগে ঢাকা শহরে নতুন করে ভোটার তালিকা আমরা চাই। যারা ঢাকা শহরে থাকেন, তারাই ঢাকা শহরে ভোটার হবে। অন্য জায়গায় থাকবেন আর ভোটের সময় ঢাকা শহরে আইসা ভোট দিবেন–এইটা হইতে পারবে না।’

ডিএসসিসি প্রশাসক আরো বলেন, ‘আমরা তো ভোটের বাইরে কিছু চাই না। যতবার বাংলাদেশে নিরপেক্ষ ভোট হয়েছে, ততবার বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে।’

আব্দুস সালাম বলেন, ‘দেশটা সংকটে গেলে লাভ কার? যারা দেশের বিরোধী শক্তি, তাদের। কাজেই আপনারা দেশটাকে কেন সংকটে নিয়ে যেতে চান? এই মুহূর্তে ১৭ বছরের সংকট, একসঙ্গে আবার যুদ্ধ শুরু হয়ে আরেকটা অর্থনৈতিক সংকট আমাদের সামনে। সাহসের সঙ্গে আমাদের নেতা মোকাবিলা করছেন।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের সময় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কিন্তু এখন ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়া শুরু হয়েছে, ‘কৃষক কার্ড’ দেওয়া হবে, কৃষকদের ব্যাংকঋণ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত মওকুফ করা হয়েছে। সারা বিশ্ব অর্থনীতির সংকটে, সেই সময় প্রধানমন্ত্রী চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন— আমার এই দেশের গরিব মানুষকে বাঁচাতে হবে, আমার কৃষককে বাঁচাতে হবে, আমার শ্রমিককে বাঁচাতে হবে।’

সরকারের সমালোচকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘কথার ফুলঝুড়ি দিয়ে যেমনি দেশের স্বাধীনতা আসে নাই, তেমনি কথার ফুলঝুড়ি দিয়ে মানুষের পেটে ভাতও যাবে না। সেটার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। সেটাই নিচ্ছেন আমাদের নেতা তারেক রহমান।’

সংগঠনের সভাপতি জাহাঙ্গীর শিকদারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মালেক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ছড়াকার আবু সালেহ, বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোশারফ আহমেদ ঠাকুর প্রমুখ।