বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়াই মিরপুরে ফুটওভার ব্রিজ সংস্কার, ঝুঁকিতে পথচারী

বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়াই মিরপুরে ফুটওভার ব্রিজ সংস্কার, ঝুঁকিতে পথচারী
মেহেদী হাছান মাহীম

রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত এলাকা মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর। প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই এলাকা দিয়ে চলাচল করেন। পথচারীদের নিরাপদে সড়ক পারাপারের অন্যতম মাধ্যম এখানকার ফুটওভার ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এজন্য সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)।
প্রায় এক মাস আগে সংস্কারকাজের জন্য ফুটওভার ব্রিজটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে পথচারীদের পারাপারের জন্য কোনো বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়নি। ফলে নারী, শিশু ও বয়স্কসহ প্রতিদিন অসংখ্য পথচারীকে ব্যস্ত সড়কে চলন্ত যানবাহনের ফাঁক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হচ্ছে। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফুটওভার ব্রিজটিতে সংস্কারকাজ চলছে। ব্রিজের সিঁড়িতে ওঠার মুখেই চোখে পড়ে ডিএনসিসির একটি ব্যানার। এতে লেখা রয়েছে-‘ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণ কাজ চলছে।’
ব্রিজটির সিঁড়ির অবস্থা জরাজীর্ণ। একাধিক অংশ ভাঙাচোরা হয়ে আছে। কোথাও কোথাও সিঁড়ির ধাপ ক্ষয়ে গেছে। পাশাপাশি লোহার রেলিংয়েও দেখা যায় দীর্ঘদিনের পুরোনো ও জীর্ণ অবস্থা। কয়েকটি অংশে বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে অস্থায়ীভাবে সংস্কারের চিহ্নও রয়েছে।
সংস্কারকাজ চলায় বর্তমানে ফুটওভার ব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছেন না পথচারীরা। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে সড়কের নিচ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হচ্ছেন।
এক পথচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এক মাসের বেশি সময় ধরে দেখছি ব্রিজে ওঠা-নামা বন্ধ রয়েছে। এভাবে আর কতদিন থাকবে, সেটাও জানি না। আমি আগে নিয়মিত ব্রিজ ব্যবহার করে রাস্তা পার হতাম। এখন ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হতে হচ্ছে।’

ইয়াসিন আরাফাত নামের আরেক পথচারী বলেন, ‘ব্রিজ বন্ধ থাকায় আমি এখন বাধ্য হয়ে রাস্তা দিয়ে পারাপার করছি। এখানে সবসময় গাড়ির চাপ থাকে। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ব্রিজ সংস্কার করা হচ্ছে- এটা ভালো দিক। তবে আমাদের নিরাপদে রাস্তা পারাপারের একটা ব্যবস্থা রাখা খুব দরকার। অন্তত অস্থায়ী জেব্রা ক্রসিং তৈরি বা ট্রাফিক পুলিশের মাধ্যমে পারাপারের ব্যবস্থা করা হলে মানুষকে এভাবে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হতে হতো না।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে ট্রাফিক বিভাগের এক পুলিশ সদস্য জানান, ফুটওভার ব্রিজ বন্ধ থাকায় সড়কে পথচারীদের চাপ বেড়েছে। আগে থেকেই অনেকে সরাসরি রাস্তা দিয়ে পারাপার হতেন। ব্রিজ বন্ধ হওয়ার পর সেই প্রবণতা আরও বেড়েছে।
তিনি বলেন, এমনিতেই এখানে বাসসহ অন্যান্য যানবাহনের অনেক চাপ থাকে। এখন নতুন করে পথচারীদের বাড়তি চাপ যুক্ত হয়েছে।
এদিকে, সড়ক দিয়ে পথচারীদের পারাপারের কারণে বিড়ম্বনায় পড়েছেন যানবাহন চালকরাও। তাদের ভাষ্য, মিরপুর-১০ গোলচত্বরে প্রায় সবসময়ই যানজট লেগে থাকে। এর মধ্যে পথচারীরা সরাসরি সড়ক দিয়ে পারাপার হওয়ায় যানবাহন চলাচল আরও ব্যাহত হচ্ছে।
শিকড় বাসের এক চালক আব্দুল্লাহ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘দ্রুত পথচারীদের জন্য বিকল্প নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা না করা হলে একদিকে যেমন যানজট আরও বাড়বে, অন্যদিকে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে।’

এ বিষয়ে ডিএনসিসির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী-১ (অতিরিক্ত দায়িত্ব) খন্দকার মাহবুব আলম সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘ফুটওভার ব্রিজটির কাঠামোগত মেরামত করা হচ্ছে। ব্রিজটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যাওয়ায় পথচারীদেরকে উঠতে দেয়া হচ্ছে না। বর্তমানে সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। কাজ শেষ হতে আরও ২ মাস বা তার অধিক সময় লাগতে পারে। ঠিক করার আগ পর্যন্ত পথচারীদের একটু কষ্ট করা লাগবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ব্রিজের কাজ সম্পন্ন হলে এটা পথচারীদের জন্য অনেক স্বস্তিদায়ক হবে। নান্দনিক এবং লাইটের ব্যবস্থাসহ অনেক কিছুই থাকবে। তবে এক্সেলেটরের কোনো ব্যবস্থা থাকবে না।’

রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত এলাকা মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর। প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই এলাকা দিয়ে চলাচল করেন। পথচারীদের নিরাপদে সড়ক পারাপারের অন্যতম মাধ্যম এখানকার ফুটওভার ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এজন্য সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)।
প্রায় এক মাস আগে সংস্কারকাজের জন্য ফুটওভার ব্রিজটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে পথচারীদের পারাপারের জন্য কোনো বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়নি। ফলে নারী, শিশু ও বয়স্কসহ প্রতিদিন অসংখ্য পথচারীকে ব্যস্ত সড়কে চলন্ত যানবাহনের ফাঁক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হচ্ছে। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফুটওভার ব্রিজটিতে সংস্কারকাজ চলছে। ব্রিজের সিঁড়িতে ওঠার মুখেই চোখে পড়ে ডিএনসিসির একটি ব্যানার। এতে লেখা রয়েছে-‘ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণ কাজ চলছে।’
ব্রিজটির সিঁড়ির অবস্থা জরাজীর্ণ। একাধিক অংশ ভাঙাচোরা হয়ে আছে। কোথাও কোথাও সিঁড়ির ধাপ ক্ষয়ে গেছে। পাশাপাশি লোহার রেলিংয়েও দেখা যায় দীর্ঘদিনের পুরোনো ও জীর্ণ অবস্থা। কয়েকটি অংশে বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে অস্থায়ীভাবে সংস্কারের চিহ্নও রয়েছে।
সংস্কারকাজ চলায় বর্তমানে ফুটওভার ব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছেন না পথচারীরা। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে সড়কের নিচ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হচ্ছেন।
এক পথচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এক মাসের বেশি সময় ধরে দেখছি ব্রিজে ওঠা-নামা বন্ধ রয়েছে। এভাবে আর কতদিন থাকবে, সেটাও জানি না। আমি আগে নিয়মিত ব্রিজ ব্যবহার করে রাস্তা পার হতাম। এখন ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হতে হচ্ছে।’

ইয়াসিন আরাফাত নামের আরেক পথচারী বলেন, ‘ব্রিজ বন্ধ থাকায় আমি এখন বাধ্য হয়ে রাস্তা দিয়ে পারাপার করছি। এখানে সবসময় গাড়ির চাপ থাকে। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ব্রিজ সংস্কার করা হচ্ছে- এটা ভালো দিক। তবে আমাদের নিরাপদে রাস্তা পারাপারের একটা ব্যবস্থা রাখা খুব দরকার। অন্তত অস্থায়ী জেব্রা ক্রসিং তৈরি বা ট্রাফিক পুলিশের মাধ্যমে পারাপারের ব্যবস্থা করা হলে মানুষকে এভাবে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হতে হতো না।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে ট্রাফিক বিভাগের এক পুলিশ সদস্য জানান, ফুটওভার ব্রিজ বন্ধ থাকায় সড়কে পথচারীদের চাপ বেড়েছে। আগে থেকেই অনেকে সরাসরি রাস্তা দিয়ে পারাপার হতেন। ব্রিজ বন্ধ হওয়ার পর সেই প্রবণতা আরও বেড়েছে।
তিনি বলেন, এমনিতেই এখানে বাসসহ অন্যান্য যানবাহনের অনেক চাপ থাকে। এখন নতুন করে পথচারীদের বাড়তি চাপ যুক্ত হয়েছে।
এদিকে, সড়ক দিয়ে পথচারীদের পারাপারের কারণে বিড়ম্বনায় পড়েছেন যানবাহন চালকরাও। তাদের ভাষ্য, মিরপুর-১০ গোলচত্বরে প্রায় সবসময়ই যানজট লেগে থাকে। এর মধ্যে পথচারীরা সরাসরি সড়ক দিয়ে পারাপার হওয়ায় যানবাহন চলাচল আরও ব্যাহত হচ্ছে।
শিকড় বাসের এক চালক আব্দুল্লাহ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘দ্রুত পথচারীদের জন্য বিকল্প নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা না করা হলে একদিকে যেমন যানজট আরও বাড়বে, অন্যদিকে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে।’

এ বিষয়ে ডিএনসিসির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী-১ (অতিরিক্ত দায়িত্ব) খন্দকার মাহবুব আলম সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘ফুটওভার ব্রিজটির কাঠামোগত মেরামত করা হচ্ছে। ব্রিজটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যাওয়ায় পথচারীদেরকে উঠতে দেয়া হচ্ছে না। বর্তমানে সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। কাজ শেষ হতে আরও ২ মাস বা তার অধিক সময় লাগতে পারে। ঠিক করার আগ পর্যন্ত পথচারীদের একটু কষ্ট করা লাগবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ব্রিজের কাজ সম্পন্ন হলে এটা পথচারীদের জন্য অনেক স্বস্তিদায়ক হবে। নান্দনিক এবং লাইটের ব্যবস্থাসহ অনেক কিছুই থাকবে। তবে এক্সেলেটরের কোনো ব্যবস্থা থাকবে না।’

বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়াই মিরপুরে ফুটওভার ব্রিজ সংস্কার, ঝুঁকিতে পথচারী
মেহেদী হাছান মাহীম

রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত এলাকা মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর। প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই এলাকা দিয়ে চলাচল করেন। পথচারীদের নিরাপদে সড়ক পারাপারের অন্যতম মাধ্যম এখানকার ফুটওভার ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এজন্য সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)।
প্রায় এক মাস আগে সংস্কারকাজের জন্য ফুটওভার ব্রিজটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে পথচারীদের পারাপারের জন্য কোনো বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়নি। ফলে নারী, শিশু ও বয়স্কসহ প্রতিদিন অসংখ্য পথচারীকে ব্যস্ত সড়কে চলন্ত যানবাহনের ফাঁক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হচ্ছে। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফুটওভার ব্রিজটিতে সংস্কারকাজ চলছে। ব্রিজের সিঁড়িতে ওঠার মুখেই চোখে পড়ে ডিএনসিসির একটি ব্যানার। এতে লেখা রয়েছে-‘ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণ কাজ চলছে।’
ব্রিজটির সিঁড়ির অবস্থা জরাজীর্ণ। একাধিক অংশ ভাঙাচোরা হয়ে আছে। কোথাও কোথাও সিঁড়ির ধাপ ক্ষয়ে গেছে। পাশাপাশি লোহার রেলিংয়েও দেখা যায় দীর্ঘদিনের পুরোনো ও জীর্ণ অবস্থা। কয়েকটি অংশে বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে অস্থায়ীভাবে সংস্কারের চিহ্নও রয়েছে।
সংস্কারকাজ চলায় বর্তমানে ফুটওভার ব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছেন না পথচারীরা। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে সড়কের নিচ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হচ্ছেন।
এক পথচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এক মাসের বেশি সময় ধরে দেখছি ব্রিজে ওঠা-নামা বন্ধ রয়েছে। এভাবে আর কতদিন থাকবে, সেটাও জানি না। আমি আগে নিয়মিত ব্রিজ ব্যবহার করে রাস্তা পার হতাম। এখন ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হতে হচ্ছে।’

ইয়াসিন আরাফাত নামের আরেক পথচারী বলেন, ‘ব্রিজ বন্ধ থাকায় আমি এখন বাধ্য হয়ে রাস্তা দিয়ে পারাপার করছি। এখানে সবসময় গাড়ির চাপ থাকে। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ব্রিজ সংস্কার করা হচ্ছে- এটা ভালো দিক। তবে আমাদের নিরাপদে রাস্তা পারাপারের একটা ব্যবস্থা রাখা খুব দরকার। অন্তত অস্থায়ী জেব্রা ক্রসিং তৈরি বা ট্রাফিক পুলিশের মাধ্যমে পারাপারের ব্যবস্থা করা হলে মানুষকে এভাবে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হতে হতো না।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে ট্রাফিক বিভাগের এক পুলিশ সদস্য জানান, ফুটওভার ব্রিজ বন্ধ থাকায় সড়কে পথচারীদের চাপ বেড়েছে। আগে থেকেই অনেকে সরাসরি রাস্তা দিয়ে পারাপার হতেন। ব্রিজ বন্ধ হওয়ার পর সেই প্রবণতা আরও বেড়েছে।
তিনি বলেন, এমনিতেই এখানে বাসসহ অন্যান্য যানবাহনের অনেক চাপ থাকে। এখন নতুন করে পথচারীদের বাড়তি চাপ যুক্ত হয়েছে।
এদিকে, সড়ক দিয়ে পথচারীদের পারাপারের কারণে বিড়ম্বনায় পড়েছেন যানবাহন চালকরাও। তাদের ভাষ্য, মিরপুর-১০ গোলচত্বরে প্রায় সবসময়ই যানজট লেগে থাকে। এর মধ্যে পথচারীরা সরাসরি সড়ক দিয়ে পারাপার হওয়ায় যানবাহন চলাচল আরও ব্যাহত হচ্ছে।
শিকড় বাসের এক চালক আব্দুল্লাহ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘দ্রুত পথচারীদের জন্য বিকল্প নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা না করা হলে একদিকে যেমন যানজট আরও বাড়বে, অন্যদিকে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে।’

এ বিষয়ে ডিএনসিসির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী-১ (অতিরিক্ত দায়িত্ব) খন্দকার মাহবুব আলম সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘ফুটওভার ব্রিজটির কাঠামোগত মেরামত করা হচ্ছে। ব্রিজটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যাওয়ায় পথচারীদেরকে উঠতে দেয়া হচ্ছে না। বর্তমানে সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। কাজ শেষ হতে আরও ২ মাস বা তার অধিক সময় লাগতে পারে। ঠিক করার আগ পর্যন্ত পথচারীদের একটু কষ্ট করা লাগবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ব্রিজের কাজ সম্পন্ন হলে এটা পথচারীদের জন্য অনেক স্বস্তিদায়ক হবে। নান্দনিক এবং লাইটের ব্যবস্থাসহ অনেক কিছুই থাকবে। তবে এক্সেলেটরের কোনো ব্যবস্থা থাকবে না।’

সংস্কার শেষে কামরাঙ্গীরচর লোহার ব্রিজ উন্মুক্ত ঘোষণা ডিএসসিসির
সংস্কার হয়নি কয়রার বেড়িবাঁধ, দুর্ভোগে গ্রামবাসী


-CznNewsLab-63b117-480x270.webp)




