আহসান মঞ্জিলে ডিএসসিসির বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ

আহসান মঞ্জিলে ডিএসসিসির বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

আমাদের ইতিহাসের শিকড়ের সঙ্গে বর্তমান প্রজন্মের সম্মিলন ঘটলেই বাঙালি সংস্কৃতি পূর্ণতা পাবে এবং বিকশিত হবে। এমন মন্তব্য করেছেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
ঐতিহাসিক আহসান মঞ্জিল প্রাঙ্গণে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।
আহসান মঞ্জিলে এই আয়োজনের বিশেষ গুরুত্ব তুলে ধরে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে ঢাকা শহরের গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরতেই এই নান্দনিক আয়োজন।

নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, সিটি কর্পোরেশনের কাজ মূলত ২৪ ঘণ্টার সেবা দেওয়া। বর্তমান নির্বাচিত সরকারের গতিশীলতা এবং জনসেবার চাপের কারণে আমাদের অনেক সময় সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও কাজ করতে হচ্ছে। জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য, তাই মাঠপর্যায়ে আমাদের সার্বক্ষণিক সক্রিয় থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের স্পিরিট ও নির্দেশনার আলোকে নগরবাসীকে দ্রুত সেবা দিতে ডিএসসিসি বদ্ধপরিকর। আগামী দিনগুলোয় মশক নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও জলাবদ্ধতা নিরসন অগ্রাধিকার পাবে।

সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া বর্ণিল এই উৎসব চলে দুপুর পর্যন্ত। সবার জন্য তা জন্য উন্মুক্ত ছিল।
অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত ১২টি সংগীত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মনোমুগ্ধকর সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন। লোকজ সংস্কৃতি আর আধুনিকতার মেলবন্ধনে অনুষ্ঠানস্থল এক উৎসবমুখর মিলনমেলায় পরিণত হয়।

আমাদের ইতিহাসের শিকড়ের সঙ্গে বর্তমান প্রজন্মের সম্মিলন ঘটলেই বাঙালি সংস্কৃতি পূর্ণতা পাবে এবং বিকশিত হবে। এমন মন্তব্য করেছেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
ঐতিহাসিক আহসান মঞ্জিল প্রাঙ্গণে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।
আহসান মঞ্জিলে এই আয়োজনের বিশেষ গুরুত্ব তুলে ধরে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে ঢাকা শহরের গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরতেই এই নান্দনিক আয়োজন।

নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, সিটি কর্পোরেশনের কাজ মূলত ২৪ ঘণ্টার সেবা দেওয়া। বর্তমান নির্বাচিত সরকারের গতিশীলতা এবং জনসেবার চাপের কারণে আমাদের অনেক সময় সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও কাজ করতে হচ্ছে। জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য, তাই মাঠপর্যায়ে আমাদের সার্বক্ষণিক সক্রিয় থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের স্পিরিট ও নির্দেশনার আলোকে নগরবাসীকে দ্রুত সেবা দিতে ডিএসসিসি বদ্ধপরিকর। আগামী দিনগুলোয় মশক নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও জলাবদ্ধতা নিরসন অগ্রাধিকার পাবে।

সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া বর্ণিল এই উৎসব চলে দুপুর পর্যন্ত। সবার জন্য তা জন্য উন্মুক্ত ছিল।
অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত ১২টি সংগীত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মনোমুগ্ধকর সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন। লোকজ সংস্কৃতি আর আধুনিকতার মেলবন্ধনে অনুষ্ঠানস্থল এক উৎসবমুখর মিলনমেলায় পরিণত হয়।

আহসান মঞ্জিলে ডিএসসিসির বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

আমাদের ইতিহাসের শিকড়ের সঙ্গে বর্তমান প্রজন্মের সম্মিলন ঘটলেই বাঙালি সংস্কৃতি পূর্ণতা পাবে এবং বিকশিত হবে। এমন মন্তব্য করেছেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
ঐতিহাসিক আহসান মঞ্জিল প্রাঙ্গণে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।
আহসান মঞ্জিলে এই আয়োজনের বিশেষ গুরুত্ব তুলে ধরে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে ঢাকা শহরের গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরতেই এই নান্দনিক আয়োজন।

নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, সিটি কর্পোরেশনের কাজ মূলত ২৪ ঘণ্টার সেবা দেওয়া। বর্তমান নির্বাচিত সরকারের গতিশীলতা এবং জনসেবার চাপের কারণে আমাদের অনেক সময় সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও কাজ করতে হচ্ছে। জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য, তাই মাঠপর্যায়ে আমাদের সার্বক্ষণিক সক্রিয় থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের স্পিরিট ও নির্দেশনার আলোকে নগরবাসীকে দ্রুত সেবা দিতে ডিএসসিসি বদ্ধপরিকর। আগামী দিনগুলোয় মশক নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও জলাবদ্ধতা নিরসন অগ্রাধিকার পাবে।

সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া বর্ণিল এই উৎসব চলে দুপুর পর্যন্ত। সবার জন্য তা জন্য উন্মুক্ত ছিল।
অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত ১২টি সংগীত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মনোমুগ্ধকর সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন। লোকজ সংস্কৃতি আর আধুনিকতার মেলবন্ধনে অনুষ্ঠানস্থল এক উৎসবমুখর মিলনমেলায় পরিণত হয়।




